আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে টিকেট চেকিং কার্যক্রম এক মাসে আয় ৫৩ লক্ষ ৮১ হাজার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বিদায়ী ২০২৫ সালে ডিসেম্বর মাসে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অধীন চট্টগ্রাম বিভাগে টিকেট চেকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে টিটিইদের সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড হয়েছে। এই বিভাগের অধীন চট্টগ্রাম ও লাকসাম হেডকোয়ার্টার থেকে আয় হয়েছে ৫৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬২০ টাকা। যা দুই ঈদের মাস ব্যাতিত স্বাভাবিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জানা গেছে, রেলওয়ের টিকেট চেকিং প্রোগ্রামে অংশ নেয়া টিটিই কর্তৃক বিনা টিকিটের যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া ও জরিমানা আদায় করা হয়। যা রেলওয়ের চলমান কার্যক্রমের অংশ। এর সাথে বিভিন্ন সময় রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তত্বাবধানে পরিচালিত হয় বিশেষ চেকিং প্রোগ্রাম ও টাস্কফোর্স চেকিং। এসব চেকিং প্রোগ্রামে বিনা টিকিটের যাত্রী প্রতিরোধে ও তাদের কাছ থেকে ভাড়া ও জরিমানা আদায়ে করা হয় চিরুনি অভিযান। এতে বিনা টিকিটের যাত্রী প্রতিরোধের পাশাপাশি রেলওয়ের রাজস্বে জমা হয় বিপুল পরিমান অর্থ।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন চট্টগ্রাম ও লাকসাম হেডকোয়ার্টারে কর্মরত আছেন ৩৫জন টিটিই। বিগত সময়ে কেবল বছরের দুই ঈদে বিশেষ চেকিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় করা হয়ে থাকলেও এখন বছরের অন্যান্য সময়ও বিশেষ চেকিং পরিচালিত হচ্ছে ফলে রেলওয়ের আয় বেড়েছে কয়েকগুণ। দুই ঈদের মাস ব্যাতিত গত ডিসেম্বরেই শুধু চট্টগ্রাম বিভাগের টিটিই কর্তৃক আয় হয়েছে অর্ধ কোটি টাকারও বেশী। কেবল চট্টগ্রাম হেডকোয়ার্টারের ২২ জন টিটিই চেকিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ডিসেম্বরে আয় করেছে ৩৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৪৭৫ টাকা। ১১ হাজারের বেশী যাত্রী থেকে তারা এই ভাড়া ও জরিমানা আদায় করেন।

অন্যদিকে লাকসাম হেডকোয়ার্টারে ১৩ জন টিটিই কাজ করেছেন সারা মাস জুড়ে, ১৪ লক্ষ ৫৮ হাজার একশত পয়তাল্লিশ টাকা আদায় করেছেন প্রায় ৯ হাজার যাত্রী থেকে। চট্টগ্রাম বিভাগের এই দুই হেডকোয়ার্টার মিলিয়ে চট্টগ্রামের জুনিয়র টিটিই সাইদুল ইসলাম একাই রেলওয়েকে রাজস্ব দিয়েছেন ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ২০৫ টাকা। যা দুই হেডকোয়ার্টারে সর্বোচ্চ।
এত বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় কিভাবে সম্ভব হলো জানতে চাইলে ওই টিটিই জানান, ডিসেম্বরে যাত্রীর চাপ ও বিনা টিকিটের যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশী ছিল। টিটিইদের যথাযথ দায়িত্ব পালন একই সাথে উর্ধতন কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিপুল রাজস্ব আয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে’।


রেলওয়ের অনন্য এই রাজস্ব আয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বানিজ্যিক কর্মকর্তা তৌষিয়া আহমেদ বলেন, রেলওয়েকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বানিজ্যিক বিভাগ রাজস্ব বৃদ্ধি আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রামে কর্মরত সকল টিটিই গণের প্রচেষ্টায় সফলতা পাওয়া যাচ্ছে’। টিটিইদের সাধুবাদ জানিয়ে তিনি এই কর্মপ্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন প্রশাসনের যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সবাই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতির তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তাকে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। জনপ্রশাসন সচিবের কাছে সরাসরি বা ইমেইলে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।

পদোন্নতি পাওয়া কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোনো বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন বা বাতিল করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তনবর্তমানে ২৮৫ জন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। নতুন ১১৮ জনকে নিয়ে অতিরিক্ত সচিবরে সংখ্যা হয়েছে ৪০৩ জন। অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ২১২ জন হওয়ায় পদোন্নতি পাওয়া বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে আগের পদেই (ইনসিটু) কাজ করতে হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এই পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনেক যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তা আবারও বাদ পড়েছেন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ এই তালিকায় জায়গা পাননি বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ