আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব কক্সবাজার জেলা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত ।

রিপন শান

সভাপতি খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইন ।।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর কক্সবাজার জেলা কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।গত ২১ ডিসেম্বর (রোববার) রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকায় অবস্থিত সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ অনুমোদন প্রদান করা হয়।

প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি খান সেলিম রহমান,প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীন-এর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সভাপতি খোরশেদ আলম, নুরুল হোসাইন কে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কক্সবাজার জেলা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুব উদ্দিন, সহ-সভাপতি লায়ন ড. এ.জেড.এম. মাইনুল ইসলাম পলাশ, সহ-সভাপতি মো. শফিকুর রহমান মামুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাঈদা সুলতানা, যুগ্ম সম্পাদক মো. মিটু মোল্লা, প্রচার সম্পাদক ওসামা বিন শিহাব এবং সিনিয়র সাংবাদিক সোহাগ টিপু প্রমুখ ।

এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি মো. মোজাম্মেল হক বাবু, সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন রিপন শান , সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদুল মামুন সোহাগ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হায়দার খান নগর। অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে নব-নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

কক্সবাজার জেলা কমিটির পক্ষে প্রধান কার্যালয়ের দাপ্তরিক অনুমোদিত নথি গ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় মহিলা সম্পাদক মানবাধিকারকর্মী সাঈদা সুলতানা ও যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিটু মোল্লা।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিসিপিসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব একটি আদর্শ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাংবাদিকতার নৈতিক মান রক্ষা করে পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে । দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগে সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তারের ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার জেলা কমিটির অনুমোদন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন নগরী ও সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এই জেলার সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ জেলা কমিটির ভূমিকা অপরিসীম । আমরা আশা করি, কক্সবাজার জেলা কমিটি সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংগঠনের আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করবে ।

তিনি সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, নৈতিকতা চর্চা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণে নির্ভীক, স্বাধীন ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার ।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ কক্সবাজার জেলা কমিটির নবনিযুক্ত সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্দরকিল্লার গীতাধ্বনিতে অভিভাবক সমাবেশ ও সংবর্ধনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাগীশিক পরিচালিত আন্দরকিল্লাস্থ গীতাধ্বনি সনাতন বিদ্যামন্দিরে এক অভিভাবক সমাবেশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আজ ২৪ এপ্রিল, সকাল ১০টায় বাগীশিক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় । চট্টগ্রাম জর্জ কোর্টের আইনজীবি দিলীপ কান্তি নাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী অধ্যাপক ডা: মৌমিতা দাশ ও প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক পলাশ কান্তি নাথ রণী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বোয়ালখালী দক্ষিণেশ্বরী কালী ও ভোলানাথ শিব মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সবুজ চক্রবর্তী । অনুষ্ঠানে কণ্ঠশিল্পী তিথি ধর ও গীতা প্রশিক্ষক চৈতি মল্লিককে সংবর্ধনা প্রদান করা হলো ।।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাপ্পী ধর, শিক্ষক মিলি ঘোষ, শিক্ষক কাকলী শর্মা, শিক্ষক রূপনা চৌধুরী, কণিকা চৌধুরী, নন্দিনী বিশ্বাস, চুমকি চৌধুরী, পুণম নাথ, প্রিয়ন্তী দাশ,শান্তনা দাশ,মৃত্তিকা দেওয়ানজী ও প্রাচী চৌধুরী ।। প্রধান অতিথি ডা: মৌমিতা দাশ বলেন, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার প্রয়োজন অনস্বীকার্য । নীতিশিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন আলোকিত হয় । কেবল পরীক্ষায় পাশ করা নয় ,সামাজিক ও ধর্মীয় চেতনার মাধ্যমে সবার চিন্তা-ধারণার বিকাশ ঘটাতে হবে। আদর্শ নাগরিক ও আলোকিত মানুষ গড়তে অভিভাবকের ভূমিকার বিকল্প নেই ।

কবিয়াল রমেশ শীলের জন্মবার্ষিকী উদযাপনে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ, গণমুখী কবিয়াল জনক রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আগামী ৯ মে এই মহান আধ্যাত্মিক সাধকের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। গত রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাংবাদিক মানস চৌধুরী।

সভা সঞ্চালনা করেন ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ বাবু কাজল শীল। সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক/সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি। এছাড়াও বক্তব্য দেন সদস্য রমেশ পরিবারের সদস্য এডভোকেট প্রকৃতি চৌধুরী ছোটন এবং প্রকৌশলী রানা শীল মাইকেল।সভায় উপস্থিত ছিলেন রমেশ স্মৃতি ট্রাস্ট পরিবারের উত্তরাধিকারী পিকলু সরকার, রণধির শীল, সুব্রত সরকার টার্জেন, সমর শীল ওপেলসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ২১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

এতে এডভোকেট প্রকৃতি চৌধুরী ছোটনকে আহ্বায়ক এবং ইঞ্জিনিয়ার রানা শীল মাইকেলকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন রমেশ পরিবারের চিত্ত রঞ্জন শীল, কল্পতরু শীল, দুলাল শীল, সুলাল শীল, নেপাল শীল, পিকলু সরকার, সুব্রত সরকার, রণধির শীল, রুপাল শীল, জুয়েল শীল, রাইনেল শীল, সমর শীল, প্রণব চৌধুরী রঞ্জন, তম্ময় শীল, লিংকন চৌধুরী, টিকলু সরকার, শিক্ষক/সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি ও রমেশ ভক্ত বিজয় শীল, জিকু শীল।

উল্লেখ্য : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম রূপকার, ১৯৪৮ সালে “বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল” উপাধিপ্রাপ্ত এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল রমেশ শীল বাংলা লোকসংস্কৃতি ও গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে অনন্য অবদান রেখে গেছেন তার মহা কর্মযজ্ঞের কিছুটা প্রকাশিত হয়েছে বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত রমেশ রচনাবলী বইয়ের মধ্যে।আসন্ন জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত এই আহ্বায়ক কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কবিয়াল রমেশ শীলের জীবন ও কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে সভায় প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ