আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব কক্সবাজার জেলা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত ।

রিপন শান

সভাপতি খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইন ।।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর কক্সবাজার জেলা কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।গত ২১ ডিসেম্বর (রোববার) রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকায় অবস্থিত সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ অনুমোদন প্রদান করা হয়।

প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি খান সেলিম রহমান,প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীন-এর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সভাপতি খোরশেদ আলম, নুরুল হোসাইন কে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কক্সবাজার জেলা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুব উদ্দিন, সহ-সভাপতি লায়ন ড. এ.জেড.এম. মাইনুল ইসলাম পলাশ, সহ-সভাপতি মো. শফিকুর রহমান মামুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাঈদা সুলতানা, যুগ্ম সম্পাদক মো. মিটু মোল্লা, প্রচার সম্পাদক ওসামা বিন শিহাব এবং সিনিয়র সাংবাদিক সোহাগ টিপু প্রমুখ ।

এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি মো. মোজাম্মেল হক বাবু, সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন রিপন শান , সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদুল মামুন সোহাগ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হায়দার খান নগর। অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে নব-নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

কক্সবাজার জেলা কমিটির পক্ষে প্রধান কার্যালয়ের দাপ্তরিক অনুমোদিত নথি গ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় মহিলা সম্পাদক মানবাধিকারকর্মী সাঈদা সুলতানা ও যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিটু মোল্লা।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিসিপিসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব একটি আদর্শ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাংবাদিকতার নৈতিক মান রক্ষা করে পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে । দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগে সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তারের ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার জেলা কমিটির অনুমোদন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন নগরী ও সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এই জেলার সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ জেলা কমিটির ভূমিকা অপরিসীম । আমরা আশা করি, কক্সবাজার জেলা কমিটি সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংগঠনের আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করবে ।

তিনি সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, নৈতিকতা চর্চা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণে নির্ভীক, স্বাধীন ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার ।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ কক্সবাজার জেলা কমিটির নবনিযুক্ত সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার বাস্তবায়ন এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সফলতায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।

শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সিএমউজের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনস্থ কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিতায় সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা হবে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করে না। অতীতের মতো গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের কোনো মানসিকতা সরকারের নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন একটি বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। চলতি বছরে যারা সুযোগ পাবেন না, তাদের আগামী বছর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

নিজের সাংবাদিকতার পেশার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন,আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে সাংবাদিকতা পেশার নানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি অবগত। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই দায়িত্ব পালন করছি।
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধকের বক্তব্যে বলেন,দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ও সংবাদমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেমন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ সুগম করেন।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক সমাজের উদ্দেশ্যে ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন, তাদের সবাইকে একটি বৃহত্তর সাংবাদিক পরিবারের অংশ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র সংবাদকর্মীদের লেখনীর মাধ্যমেই জনসম্মুখে আসে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনগণের দুর্ভোগের বিষয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন, যা এলাকার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
সাংবাদিকদের আবাসনসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে নিজের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান,চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক এম এ মালেকসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ।

ভাঙ্গুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা এবং পৌর শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা এবং পৌর শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৩ জুন বুধবার সকাল ১১ টার দিকে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভদ্রপাড়া কালি মন্দির প্রাঙ্গনে এ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি, শ্রী বিপ্লব কুমার গুনের সভাপতিত্বে ও শ্রী সুধির চন্দ্র সরকারের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাবনা জেলা কমিটির সভাপতি, রোটারিয়ান শ্রী প্রভাষ চন্দ্র ভদ্র।

উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্যে রাখেন পাবনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শ্রী কোমল চন্দ্র দাস,  সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পাবনা জেলা শাখার সভাপতি, শ্রী চন্দন কুমার চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিনয় জ্যোতি কুন্ড, ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার হিন্দু,বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি, অধ্যাপক শ্রী ভবেশ চন্দ্র দে, ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পরিমল কুমার,

ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সংগীত কুমার পাল, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি, মলয় কুমার দেব, ভাঙ্গুড়া সদর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষে সাংবাদিক বিকাশ কুমার সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ গ্রহণযোগ্য বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সম্মতিতে সংগীত কুমার পাল কে সভাপতি ও সমরজিৎ গুণ কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ কমিটি এবং পরিমল কুমার কে সভাপতি ও প্রলয় কুমার বিশ্বাস কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া পৌর পুজা উদযাপন পরিষদ কমিটি গঠন করে ঘোষনা করা হয়।

অপর দিকে অধ্যাপক ভবেশ চন্দ্র দে কে  সভাপতি ও মলয় কুমার দেব কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার হিন্দু,বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কমিটি এবং নির্মল কুমার রায় কে সভাপতি ও তরুন কুমার গুন মিতু কে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য ভাঙ্গুড়া পৌর শাখার হিন্দু,বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

সকল কমিটি গঠন শেষে জেলা নেতৃবৃন্দ প্রতিটি কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক কে বলেন, আপনারা সকলের সম্মতিতে / আলোচনা করে ১০ পূর্ণ দিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে আমাদের নিকট পাঠাবেন।
আমরা আমাদের প্রতিনিধি দিয়ে যাচাই-বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা দিবো।কমিটিতে যদি কোন অভিযোগ উঠে তাহলে অবশ্যই সেই কমিটি ঘোষণা থেকে বিরতি রাখা হবে বলে জানান।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ