চট্টগ্রামে প্রায় ৬২ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত ডার্মাটাইটিস ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রায় ৬২ শতাংশ প্রবীণ জনগোষ্ঠী ডার্মাটাইটিস ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত। প্রায় ৫ হাজার রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় প্রবীণদের চর্মরোগ বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, দীর্ঘমেয়াদি রোগের উপস্থিতি, পরিবেশগত প্রভাব এবং সচেতনতার ঘাটতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আক্রান্তের কারণে দৈনন্দিন জীবন ও স্বাচ্ছন্দ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন গবেষণায় ওঠে এসেছে, বয়স ৬০ বা তার বেশি বয়সী রোগীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ডার্মাটাইটিস (ত্বকের শুষ্কতা ও প্রদাহজনিত রোগ) ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রবীণদের প্রায় ৬২ শতাংশ আক্রান্ত এ দুই চর্মরোগে।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ডায়াবেটিসের সঙ্গে সংক্রামক চর্মরোগের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ও কম শিক্ষিত রোগীদের মধ্যে ছত্রাক সংক্রমণ বেশি, যা স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতার অভাবের সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (সিআইএমসিএইচ) ডার্মাটোলজি বহির্বিভাগ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই তিন বছরে আসা ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী ৪ হাজার ৭৭০ জন রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে। তাদের এই পর্যবেক্ষণে প্রবীণদের মধ্যে ডার্মাটাইটিস ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ প্রধান চর্মরোগের আধিক্য পরিলক্ষিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সজনিত ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, দীর্ঘমেয়াদি রোগের উপস্থিতি এবং পরিবেশগত প্রভাব মিলেই প্রবীণদের চর্মরোগ বাড়াচ্ছে। ত্বকের সাধারণ শুষ্কতাকে অবহেলা করার ফলেই অনেক ক্ষেত্রে জটিল ডার্মাটাইটিস বা সংক্রমণে রূপ নিচ্ছে। তাই রোগের প্রকৃতি ও ঝুঁকির কারণগুলো জানা থাকলে উন্নত চিকিৎসা পরিকল্পনা, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং রোগীর ব্যবস্থাপনা সহজতর হবে।

ডার্মাটোলজি ও ভেনেরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আরা বলেন, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ত্বকসহ শরীরের সব অঙ্গ পরিবর্তিত হয়। ত্বক পাতলা হয়ে যায়, আর্দ্রতা কমে, পুনর্গঠন ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে প্রবীণদের মধ্যে চর্মরোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। আমাদের গবেষণা দেখাচ্ছে, এই বয়সে চর্মরোগের প্রকৃতি ও বিস্তার জানা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, ডার্মাটাইটিস, বিশেষ করে ইরিটেন্ট বা এলার্জিক কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস, বয়সজনিত ত্বকের শুষ্কতার কারণে বেড়ে গেছে। ছত্রাকজনিত সংক্রমণ বেশি দেখা গেছে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ও কম শিক্ষিত রোগীদের মধ্যে, যা স্বাস্থ্যবিধি অজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিম উদ্দিন সবুজ বলেন, উন্নত চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি হলো গবেষণা। রোগ ও রোগী নিয়ে নিয়মিত গবেষণা ছাড়া নতুন চিকিৎসা ও সেবার দ্বার উন্মোচন সম্ভব নয়। গত এক দশক ধরে আমরা চিকিৎসা খাতের বিভিন্ন রোগ ও রোগী নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করছি।
সিআইএমসির ডার্মাটোলজি ও ভেনেরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আরার পরিচালিত গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, ডার্মাটাইটিসে আক্রান্তের হার ৩৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। আর ছত্রাকজনিত সংক্রমণ ২২ দশমিক ০৫ শতাংশ। এছাড়া অন্যান্য চর্মরোগের মধ্যে গবেষণায় স্ক্যাবিস, সোরিয়াসিস, বুলাস ডিজিজ, ঔষধজনিত ত্বক প্রতিক্রিয়া এমনকি কিছু স্কিন ক্যানসারের রোগীও শনাক্ত হয়েছে। যা প্রবীণ বয়সে চর্মরোগের বহুমাত্রিক ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, সামগ্রিকভাবে প্রবীণদের মধ্যে অ-সংক্রামক চর্মরোগের হার ছিল ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশ। আর সংক্রামক রোগের হার ছিল ৪০ দশমিক ২ শতাংশ। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল ৬৫ দশমিক ৬ বছর। এর মধ্যে ছিল ২৮৬২ জন নারী (৬০%) এবং ১৯০৮ জন পুরুষ (৪০%)। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের মধ্যে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ বেশি, আর নারীদের মধ্যে কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, শানাক্ত ৭৩ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে ৬৩ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ১০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ২৭ জন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে ৯ জন, ২৫০ শয্যার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ১০ জন, চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৭ জন এবং বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন ভর্তি হয়েছেন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চমেক হাসপাতালে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬২১ জনে। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে দুই হাজার ২৩০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৩৯১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এ সময়ে ডেঙ্গুতে মোট সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন দুই হাজার ৪৩২ জন। বর্তমানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৮৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরেকটি অত্যাধুনিক বাস টার্মিনাল ১৬০টি বাস-ট্রাকের পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আরেকটি অত্যাধুনিক বাস টার্মিনাল চালু হতে যাচ্ছে। প্রায় ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে জালালাবাদ ওয়ার্ডের কুলগাঁও বালুচরা এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ৮ দশমিক ১০ একর জায়গার উপর টার্মিনালটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কদমতলী ও বহদ্দারহাটে দুটি বাস টার্মিনালের পর নগরীর এটি হবে তৃতীয় বাস টার্মিনাল।

জানা গেছে, ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম নগরীর প্রথম বাস টার্মিনাল নির্মিত হয় কদমতলীতে। দ্বিতীয় টার্মিনাল নির্মিত হয় বহদ্দারহাটে ১৯৯৩ সালে। এরপর দীর্ঘ ৩৩ বছরেও নির্মাণ হয়নি কোনো বাস টার্মিনাল। সিটি বাস টার্মিনাল প্রকল্পটি ২০১৮ সালের অক্টোবরে অনুমোদন হয়। নানা জটিলতায় প্রায় আট বছরেও প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেনি চসিক। প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের জন্য ব্যয় হয়েছে ১০৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এছাড়া, ভূমি উন্নয়নে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, অবকাঠামো উন্নয়নে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ইয়ার্ড নির্মাণ বাবদ ২৫ কোটি টাকাসহ মোট ৩৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সর্বমোট এই প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণসহ ব্যয় হয়েছে ১৩৯ কোটি টাকা।

এখানে বাসের পাশাপাশি ট্রাকের জন্য আলাদা জায়গা থাকবে। টার্মিনালটি চলতি মাসে উদ্বোধনের পর পুরোদমে চালু হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এই টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার ও আন্তঃনগর উভয় ধরনের বাসই ছাড়বে। টার্মিনালটিতে মোট ১৬০টি বাস-ট্রার্ক পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান সোহেল বলেন, কুলগাঁও বালুচরা বাস টার্মিনালসহ বেশকিছু প্রকল্পের কাজ আমাদের শেষ পর্যায়ে। মেয়র দু’এক দিনের মধ্যেই দেশে ফিরলে এগুলো চালু বা উদ্বোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমরা আশা করছি খুব শীঘ্রই বাস টার্মিনালটি চালু করা হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইতোমধ্যে প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্তমানে টার্মিনালের মূল ভবনের ফিনিশিং ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। যা চলতি মাসের মধ্যেই শেষ করা হবে। টার্মিনালের প্রবেশ পথে একটি তিন তলা ভবন রয়েছে। এছাড়া, একটি সিটি বাস টার্মিনাল, একটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল, ২৫টি যাত্রী বোর্ডিং লেন, ১৪টি অতিরিক্ত ওয়েটিং লেন, একটি বড় খোলা হল রুম এবং তথ্যকেন্দ্র, পুরুষ ও নারীদের জন্য টয়লেট, ২২টি টিকিট কাউন্টার, যাত্রীদের বসার জায়গা, ওয়াইফাই সুবিধা, লাগেজ রুম, ট্যাক্সি বুকিং রুম, ফাস্ট এইড স্টেশন, রেস্তোরাঁ, এসি বাসের যাত্রীদের বসার জায়গা, বাস-ট্রাক মালিকদের জন্য অফিস এবং বাস কর্মচারীদের আবাসন কক্ষ রয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ও চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসীম উদ্দিন বলেন, মূল ভবনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্তমানে ভবনের ফিনিশিংয়ের কাজ, বাগান ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। আমরা আশা করছি চলতি মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। টার্মিনালটির ব্যবহার শুরু হলে সুবিধা পাবে দেশের দুই পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির লাখো বাসিন্দা। এতে চট্টগ্রাম নগরীর প্রবেশমুখ অক্সিজেন এলাকার নিত্যদিনের যানজটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম জেলার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি অভিমুখী বাস-ট্রাকের জন্য কোন টার্মিনাল নেই। টার্মিনাল না থাকায় এসব সড়কের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার উপর যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় কুলগাঁও এলাকায় বাস-ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় চসিক। টার্মিনালটি চালু হলে চট্টগ্রামের উত্তরাঞ্চলের যানজট অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি বাস মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কে অক্সিজেন হয়ে প্রতিদিন রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি বাদেও উত্তর জেলার বিভিন্ন রুটে ৫০০ থেকে ৬০০ বাস চলাচল করে।

চট্টগ্রাম-নাজিরহাট-খাগড়াছড়ি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, রাঙামাটি-খাগড়াছড়িসহ উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন রুটে দৈনিক নিয়মিত পাঁচ শতাধিক বাস চলাচল করে। কিন্তু স্থায়ী টার্মিনাল নেই। তাই মুরাদপুর কিংবা অক্সিজেন এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী নিতে হয় বাসগুলোতে। এতে নগরীর অন্য রুটে চলাচলকারী যানবাহনকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। নতুন টার্মিনাল চালু হলে উত্তরের রুটগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। অক্সিজেনসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি রুটে যানজট কমে আসবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ