আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বোয়ালখালী পশ্চিম গোমদন্ডী এরশাদ উল্লাহ’র সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদন্ডী বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এরশাদ উল্লাহ’র ধানের শীষের সমর্থনে গণসংযোগ অনুষ্ঠিত। আজ শুক্রবার ২৮ নভেম্বর, বিকেলে পশ্চিম গোমদন্ডী পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। হযরত শাহ সূফী পেতন আউলিয়ার মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীরা গনসংযোগ শুরু করেন।


এতে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন। বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী,মোসলেম মিয়া সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা বিএনপির, সদস্য সচিব আলহাজ্ব

নূরুল করিম নুরু, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শামসুল আলম, জাকির হোসেন, মো : জসীম উদ্দীন মেম্বার, সাবেক প্রচার সম্পাদক সরোয়া আলমগীর, জয়নাল আবেদীন সিকদার, পৌরসভা বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন, হাজি আবু আকতার, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদা আকতার সেফু, বিএনপি নেতা এস এম জামাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার, জসীম উদ্দীন, পৌরসভা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ লোকমান, উপজেলা যুবদল নেতা গোলাম হোসেন নান্নু, কস্তুরী হোটেল পরিচালক বিএনপি নেতা মোহাম্মদ লোকমান,

ইলিয়াস মনু, সাইফুদ্দিন, মহিউদ্দিন, আব্দুল কন্ট্রাকটার, মিজানুল হক, মোঃ মঞ্জু, শওকত চেয়ারম্যান, মোহাম্মদ শরীফ, মোঃ মনির আইয়ুব আলি, মেম্বার দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোঃ মোরশেদ, মোহাম্মদ হারুন, মোহাম্মদ সিরাজ, নুরুল আবছার সওদাগর, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ ইসমাইল, জসিম উদ্দিন নিরব, হারুন অর রশিদ,


শহীদুল আলম, আবু মোঃ মুজিব, মোহাম্মদ নাজিম, নাসির উদ্দিন মোঃ খোকন, মোহাম্মদ ইউনুস, আবু মুছা, আবু তালেব, জালাল উদ্দিন, নুরুল হুদা, জামশেদ জিসান সম্রাট, মোহাম্মদ জুয়েল, মোঃ নজরুল , আবছার উদ্দিন, জানে আলম, মোহাম্মদ বেলাল, মোঃ জাহেদ, মোহাম্মদ দিদার, মোঃ আকাশ, ইলিয়াস, আবুল হোসেন, আহমদ নূর, এরশাদ, মুন্না, সোহেল, আইয়ুব প্রমুখ।

গণসংযোগকালে নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেন এবং হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন। এরশাদ উল্লাহকে জয়ী করে বোয়ালখালীর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা। স্থানীয় জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই গণসংযোগকে সফল করে তোলে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ