আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

তাসনিম জারা ১৪ ঘণ্টায় জনগণের দেয়া নির্বাচনী ব্যয় পেলেন প্রায় ২৪ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তাসনিম জারা ১৪ ঘণ্টায় জনগণের দেয়া নির্বাচনী ব্যয় পেলেন প্রায় ২৪ লাখ টাকা।আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। নির্বাচনী খরচের জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়ে ভিডিওবার্তা দিয়েছিলেন তিনি। এই বার্তা দেয়ার পর মিলেছে অভূতপূর্ব সাড়া। ১৪ ঘণ্টায় ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সহযোগিতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে জারা বলেন, ১৪ ঘণ্টায় আপনারা ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ডোনেট করেছেন। এটা আমাদের ফান্ডরেইজিং লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের ও বেশি। আপনাদের অকল্পনীয় সাড়া ও ভালোবাসায় আমরা অভিভূত। আমাদের টার্গেট ৪৬,৯৩,৫৮০ টাকা। এটা পূর্ণ হলেই আমরা ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে দেবো। তিনি আরো বলেন- আমাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টের লিমিট) শেষ হয়ে গেছে। যারা এখনো অনুদান পাঠাতে চাচ্ছেন কিন্তু বিকাশ সমস্যার কারণে পারছেন না, তারা দয়া করে আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডোনেট করবেন।

আমি শুরু থেকেই একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে এই ফান্ডরেইজিং হবে পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে । কোন মাধ্যমে কত টাকা এসেছে। এই সকল ডকুমেন্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা জমা দিবো। নির্বাচন কমিশন এটা যাচাই করতে পারবেন। কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করা হবে, তা আপনাদেরকে স্পষ্ট করে জানানো হবে।স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পরামর্শ কামনা করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা-০৩ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘন, তুহিন কে শোকজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-০৩ আসনে বিএনপির এমপি পদপ্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন কে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালত কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) জারি করেছে ।

এ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের (ঈশ্বরদী,পাবনা) বিচারক সঞ্চিতা ইসলাম শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে এই নোটিশ দেন।

নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে হাজির হয়ে তাকে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. হাসান জাফির তুহিন পাবনা-০৩ আসনে বিএনপির এমপি পদপ্রার্থী। তার পক্ষে মো. লিখন সরকার নামের ফেসবুক আইডি থেকে কিছু স্থিরচিত্র এবং ভিডিও প্রচার করছেন। গত ১৬ জানুয়ারি বিষয়টি নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ধানের শীষের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়া সহ স্লোগান দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তার এসব কার্যকলাপ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৩ ও বিধি ১৮ এর লঙ্ঘন বলে প্রতীয়মান হয়।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে মো. হাসান জাফির তুহিনের কাছ থেকে লিখিত জবাব চেয়ে নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে নির্বাচনি প্রচার শুরু করার কোনো সুযোগ নেই। সেই হিসেবে এ ধরনের কার্যক্রম সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে কেন আপনার (মো. হাসান জাফির তুহিন) বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঈশ্বরদী পাবনার সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক সঞ্চিতা ইসলাম এর কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত বক্তব্য/ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।

এ বিষয়ে পাবনা-০৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন,
নির্বাচনী আচরণ বিধির প্রতি সম্মান জানিয়ে ইতোপূর্বেই আমার ভেরিফাইড ফেসবুকে আগামী ২২ জানুয়ারির পূর্বে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী, হিতাকাঙ্খীসহ সবাইকে সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি নিজে নির্বাচনি কোন প্রচার-প্রচারণা করছি না। আদালতের প্রতি আমি সকল সময় শ্রদ্ধাশীল। শোকজের জবাব আদালতে হাজির হয়ে দিবো।

চট্টগ্রাম বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হলেও অসংখ্য নাগরিক সমস্যা বিদ্যমান : আবু সুফিয়ান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হলেও এখানে আবাসন সংকট, জলাবদ্ধতা, যানজট, মশা, কিশোর গ্যাং সহ অসংখ্য নাগরিক সমস্যা বিদ্যমান। এইসব সমস্যা নিরসনে রাষ্ট্রীয় সেবা সংস্থাগুলোর পাশাপাশি রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনসহ সকল নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম হয়ে উঠতে পারে বিশ্বের আধুনিক শহরের মধ্যে একটি। শনিবার দুপুরে ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে কল্পলোক আবাসিক সমাজ কল্যাণ সমিতির (১ম পর্যায়) উদ্যোগে কল্পলোকবাসীর সাথে আয়োজিত “মতবিনিময় সভায়” প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে বিএনপি পরিবেশবান্ধব সরকার গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামীর বাংলাদেশকে একটি টেকসই বাংলাদেশে রুপান্তর করতে তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১দফায়- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা, নদী ও জলাশয় পুনরুদ্ধার, বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ব্লু ইকোনমিতে বিনিয়োগ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন সহ অসংখ্য পরিকল্পনা রয়েছে। এই সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা সত্যিকারের একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।

কল্পলোক আবাসিক সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি এম. এ শুক্কুর এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাবেক য্গ্মু সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, সমিতির উপদেষ্টা নুরুল আজিম হিরু, ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক হাজী মহিউদ্দিন। সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সমিতির উপদেষ্টা মো. হারুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন, মহানগর বিএনপি নেতা নকিব উদ্দিন ভূইয়া প্রমুখ।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ