আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

তারেক রহমানই হবেন জনগণের কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ার স্থপতি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

১৬নং চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপির মতবিনিময় সভায় আবু সুফিয়ান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, পতিত আওয়ামী লীগ যারা বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে করতে চেয়েছিল তারা আজ গুপ্তহত্যায় মেতে উঠেছে। নির্বাচনকে ভন্ডুল করতে তারা আবারোও পুরোনো কায়দায় দেশে ভীতিকর ও নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। দেশকে অস্থিতিশীল করে তারা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।

তারা চায়না গণতন্ত্র ফিরে আসুক। জনগণ তার অধিকার ফিরে পাক। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। তাই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সবাইকে এক কাতারে আসতে হবে। দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যেতে হবে। গণতন্ত্রের পথে যারাই বাধা হয়ে আসবে তাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বুলেটের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দিতে হবে।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর কাপাসগোলা এলাকায় ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী ২৫শে ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করবেন। গোটা জাতি তার অপেক্ষায় রয়েছে। দেশের এই চরম ক্রান্তিলগ্নে তিনি দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছেন। তারেক রহমান সুযোগ্য নেতৃত্বে গণতন্ত্রের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। জনগণের প্রত্যাশা, তাঁর সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে অতী দ্রুত সেরে উঠবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনগণ যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে, তারেক রহমানই হবেন সে সাম্য, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্থপতি।

চকবাজার থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মঞ্জুর আলম এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. মহসিন, সালাউদ্দিন কায়সার লাভু, রমজু মিয়া, খালেদ সাইফুল্লাহ। এম এ হালিম বাবলুর পরিচালনায় বক্তব্য দেন শফিকুল আলম, মো. বকতেয়ার, জাহেদুল আলম জাকু, এম এ হামিদ, আবু আহমেদ, এস এম আবু ছালেহ, নকীব উদ্দিন ভূইয়া, জহিরুল আলম, হাজী মহিউদ্দিন, লুৎফর নেছা, নাজমা বেগম, আলী হায়দার বাবু, নুরুল আলম শিপু, ওসমান গনি লিটন, জসিম উদ্দিন, মো. আনাস, আলাউদ্দিন আলো, রাহাতউল্লাহ রবিন, এমরান হোসেন লিটন, বাপ্পী দে, আমির খসরু রাজু, আলমগীর, ওসমান, ইব্রাহিম প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বিএনপি’র মহাসমাবেশ রোববার, আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে।


মহাসমাবেশকে ঘিরে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম সাজ সাজ রব শুরু হয়েছে। কাজীর দেউড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো নেতাকর্মীদের ব্যানারে ছেয়ে গেছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা।

এ বিষয়ে নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নজর রাখছে। আমাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন। চেয়ারম্যান সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) টিম এসেছে। উনারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলছেন। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নগরী। এই মহাসমাবেশকে ঘিরে শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও জনদুর্ভোগ এড়ানোর বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন লজিস্টিক সাপোর্ট যেমন বালু না ওড়ার জন্য মাঠে পানি দেওয়া, ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার ইত্যাদি দিয়ে থাকে। অন্য বিষয়গুলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে করবে। মেয়র বলেন, এটা বৃহত্তর চট্টগ্রামের সমাবেশ। আমাদের ১৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী সমর্থকদের নিয়ে মহাসমাবেশে আসবেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে, উনার প্ল্যান সম্পর্কে জানতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষও সমাবেশে অংশ নেবেন।মহাসমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মেয়র।

জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।
এদিকে নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য জনসমাগমটি কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং দেশের সর্বসাধারণের অংশগ্রহণে একটি ব্যতিক্রমধর্মী সমাবেশ হবে।তিনি বলেন, অতীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন পল্টন মাঠে কিংবা চট্টগ্রামে সমাবেশে অংশ নিয়েছেন, তখন সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। এলাকার অফিসগুলো বন্ধ রেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত হয়েছেন, শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছে। রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন বহু মানুষও শুধু এক নজর দেশনেত্রীকে দেখার জন্য সভায় এসেছিলেন। একই ধরনের উৎসাহ ও উদ্দীপনা এখন চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দেশে আসার পর বিভিন্ন কর্মসূচিতে যে জনসমাগম দেখা গেছে, সেটির ধারাবাহিকতা চট্টগ্রামেও দেখা যাবে। এটি শুধু রাজনৈতিক সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তবে কতটা বিশাল জনসমাগম হবে, তা আগাম বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পাবনার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রারম্ভের মধ্যে পাবনার পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে এমপি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

পাবনা জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা ৭০,পাবনা-৩, ৭১,পাবনা-৪ ও ৭২,পাবনা-৫ আসনের মোট ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বরাদ্দ প্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন হাসান জাফির তুহিন- বিএনপি (ধানের শীষ), কে.এম. আনোয়ারুল ইসলাম- বিএনপি বিদ্রোহী (ঘোড়া), মুহাম্মদ আছগার আলী- জামায়াতে ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), আশা পারভেজ- গণফোরাম (উদীয়মান সুর্য্য), আব্দুল খালেক- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা), মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপি (একতারা) ও মীর মোহাম্মদ নাদিম হোসেন ডাবলু- জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল)।

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন হাবিবুর রহমান হাবিব- বিএনপি (ধানের শীষ), আবু তালেব মন্ডল- জামায়াত ইসলামী (দাঁড়িপাল্লা), জাকারিয়া পিন্টু- বিএনপি বিদ্রোহী (মোটর সাইকেল), কমরেড সোহাগ হোসেন- সিপিবি (কাস্তে), সাইফুল আজাদ মল্লিক- জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল), মাওলানা আনোয়ার হোসেন শাহ- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) ও শাহনাজ হক- নাগরিক ঐক্য (কেটলি)।

পাবনা-৫ (সদর) আসনে বরাদ্দ প্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস- বিএনপি (ধানের শীষ), অধ্যাপক ইকবাল হুসাইন- জামায়াতে ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), আব্দুল মজিদ মোল্লা- এবি পার্টি (ঈগল) এবং মুফতি নাজমুল হুসাইন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা)। প্রতীক বরাদ্দের পর ধানের শীষ প্রার্থী এডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তা জনগণের ভোটের উৎসব হিসেবে গণ্য হয়। এবার জনগণ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে এবং নির্বাচন হবে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের মঞ্চ।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ৬৮,পাবনা-১ ও ৬৯,পাবনা-২ আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করেছে। ওই দুই আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৯ জানুয়ারি, আপিল ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি, এবং আপিল নিষ্পত্তি ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ হয়েছে ২৬ জানুয়ারি এবং ২৭ জানুয়ারি বাকি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণা।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ