আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় চট্টগ্রামে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাদে জুহুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের বিভাগীয় জামে মসজিদ, রহমতগঞ্জ, চট্টগ্রামে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে সড়ক ও জনপদ ঠিকাদার সমিতি ও গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম–৯ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু এবং সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ মহসিন, একরামুল হক ছুট্টু, সৈয়দ আবুল বশর ও নুরুল আলম।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপদের ঠিকাদার সমিতির সভাপতি ইউনুস চৌ হাকিম, সাধারণ সম্পাদক জামাল মোর্শেদ মুন্না, সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ আবদুল জলিল, এম এ হামিদ, মোহাম্মদ সিরাজদৌল্লা, মোহাম্মদ আলাউদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি ওসমান আলী সেগুন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর ইসলাম মামুন, সৈয়দ আবুল বশর, একরামুল হক ছুটটু, খলিল, মোহাম্মদ আনাছ, ইমতিয়াজ আহমেদ অপু, মোহাম্মদ মহসিন, বাপ্পি, রনিসহ নেতৃবৃন্দ ।

দোয়া মাহফিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু সুফিয়ান বলেন, “মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, তিনি গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার রক্ষার প্রতীক। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি আপসহীনভাবে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে গেছেন। আজ তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় আমাদের এই দোয়া মাহফিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নতুন করে শক্তি যোগাবে।”

চট্টগ্রাম–৯ আসনের ভোটারদের প্রধান সমস্যা সম্পর্কে তিনি বলেন,“এই এলাকার মানুষের মূল সমস্যা হচ্ছে কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, নিরাপদ বসবাস ও নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়া। দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার না থাকায় তাদের কণ্ঠস্বর চাপা পড়ে আছে। আমি মাঠে ঘুরে মানুষের কথা শুনছি, সমস্যাগুলো চিহ্নিত করছি এবং নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সমাধানের পথে হাঁটবো।”

তরুণ ভোটারদের আস্থা অর্জনে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন,” তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। কিন্তু আজ তারা বেকারত্ব ও অনিশ্চয়তায় ভুগছে। আমরা তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান, কারিগরি প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা তৈরি এবং মেধাভিত্তিক রাজনীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই। তরুণদের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলেই তারা রাষ্ট্র গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবে।”

তিনি বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠাই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য। নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই পারে দেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে।”

দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম। শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।

 

মানুষের যে মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করে; দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন। নির্বাচনের পূর্বে জনগণকে তিনি যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছেন তা ধীরে ধীরে বাস্তবে রুপ নিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, ই হেলথ কার্ড, কৃষক কার্ডের মত কল্যাণমুখী কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন ও নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডে মরহুম আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত “ঈদবস্ত্র বিতরণ” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ১৫০০ মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল। জনগণের জন্য কাজ করা, জনগণের সেবা করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছে, জনগণের কাছে আমরা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই।

বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপি-কাউন্সিলররা জনগণের পাশে ছিলনা। জনগণের ভাগ্যন্নোয়নের কথা বলে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। মেগা প্রকল্পের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। সে পাচারের টাকায় আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রী ও নেতাকর্মীরা এখন বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে।

৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. আবু তালেব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব মো. ইসমাঈল বালি, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজ সেবক বাবু দিলীপ মজুমদার, পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. শহিদুল হক, আশরাফুল ইসলাম মামুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শফিকুল আলম, মোহাম্মদ হামিদ, জিয়া সাইবার ফোর্স বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী বাহাউদ্দিন ফারুক মুন্না, কোতোয়ালি থানা তাঁতি দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. শেখ আলী মিঠু , প্রবাল কৃষ্ণ, মোহাম্মদ সেলিম, যুবদলের মো. সাইফুল ইসলাম, মো. নাদিম, রিয়াজ, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ তুহিন,  সদস্য সচিব মো. জসিম, কোতোয়ালী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মারুফ,  কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. হোসেন মোহাম্মদ নাসির প্রমুখ।

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ