আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বোয়ালখালীতে জলাতঙ্ক নির্মূলে অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে মরণব্যাধি জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন উপলক্ষে অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৪ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় বাড়িতে পালিত ও রাস্তাঘাটের সকল কুকুরকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা (ভ্যাকসিনেশন) প্রদান করা হবে।রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল;সাড়ে ১১ টায় বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জাফরিন জাহেদ জিতি,র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী পৌরপ্রশাসক কানিজ ফাতিমা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.রুমন তালুকদার, অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহফুজ রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনজন ভট্টাচার্য, আবদুর কবীর,মোঃ কাওসার আহম্মেদ এম ডি ভি,সুপারভাইজার, উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ও পৌরসভার সকল ইনচার্জগন সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতে বলেন, জলাতঙ্ক একটি ভয়ংকর ও মরণব্যাধি রোগ, যার মৃত্যুহার শতভাগ। বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ মানুষ কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি ও বানরের কামড় বা আঁচড়ে আক্রান্ত হয়, যাদের অধিকাংশই শিশু।তিনি আরও বলেন, জলাতঙ্কের ভয়াবহতা বিবেচনায় সরকার এ রোগ প্রতিরোধ ও নির্মূলে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে বাড়িতে পালিত এবং রাস্তাঘাটের সকল কুকুরকে বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা হবে। এ কর্মসূচি সফল করতে সকলের সহযোগিতা কাম্য।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানিজ ফাতিমা বলেন, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য রোগ। কিন্তু সচেতনতার অভাবে এখনও মানুষ এতে আক্রান্ত হচ্ছে। পথকুকুরদের টিকাদানের মাধ্যমে একদিকে প্রাণী সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে মানুষও ঝুঁকিমুক্ত থাকবে। কর্ণফুলীকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ