আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

বোয়ালখালীকে কলেজছাত্রীর গোসলের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ৩ যুবক আটক।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কলেজ শিক্ষার্থীর গোসলের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রচার করছিল ৩ যুবক। অভিযোগ পেয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বোয়ালখালী ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়নের বেঙ্গুরা গ্রামের খাজা নগরের আহাম্মদ হোসেনের ছেলে ইমতিয়াজ হোসেন আহাদ (১৮), লোকমানের ছেলে আব্দুল শুকুর রায়হান বাদশা (১৬) ও সোলায়মানের ছেলে নুরুল আলম বাঁধন (১৯)।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে ৩ যুবককে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান। তিনি বলেন, গত সোমবার (১০ নভেম্বর) কলেজ শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে ৩ যুবকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি জানান, এইসএসসি দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ণরত এক শিক্ষার্থী বাথরুমে গোসলের সময় বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে তা শিক্ষার্থীর আত্মীয় স্বজনদের ফেসবুক মেসেঞ্জার পাঠাচ্ছিল যুবকেরা।

শিক্ষার্থীর মা জানান, আহাদ দীর্ঘ দিন ধরে কলেজে আসা যাওয়া পথে আমার মেয়েকে কু-প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিল। এতে সাড়া না দেওয়ায় সে ক্ষতি করার হুমকি ধমকি দেয়। সোমবার ১০ নভেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে প্রতিবেশি মেয়ের গোসলে এক চাচি মোবাইলে র নগ্ন ভিডিও দেখিয়ে জানান তার দূর সম্পর্কে এক আত্মীয় ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভিডিওটি পেয়ে তার কাছে নিশ্চিত হওয়ার জন্য পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়ের সাথে কথা বলে জানতে পারি গত ১৮ জুলাই দুপুর ২টার দিকে বাথরুমে গোসলের সময় ভেন্টিলেটরের বাইরে কারো উপস্থিতি টের পেয়েছিলো। তবে কে কে বলায় ওই লোক পালিয়ে যায়। আহাদ বাদশা ও বাঁধনের সহায়তায় গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা মেসেঞ্জারে প্রচার করে মেয়ের সম্মানহানিসহ সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ