আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে যুবশক্তি নেতাদের ওপর হামলা, আহত-৩

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় যুবশক্তি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের ওয়াসার মোড়স্থ কুটুমবাড়ী রেস্তোরাঁর সামনে সংঘর্ষের সময় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জাতীয় যুবশক্তি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ইরফাত ইব্রাহীম, সদস্যসচিব আবু নাঈম মো. মোস্তফা রিমান এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংগঠক আশরাফুল হক টিপু আহত হয়েছেন। জাতীয় যুবশক্তি বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন হিসেবে কাজ করে।

জাতীয় যুবশক্তি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সদস্যসচিব আবু নাঈম মো. মোস্তফা রিমান অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে জাতীয় যুবশক্তির সাধারণ সভা চলছিল। সভার একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি হলে অপর পক্ষ তাদের লোকজন ডেকে আনে। হামলাকারীদের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী ছিল। তারা আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং আমাকে হত্যার চেষ্টা করে। আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী রক্তাক্ত হয়েছেন। হামলাকারীরা এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সাগুফতা বুশরার অনুসারী বলে আমরা জেনেছি।
মহানগর যুবশক্তির যুগ্ম সদস্যসচিব সজীব ভূঁইয়া বলেন, হামলায় জড়িতরা সবাই মিশমার অনুসারী। তারা গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। মিশমা আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং আন্দোলনের সময় আমাদের সংগঠনে যুক্ত হন। এখন তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় পদে থেকে ছাত্রলীগের ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করছেন। তাঁর অনুসারীরা সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে।

ছুরিকাহত যুবশক্তি নেতা আয়াজ বলেন, সভা চলাকালে কথা-কাটাকাটির পর একপক্ষ বাইরে লোক জড়ো করতে থাকে। সভা শেষে আমরা বের হলে স্লোগান দিয়ে হামলা শুরু হয়। এসময় তৌসিফ বিন রফিক নামের একজন আমাকে ছুরিকাঘাত করেন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে রেস্তোরার ভেতরে কথাকাটাকাটির পর উভয় পক্ষ বাইরে নামলে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে অন্তত তিনজন আহত হন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ