আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে ৯ শতাধিক রোভার স্কাউটস সদস্যের মিলনমেলা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম জেলা রোভার মুট শুরু শনিবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৯তম চট্টগ্রাম জেলা রোভার মুট। আগামী ২০-২৪ ডিসেম্বর রোভার মুটে চট্টগ্রাম ও আশপাশের জেলার ৯ শতাধিক রোভার স্কাউটস সদস্য, শতাধিক কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকসহ প্রায় সহস্রাধিক মানুষের মিলনমেলা বসবে। এবার মুটের থিম নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘দক্ষতার দীক্ষা নিয়ে, রোভার চলে নির্ভয়ে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কলেজের রেড বিল্ডিংয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মুট চিফ প্রফেসর মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন, ওমর ফারুক, নইম উদ্দিন হাসান, সাংবাদিক আরিচ আহমদ শাহ, মোরশেদ তালুকদার প্রমুখ।

প্রফেসর মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী জানান, রোভার মুট মূলত রোভার স্কাউটদের মিলন মেলা। এ মিলন মেলায় কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাদ্রাসার রোভার স্কাউটস ও গার্ল-ইন রোভার সদস্যরা একে অপরের সাথে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সৌহার্দ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করবে। রোভার স্কাউটরা প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, আত্মনির্ভরতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার শিক্ষা গ্রহণ করবে। এটি তারুণ্যের শক্তি, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধের এক বিশাল মিলনমেলা।

তিনি বলেন, স্কাউটিংয়ের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিশু, কিশোর ও যুবাদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক, বুদ্ধিভিত্তিক এবং সামাজিক গুণাবলি উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ, দেশ তথা বিশ্বের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। স্কাউট কার্যক্রমের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো হাতে কলমে শেখা। ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে তারা জীবন-দক্ষতা-ভিত্তিক কার্যক্রম আনন্দ চিত্তে শেখার সুযোগ পায়। শিশু, কিশোর ও যুব বয়সী ছেলে মেয়েদের বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে স্কাউটিং বিশ্বব্যাপি সর্বজন স্বীকৃত একটি শিক্ষামূলক আন্দোলন।

আজকের তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তি নির্ভর জীবনে অভ্যন্ত কিন্তু বাস্তব জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজন মানসিক দৃঢ়তা, সহনশীলতা ও মানবিক সংযোগ, যা কেবল ভার্চুয়াল জগত দিয়ে অর্জন সম্ভব নয়। রোভার মুটে অবস্থানকালে তরুণ-তরুণীরা বিরূপ পরিবেশ ও সীমিত সম্পদের মধ্যেও টিকে থাকার কৌশল আয়ত্ত করে, দলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করবে এবং ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে ওঠে বৃহত্তর কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা অর্জন করে বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, রোভার মুটে সকল কার্যক্রম সাব-ক্যাম্প ভিত্তিক অনুষ্ঠিত হবে। চারটি সাব-ক্যাম্পে নিম্নোক্ত ১৫ টি টার্গেটের মাধ্যমে মুট প্রোগ্রামকে সাজানো হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – সানরাইজ স্ট্রাইডসক্যাম্প, ক্রাফট অ্যান্ড কেয়ার, ইয়ুথ ভয়েস, এ্যাক্সপ্লোরার্স ট্রেইল, ফান ফেস্ট, সার্ভাইভার স্কিল সামিট, ক্যারিয়ার কম্পাস, ডিজাস্টার অ্যান্ড রেসকিউ, স্পিরিচুয়াল নাইট, ফ্লেমস অফ ফেস্টিভিটি, নবান্ন উৎসব, তথ্য চিত্রে গণঅভ্যুত্থান, ইনোভেটর্স অ্যারিনা, স্ট্রং স্টেপস ও হিউম্যানিটি মার্চ। থাকবে কাওয়ালি, পুঁথিপাঠ, কবিগান ও গণ-জাগরণী সন্ধ্যা, উডব্যাজ রি-ইউনিয়ন ও লিডার্স নাইট, টপ অ্যাচিভার্স (পিআরএস, পিএস, শাপলা কাব), সিনিয়র রোভার মেট, প্রাক্তন রোভার রি-ইউনিয়ন ও ভলান্টিয়ার্স নাইট।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ