আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কেমিক্যাল মিশ্রিত ভেজাল মধু জব্দ করে জন সন্মুখে ধব্বংস।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কেমিক্যাল মিশ্রিত ভেজাল মধু জব্দ করে তা জন সন্মুখে ধব্বংস করেছে ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মিজানুর রহমান। বিখ্যাত চলনবিল অঞ্চলের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রত্যান্ত এলাকা খানমরিচ ইউপি’র দুধবাড়িয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনা সূত্রে জানা গেছে,চিনি, ফিটকিরি ও কেমিক্যাল মিশিয়ে নকল মধু তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাত করে আসছিলেন মোঃ রমজান আলী নামে এক অসাধু মধু ব্যবসায়ী।
মঙ্গলবার(১৩জানুয়ারী)ভোর ৫টার দিকে এলাকাবাসী সংবাদ পেয়ে ৪১ টি ঢোপে (৫০-৫৫কেজি ধারণ ক্ষমতা) প্রায় ৫১ মন নকল মধু সহ ওই ব্যবসায়ীর গাড়ি আটকিয়ে রাখে।

সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ মিজানুর রহমান ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই মধু জব্দ করেন।এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে চিহৃিত ভেজাল অসাধু মধু ব্যবসায়ী মোঃ রমজান আলী পালিয়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন, ইতি পূর্বেও মোঃ রমজান আলী নকল মধু সহ পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাভোগ করেন।

এলাকাবাসী আরো জানান, উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের বড়পুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রমজান আলী মৌমাছি চাষের সঙ্গে জড়িত। মূলত তিনি মৌচাষকে কেন্দ্র করে নকল মধু তৈরি করে বাজারজাত করেন।চিনি ও ফিটকিরি সহ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল মিশিয়ে তিনি নকল মধু তৈরি করেন।এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে খানমরিচ ইউনিয়নের দুধবাড়িয়া গ্রামে মৌচাষি খামারের পাশে ১ মেট্রিক টন মধু বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে নকল মধু তৈরি শুরু করে মোঃ রমজান আলী।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০ কেজি নকল মধু সহ মোঃ রমজান আলী কে আটক করে থানা পুলিশ কে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ ও প্রশাসন পৌঁছনোর আগেই মোঃ রমজান আলী পালিয়ে যান।
পরে প্রশাসন মোঃ রমজান আলী কে না পেয়ে নকল মধুগুলো একটি খালে ঢেলে দেন এবং খালি ড্রাম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনোয়ার হোসেন কে স্থানীয় একটি এতিমখানার মাদরাসায় দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘মোঃ রমজান আলী দীর্ঘদিন ধরে এই নকল মধুর ব্যবসা করছেন। এলাকাবাসীর সচেতনতায় তিনি ধরা পড়েছেন।ভবিষ্যতে তিনি যেন এ কাজ করতে না পারেন তার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মিজানুর রহমান বলেন,‘স্থানীয় বাসিন্দারা নকল মধু তৈরিকারী ব্যবসায়ী মোঃ রমজান আলীর নাম বললেও ঘটনাস্থলে তাকে পাওয়া যায়নি। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে শাস্তি দিতে পারেনি।তবে পুলিশ কে মোঃ রমজান আলীর ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে।’

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ