আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে চাই—টিপু মন্ডলের আবেগঘন বক্তব্য

সুলতান আহম্মেদ, সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছরি উপজেলার মানুষের কল্যাণকে জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখেন স্থানীয় সমাজসেবক সফিকুল ইসলাম টিপু মন্ডল। মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সাঘাটা–ফুলছরির মানুষ ভালো থাকলে আমি ভালো থাকব। মানুষের মুখের হাসি আমার শক্তি, মানুষের সমস্যার সমাধানই আমার কাজ।

স্থানীয় মানুষের অভিযোগ–আক্ষেপ, জীবনসংগ্রাম ও নাগরিক সুবিধার ঘাটতির বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। চরাঞ্চলের বিশেষ সমস্যাগুলোকে সামনে রেখে বক্তব্যে তিনি বলেন,চর অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। হাসপাতাল নেই, চিকিৎসা সুবিধা সীমিত, যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল—এক কথায় তারা বঞ্চনার মধ্যেই জীবন কাটাচ্ছে। এখন তাঁদের পাশে দাঁড়ানো শুধু প্রয়োজনই নয়, মানবিক দায়িত্বও।

চরবাসীর মৌলিক অধিকার নিশ্চিতেই গুরুত্ব দেখতে চান টিপু মন্ডল।তিনি আরও বলেন,এই অঞ্চলের মানুষ প্রতিদিন নদীর ভাঙন, বন্যা, অনুন্নত রাস্তা, অসুস্থ হলে চিকিৎসা না পাওয়ার কষ্ট—সবকিছুই সহ্য করে বেঁচে আছে। চরবাসীর মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে হলে স্থায়ীভাবে হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা, জরুরি ফায়ার সার্ভিস, স্কুল–কলেজ এবং নিরাপদ আশ্রয়সহ সমন্বিত উন্নয়ন দরকার।”

টিপু মন্ডল মনে করেন, যথাযথ উদ্যোগ ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে এ অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।
“মানুষ আমাকে ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তাই তাদের প্রত্যাশা পূরণে আমি যতটুকু পারি সবটুকুই করতে চাই।”
জাতীয় রাজনীতি ও জনগণের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বক্তব্য
জাতীয় প্রেক্ষাপটে জনগণের দুর্দশা ও উন্নয়নের বিষয়ে মত প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া এই দেশে প্রকৃত শান্তি–শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তিনি মানুষের অধিকার রক্ষায় আজীবন লড়াই করেছেন। সাধারণ মানুষের দুঃখ–কষ্ট দূর করতে তাঁর নেতৃত্ব প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন,

আমি মনে করি, আমাদের দরকার মোদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সরকার। দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য তাঁর মত সাহসী নেতৃত্বই প্রয়োজন।”অঞ্চলের উন্নয়নেই আজীবনের অঙ্গীকারসাঘাটা ও ফুলছরির মানুষের প্রতি নিজের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে টিপু মন্ডল বলেন,

“একজন মানুষ হিসেবে আমার দায়িত্ব মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কেউ কষ্টে থাকলে আমি কখনো শান্তিতে থাকতে পারি না। এলাকার উন্নয়ন, মানুষের সমস্যা দূর করা—এসব কাজই আমার জীবনের লক্ষ্য।”
তিনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান, মহিলাদের নিরাপত্তা, কৃষকের সমস্যার সমাধান এবং চরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কাজ করছেন।
“মানুষকে ভালো রাখতে চাই, মানুষের জীবনকে সহজ করতে চাই—এই লক্ষ্য নিয়েই ভবিষ্যৎ পথচলা।”—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ