আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

নির্বাচনের দিন গণভোট হলে জেনোসাইড হতে পারে : চট্টগ্রামে জামায়াত আমির।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের দিন গণভোট চাই না। নির্বাচনের দিন গণভোট হলে জেনোসাইড হওয়ার সম্ভাবনা আছে।তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। সেটা আমাদের তৈরি করতে হবে।এই নির্বাচন না হলে দেশে সংকট দেখা দেবে। কিন্তু আমরা কোনো সংকট তৈরি হতে দেব না।

শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম সফরকালে নগরের চকবাজার প্যারেড মাঠে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এরআগে হেলিকপ্টার করে চকবাজারের প্যারেড মাঠে অবতরণ করেন তিনি।ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি-না? এই প্রশ্নে জামায়াতের আমির বলেন, ইনশাআল্লাহ নির্বাচন হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এখন স্থানীয় নির্বাচনের কথা বলছি না। কারণ এটা সম্ভব নয়। আমরা অবাস্তব কোনো দাবিতে বিশ্বাস করি না।নির্বাচনের দিন গণভোট ভালোভাবে চাই না। নির্বাচনের দিন গণভোট হলে জেনোসাইড হওয়ার সম্ভাবনা আছে।নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো

জোট করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো জোট করব না, তবে অনেকগুলো দল এবং শক্তির সঙ্গে আমাদের নির্বাচনী সমঝোতা হবে ইনশাআল্লাহ।
চট্টগ্রামের সব আসনে জামায়াত প্রার্থীর জয়ের জন্য কোনো বার্তা আছে কি-না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি চট্টগ্রামের সব আসনে জামায়াতের প্রার্থী জয়ের কোনো বার্তা দেব না, আমি জনগণের বিজয়ের বার্তা দেব। আমি জামায়াতের বিজয় চাচ্ছি না, আমি জনগণের বিজয় চাচ্ছি।

পিআর নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর দাবি অব্যাহত আছে জানিয়ে আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পিআরের দাবি বাস্তবায়ন হবে জনগণের স্বার্থে। আমরা ক্ষমতায় গেলেও কথা দিচ্ছি, পিআর আমরা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ।

এদিকে গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম সফরকালে বিকেলে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান নগরের আকবরশাহ থানার আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া (পূর্ব ফিরোজ শাহ কলোনি) বড় মাদরাসায় বার্ষিক মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন।

এরপর তিনি সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। পূর্বনির্ধারিত এসব কর্মসূচি শেষে গত রাতে বিমানযোগে তাঁর ঢাকা যাওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক লায়ন তাহের আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিষদের উত্তর জেলার সদস্য সচিব আবু সাঈদ, পরিষদের উত্তর জেলার যুগ্ন আহবায়ক আবুল কাশেম আজাদ (ভিপি শামীম), যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন,নাছির উদ্দিন বিপ্লব। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্রনেতা মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহবায়ক, অধ্যাপক ছালাহুদ্দীন মোহাম্মদ ছলিম নিজামীকে সদস্যসচিব এবং শহিদুল ইসলাম, আবুল বশর, মো. নিজাম উদ্দিন, মেসকাত উদ্দিন, কামরুল হাসান আজাদ, শামছু উদ্দিন, জিয়া উল হক জিল্লু, ইসমাইল হোসেন খোকন, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখকে সদস্য করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী একমাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেন জেলার নেতৃবৃন্দ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ