আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বোয়ালখালীকে কলেজছাত্রীর গোসলের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ৩ যুবক আটক।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কলেজ শিক্ষার্থীর গোসলের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রচার করছিল ৩ যুবক। অভিযোগ পেয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বোয়ালখালী ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়নের বেঙ্গুরা গ্রামের খাজা নগরের আহাম্মদ হোসেনের ছেলে ইমতিয়াজ হোসেন আহাদ (১৮), লোকমানের ছেলে আব্দুল শুকুর রায়হান বাদশা (১৬) ও সোলায়মানের ছেলে নুরুল আলম বাঁধন (১৯)।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে ৩ যুবককে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান। তিনি বলেন, গত সোমবার (১০ নভেম্বর) কলেজ শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে ৩ যুবকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি জানান, এইসএসসি দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ণরত এক শিক্ষার্থী বাথরুমে গোসলের সময় বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে তা শিক্ষার্থীর আত্মীয় স্বজনদের ফেসবুক মেসেঞ্জার পাঠাচ্ছিল যুবকেরা।

শিক্ষার্থীর মা জানান, আহাদ দীর্ঘ দিন ধরে কলেজে আসা যাওয়া পথে আমার মেয়েকে কু-প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিল। এতে সাড়া না দেওয়ায় সে ক্ষতি করার হুমকি ধমকি দেয়। সোমবার ১০ নভেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে প্রতিবেশি মেয়ের গোসলে এক চাচি মোবাইলে র নগ্ন ভিডিও দেখিয়ে জানান তার দূর সম্পর্কে এক আত্মীয় ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভিডিওটি পেয়ে তার কাছে নিশ্চিত হওয়ার জন্য পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়ের সাথে কথা বলে জানতে পারি গত ১৮ জুলাই দুপুর ২টার দিকে বাথরুমে গোসলের সময় ভেন্টিলেটরের বাইরে কারো উপস্থিতি টের পেয়েছিলো। তবে কে কে বলায় ওই লোক পালিয়ে যায়। আহাদ বাদশা ও বাঁধনের সহায়তায় গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা মেসেঞ্জারে প্রচার করে মেয়ের সম্মানহানিসহ সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ