আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে প্রায় ৬২ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত ডার্মাটাইটিস ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রায় ৬২ শতাংশ প্রবীণ জনগোষ্ঠী ডার্মাটাইটিস ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত। প্রায় ৫ হাজার রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় প্রবীণদের চর্মরোগ বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, দীর্ঘমেয়াদি রোগের উপস্থিতি, পরিবেশগত প্রভাব এবং সচেতনতার ঘাটতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আক্রান্তের কারণে দৈনন্দিন জীবন ও স্বাচ্ছন্দ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন গবেষণায় ওঠে এসেছে, বয়স ৬০ বা তার বেশি বয়সী রোগীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ডার্মাটাইটিস (ত্বকের শুষ্কতা ও প্রদাহজনিত রোগ) ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রবীণদের প্রায় ৬২ শতাংশ আক্রান্ত এ দুই চর্মরোগে।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ডায়াবেটিসের সঙ্গে সংক্রামক চর্মরোগের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ও কম শিক্ষিত রোগীদের মধ্যে ছত্রাক সংক্রমণ বেশি, যা স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতার অভাবের সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (সিআইএমসিএইচ) ডার্মাটোলজি বহির্বিভাগ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই তিন বছরে আসা ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী ৪ হাজার ৭৭০ জন রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে। তাদের এই পর্যবেক্ষণে প্রবীণদের মধ্যে ডার্মাটাইটিস ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ প্রধান চর্মরোগের আধিক্য পরিলক্ষিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সজনিত ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, দীর্ঘমেয়াদি রোগের উপস্থিতি এবং পরিবেশগত প্রভাব মিলেই প্রবীণদের চর্মরোগ বাড়াচ্ছে। ত্বকের সাধারণ শুষ্কতাকে অবহেলা করার ফলেই অনেক ক্ষেত্রে জটিল ডার্মাটাইটিস বা সংক্রমণে রূপ নিচ্ছে। তাই রোগের প্রকৃতি ও ঝুঁকির কারণগুলো জানা থাকলে উন্নত চিকিৎসা পরিকল্পনা, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং রোগীর ব্যবস্থাপনা সহজতর হবে।

ডার্মাটোলজি ও ভেনেরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আরা বলেন, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ত্বকসহ শরীরের সব অঙ্গ পরিবর্তিত হয়। ত্বক পাতলা হয়ে যায়, আর্দ্রতা কমে, পুনর্গঠন ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে প্রবীণদের মধ্যে চর্মরোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। আমাদের গবেষণা দেখাচ্ছে, এই বয়সে চর্মরোগের প্রকৃতি ও বিস্তার জানা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, ডার্মাটাইটিস, বিশেষ করে ইরিটেন্ট বা এলার্জিক কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস, বয়সজনিত ত্বকের শুষ্কতার কারণে বেড়ে গেছে। ছত্রাকজনিত সংক্রমণ বেশি দেখা গেছে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ও কম শিক্ষিত রোগীদের মধ্যে, যা স্বাস্থ্যবিধি অজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিম উদ্দিন সবুজ বলেন, উন্নত চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি হলো গবেষণা। রোগ ও রোগী নিয়ে নিয়মিত গবেষণা ছাড়া নতুন চিকিৎসা ও সেবার দ্বার উন্মোচন সম্ভব নয়। গত এক দশক ধরে আমরা চিকিৎসা খাতের বিভিন্ন রোগ ও রোগী নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করছি।
সিআইএমসির ডার্মাটোলজি ও ভেনেরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আরার পরিচালিত গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, ডার্মাটাইটিসে আক্রান্তের হার ৩৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। আর ছত্রাকজনিত সংক্রমণ ২২ দশমিক ০৫ শতাংশ। এছাড়া অন্যান্য চর্মরোগের মধ্যে গবেষণায় স্ক্যাবিস, সোরিয়াসিস, বুলাস ডিজিজ, ঔষধজনিত ত্বক প্রতিক্রিয়া এমনকি কিছু স্কিন ক্যানসারের রোগীও শনাক্ত হয়েছে। যা প্রবীণ বয়সে চর্মরোগের বহুমাত্রিক ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, সামগ্রিকভাবে প্রবীণদের মধ্যে অ-সংক্রামক চর্মরোগের হার ছিল ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশ। আর সংক্রামক রোগের হার ছিল ৪০ দশমিক ২ শতাংশ। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল ৬৫ দশমিক ৬ বছর। এর মধ্যে ছিল ২৮৬২ জন নারী (৬০%) এবং ১৯০৮ জন পুরুষ (৪০%)। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের মধ্যে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ বেশি, আর নারীদের মধ্যে কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ