আজঃ রবিবার ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

বোয়ালখালী পশ্চিম গোমদন্ডী এরশাদ উল্লাহ’র সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদন্ডী বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এরশাদ উল্লাহ’র ধানের শীষের সমর্থনে গণসংযোগ অনুষ্ঠিত। আজ শুক্রবার ২৮ নভেম্বর, বিকেলে পশ্চিম গোমদন্ডী পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। হযরত শাহ সূফী পেতন আউলিয়ার মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীরা গনসংযোগ শুরু করেন।


এতে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন। বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী,মোসলেম মিয়া সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা বিএনপির, সদস্য সচিব আলহাজ্ব

নূরুল করিম নুরু, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শামসুল আলম, জাকির হোসেন, মো : জসীম উদ্দীন মেম্বার, সাবেক প্রচার সম্পাদক সরোয়া আলমগীর, জয়নাল আবেদীন সিকদার, পৌরসভা বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন, হাজি আবু আকতার, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদা আকতার সেফু, বিএনপি নেতা এস এম জামাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার, জসীম উদ্দীন, পৌরসভা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ লোকমান, উপজেলা যুবদল নেতা গোলাম হোসেন নান্নু, কস্তুরী হোটেল পরিচালক বিএনপি নেতা মোহাম্মদ লোকমান,

ইলিয়াস মনু, সাইফুদ্দিন, মহিউদ্দিন, আব্দুল কন্ট্রাকটার, মিজানুল হক, মোঃ মঞ্জু, শওকত চেয়ারম্যান, মোহাম্মদ শরীফ, মোঃ মনির আইয়ুব আলি, মেম্বার দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোঃ মোরশেদ, মোহাম্মদ হারুন, মোহাম্মদ সিরাজ, নুরুল আবছার সওদাগর, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ ইসমাইল, জসিম উদ্দিন নিরব, হারুন অর রশিদ,


শহীদুল আলম, আবু মোঃ মুজিব, মোহাম্মদ নাজিম, নাসির উদ্দিন মোঃ খোকন, মোহাম্মদ ইউনুস, আবু মুছা, আবু তালেব, জালাল উদ্দিন, নুরুল হুদা, জামশেদ জিসান সম্রাট, মোহাম্মদ জুয়েল, মোঃ নজরুল , আবছার উদ্দিন, জানে আলম, মোহাম্মদ বেলাল, মোঃ জাহেদ, মোহাম্মদ দিদার, মোঃ আকাশ, ইলিয়াস, আবুল হোসেন, আহমদ নূর, এরশাদ, মুন্না, সোহেল, আইয়ুব প্রমুখ।

গণসংযোগকালে নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেন এবং হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন। এরশাদ উল্লাহকে জয়ী করে বোয়ালখালীর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা। স্থানীয় জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই গণসংযোগকে সফল করে তোলে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে লাগেজে মিলল ৯০ লাখ টাকার সিগারেট

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মালিকানাহীন ছয়টি লাগেজ থেকে ৮০০ কার্টন মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকাল ১১টার দিকে বিমানবন্দরের এরাইভাল হলের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড কর্নারের পাশ থেকে এসব লাগেজ উদ্ধার করা হয়। জব্দ হওয়া সিগারেট প্রতি কার্টন ১১ হাজার ২৫০ টাকা মূল্য ধরে মোট ৯০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, লাগেজগুলোর সঙ্গে কোনো যাত্রীর নাম, ট্যাগ বা মালিকানার কাগজপত্র ছিল না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কেউ লাগেজের দাবি না করায় সেগুলোকে কাস্টমস আইন অনুযায়ী পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরে লাগেজ খুলে ৮০০ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায় এবং তা জব্দ করা হয়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, লাগেজগুলো দীর্ঘ সময় ধরে মালিকবিহীন অবস্থায় ছিল। কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় সেগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করে জব্দ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে চোরাচালান ঠেকাতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং অভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি জানান।

সিএমপির ১৬ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ১৬ থানার সব ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একযোগে বদলি করা হয়েছে। শনিবার সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

চিঠি সূত্রে জানা গেছে, কোতোয়ালী থানার ওসি আব্দুর রহিমকে পাঁচলাইশে, সদরঘাট থানার মো. আব্দুর রহিমকে বন্দর থানায়, বাকলিয়া থানার মো. আফতাব উদ্দীনকে কোতোয়ালীতে, পাঁচলাইশ থানার ওসি মো. সোলায়মানকে বাকলিয়া থানায়, বায়েজিদ থানার ওসি জসিম উদ্দীনকে চান্দগাঁও থানায়, চান্দগাঁও থানার জাহেদুল কবিরকে বায়েজিদ থানায়,

খুলশী থানার শাহীনুল আমিনকে কর্ণফুলী থানায়, ডবলমুরিং থানার বাবুল আজাদকে চকবাজার থানায়, হালিশহর থানার নুরুল আবছারকে পাহাড়তলী থানায়, আকবরশাহ থানার মো. আরিফুর রহমানকে সদরঘাট থানায়, পাহাড়তলী থানার মো. জমির হোসেন মোহাম্মদ জিয়াকে ডবলমুরিং থানায়, কর্ণফুলী থানার জাহেদুল ইসলামকে খুলশী থানায়, বন্দর থানার ওসি মোস্তফা আহম্মেদক পতেঙ্গা থানায়, পতেঙ্গা থানার ওসি কাজী মোহাম্মদ সুলতার আহসান উদ্দীনকে হালিশহর থানায়, ইপিজেড থানার কামরুজ্জামানকে আকবরশাহ থানায়, চকবাজার থানায় শফিকুল ইসলামকে সিটিএসবিতে বদলী করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ