তারেক রহমানই হবেন জনগণের কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ার স্থপতি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

১৬নং চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপির মতবিনিময় সভায় আবু সুফিয়ান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, পতিত আওয়ামী লীগ যারা বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে করতে চেয়েছিল তারা আজ গুপ্তহত্যায় মেতে উঠেছে। নির্বাচনকে ভন্ডুল করতে তারা আবারোও পুরোনো কায়দায় দেশে ভীতিকর ও নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। দেশকে অস্থিতিশীল করে তারা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।

তারা চায়না গণতন্ত্র ফিরে আসুক। জনগণ তার অধিকার ফিরে পাক। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। তাই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সবাইকে এক কাতারে আসতে হবে। দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যেতে হবে। গণতন্ত্রের পথে যারাই বাধা হয়ে আসবে তাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বুলেটের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দিতে হবে।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর কাপাসগোলা এলাকায় ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী ২৫শে ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করবেন। গোটা জাতি তার অপেক্ষায় রয়েছে। দেশের এই চরম ক্রান্তিলগ্নে তিনি দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছেন। তারেক রহমান সুযোগ্য নেতৃত্বে গণতন্ত্রের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। জনগণের প্রত্যাশা, তাঁর সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে অতী দ্রুত সেরে উঠবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনগণ যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে, তারেক রহমানই হবেন সে সাম্য, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্থপতি।

চকবাজার থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মঞ্জুর আলম এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. মহসিন, সালাউদ্দিন কায়সার লাভু, রমজু মিয়া, খালেদ সাইফুল্লাহ। এম এ হালিম বাবলুর পরিচালনায় বক্তব্য দেন শফিকুল আলম, মো. বকতেয়ার, জাহেদুল আলম জাকু, এম এ হামিদ, আবু আহমেদ, এস এম আবু ছালেহ, নকীব উদ্দিন ভূইয়া, জহিরুল আলম, হাজী মহিউদ্দিন, লুৎফর নেছা, নাজমা বেগম, আলী হায়দার বাবু, নুরুল আলম শিপু, ওসমান গনি লিটন, জসিম উদ্দিন, মো. আনাস, আলাউদ্দিন আলো, রাহাতউল্লাহ রবিন, এমরান হোসেন লিটন, বাপ্পী দে, আমির খসরু রাজু, আলমগীর, ওসমান, ইব্রাহিম প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ