আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

এক বছরে বিএসসি’র আয় ৭৯৮.২৮ কোটি টাকা, ব্যয় হয় ৪১৬.২৭ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ৪৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা চট্টগ্রামের বোট ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার উক্ত বার্ষিক সাধারণ সভায় নৌপরিবহন সভাপতি ছিলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও বিএসসি পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড.নূরুন্নাহার চৌধুরীসহ বিএসসি পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এবং শেয়ারহোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন।

৪৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় বিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক সম্মানিত শেয়ারহোল্ডার ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের সামগ্রিক কর্মকান্ডের একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদন অনুসারে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বিএসসি’র পরিচালনা আয় ছিল ৫৯০.৯৮ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে আয় হয়েছে প্রায় ২০৭.৩০ কোটি টাকা। সর্বমোট আয় হয়েছে প্রায় ৭৯৮.২৮ কোটি টাকা।

অন্যদিকে পরিচালনা ব্যয় ছিল ২৮৯.৯২ কোটি টাকা এবং প্রশাসনিক ও আর্থিক খাতে ব্যয় ছিল ১২৬.৪৫ কোটি অর্থাৎ সর্বমোট ব্যয় হয় ৪১৬.২৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কর সমন্বয়ের পর সংস্থার নীট মুনাফা হয়েছে ৩০৬.৫৬ কোটি টাকা। যা বিগত ৫৪ বছরে সর্বোচ্চ। এরপর তিনি গত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের সাথে তুলনা করেন এবং বলেন গত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে বিএসসি’র মোট আয় হয়েছিল ৫৯৬.১৮ কোটি টাকা ও মোট ব্যয় হয়েছিল ৩১১.৫৯ কোটি টাকা এবং কর সমন্বয়ের পর নীট মুনাফা হয়েছিল ২৪৯.৬৯ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থ বছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বিএসসির নীট আয় বেড়েছে প্রায় ৫৬.৮৭ কোটি টাকা।
বিএসসি পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারগণকে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের নীট লাভ হতে ২৫% (পঁচিশ) হারে নগদ লভ্যাংশ (ক্যাশ ডিভিডেন্ট) প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে মর্মে অবহিত করেন।

প্রতিবেদনে, বিএসসি নিজস্ব অর্থায়নে জাহাজ ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বিধায় ২০২৪- ২৫ অর্থ বছরে গত বছরের সমপরিমান লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে। বিএসসির লাভের ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে আরো বেশি লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী বিএসসির মোট সম্পদের পরিমাণ ৩,৫৮২.৯২ কোটি টাকা এবং মোট বহি: দেনার পরিমাণ ১,৯৮৩.৭৭ কোটি টাকা।

এছাড়া বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের শোর এষ্টাব্লিশমেন্টে (অফিসে) অনুমোদিত জনবল ১৫২১ জন (কর্মকর্তা ২১৭ জন ও কর্মচারী ১৩০৪ জন)। ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে কর্পোরেশনের শোর এষ্টাব্লিশমেন্টে (অফিসে) কর্মরত কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল ৬৮ জন এবং কর্মচারীর সংখ্যা ১৫৭ জন অর্থাৎ সর্বমোট ২২৫ জন। এছাড়া এফ্লোট এষ্টাব্লিশমেন্টে (জাহাজে) কর্মরত অফিসারের সংখ্যা ছিল ৭৩ জন ও নাবিক ৭৪ জন অর্থাৎ সর্বমোট ১৪৭ জন।

উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সুযোগ্য দিক নির্দেশনা ও সরকারের সক্রিয় সহযোগিতায় সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বিএসসি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা, এসডিজি এবং ব্লু-ইকোনমির ধারণা বাস্তবায়নসহ বিএসসিকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদে বিএসসি’র বহরে বাণিজ্যিক জাহাজ সংযোজন ও আনুষঙ্গিক বিভিন্ন প্রকল্প/কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে।

উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চীন সরকারের ঋণ সহায়তায় গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৬(ছয়)টি নতুন জাহাজ (প্রতিটি প্রায় ৩৯,০০০ ডিডব্লিউটি সম্পন্ন ৩টি নতুন প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার ও ৩টি নতুন বাল্ক ক্যারিয়ার) ক্রয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে যার মধ্যে বর্তমানে ০৫টি জাহাজ বিএসসির বহরে আছে। উক্ত জাহাজসমূহ বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিকভাবে নিয়োজিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কর্তৃক প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ‘০২(দুই)টি প্রতিটি ৫৫,০০০-৬৬,০০০ ডিডব্লিউটি সম্পন্ন বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ অর্জন’ শীর্ষক প্রকল্পটি গত ০৩ জুন ২০২৫ তারিখে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হয়। উক্ত প্রকল্পের আওতায় জাহাজ অর্জন/ক্রয়ের প্রস্তাব সম্পর্কিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সুপারিশ গত ১৭ আগষ্ট প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক সদয় অনুমোদিত হয়। উক্ত অনুমোদনের আলোকে গত ২১ সেপ্টেম্বর বিএসসি ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে জাহাজ সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। চুক্তি মোতাবেক ১ম জাহাজটি (এম.ভি. বাংলার প্রগতি) ইতোমধ্যে বিএসসি বরাবর সরবরাহ করা হয়েছে এবং বাণিজ্যে নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া, ২য় জাহাজ এম.ভি. বাংলার নবযাত্রা জানুয়ারি ২০২৬-এ বিএসসি বরাবর সরবরাহ করার সময়সূচী নির্ধারিত রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা সদয় নির্দেশনা মোতাবেক বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সরকারি অর্থায়নে (ঋণ গ্রহণ) বিদ্যমান বিধি-বিধান অনুসরণ করে ২ (দুই) টি তৈরি ট্যাংকার জাহাজ এবং নিজস্ব অর্থায়নে ১টি তৈরি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ ক্রয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে, বিএসসি পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের আওতাধীন সম্ভাব্যতা সমীক্ষা যাচাই সম্পন্ন করা হয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) নৌপরিবহন
মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।

দেশে আমদানিতব্য ক্রুড অয়েল বিএসসির নিজস্ব জাহাজের মাধ্যমে পরিবহনের জন্য ও দেশের জ্বালানী নিরাপত্তার স্বার্থে কয়লাসহ বিভিন্ন পণ্য যেমন: খাদ্যশস্য, সিমেন্ট ক্লিংকার, ক্লে এবং বাল্ক কার্গো ইত্যাদি পরিবহনের টহরহঃবৎৎঁঢ়ঃবফ ংঁঢ়ঢ়ষু পযধরহ গড়ে তোলার জন্য নতুন প্রতিটি ১,১৪,০০০ মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন ২ (দুই) টি নতুন ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাংকার ও নতুন প্রতিটি ৮১,৫০০ মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন ২টি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার অর্জনের জন্য গৃহীত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ “জি টু জি ভিত্তিতে ০২টি ক্রুড ওয়েল মাদার ট্যাংকার এবং ০২টি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ নির্মাণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঈযরহধ ঘধঃরড়হধষ গধপযরহবৎু ওগচ ্ ঊঢচ. ঈড়ৎঢ়ড়ৎধঃরড়হ এর সাথে কমার্শিয়াল/জাহাজ নির্মাণ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। ইতোমধ্যে, প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য চীন সরকারের সম্মতি পত্র পাওয়া গেছে। সে মোতাবেক হালনাগাদ ডকুমেন্টসহ ঋণ আবেদন ( খড়ধহ অঢ়ঢ়ষরপধঃরড়হ)

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চীনা পক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। সর্বোপরি, ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাহাজ নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। কন্টেইনার পরিবহন বাণিজ্যে বৈশ্বিক ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় বিএসসির লাভজনক ও সফল অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণে নতুন ১২(বার)টি সেলুলার কন্টেইনার জাহাজ (প্রতিটি ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ ঞঊটঝ) অর্জনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তারমধ্যে অংরধহ ওহভৎধংঃৎঁপঃঁৎব ওহাবংঃসবহঃ ইধহশ (অওওই) এর সহযোগিতায় ০৬টি কন্টেইনার জাহাজ নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বিএনপি’র মহাসমাবেশ রোববার, আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে।


মহাসমাবেশকে ঘিরে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম সাজ সাজ রব শুরু হয়েছে। কাজীর দেউড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো নেতাকর্মীদের ব্যানারে ছেয়ে গেছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা।

এ বিষয়ে নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নজর রাখছে। আমাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন। চেয়ারম্যান সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) টিম এসেছে। উনারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলছেন। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নগরী। এই মহাসমাবেশকে ঘিরে শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও জনদুর্ভোগ এড়ানোর বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন লজিস্টিক সাপোর্ট যেমন বালু না ওড়ার জন্য মাঠে পানি দেওয়া, ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার ইত্যাদি দিয়ে থাকে। অন্য বিষয়গুলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে করবে। মেয়র বলেন, এটা বৃহত্তর চট্টগ্রামের সমাবেশ। আমাদের ১৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী সমর্থকদের নিয়ে মহাসমাবেশে আসবেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে, উনার প্ল্যান সম্পর্কে জানতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষও সমাবেশে অংশ নেবেন।মহাসমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মেয়র।

জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।
এদিকে নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য জনসমাগমটি কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং দেশের সর্বসাধারণের অংশগ্রহণে একটি ব্যতিক্রমধর্মী সমাবেশ হবে।তিনি বলেন, অতীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন পল্টন মাঠে কিংবা চট্টগ্রামে সমাবেশে অংশ নিয়েছেন, তখন সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। এলাকার অফিসগুলো বন্ধ রেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত হয়েছেন, শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছে। রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন বহু মানুষও শুধু এক নজর দেশনেত্রীকে দেখার জন্য সভায় এসেছিলেন। একই ধরনের উৎসাহ ও উদ্দীপনা এখন চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দেশে আসার পর বিভিন্ন কর্মসূচিতে যে জনসমাগম দেখা গেছে, সেটির ধারাবাহিকতা চট্টগ্রামেও দেখা যাবে। এটি শুধু রাজনৈতিক সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তবে কতটা বিশাল জনসমাগম হবে, তা আগাম বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ