আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

পাবনা-০১ একক আসন হলো শুধু সাঁথিয়া উপজেলা।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রায় দেড় যুগ আগে থেকে সাঁথিয়া ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে সর্বদলীয় নেতাকর্মীদের একত্রে সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে শুরু হয় ৬৮,পাবনা-০১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের দাবীতে আন্দোলন।

৬৮,পাবনা-১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের দাবীতে আন্দোলন টি একপর্যায়ে আদালতের শরণাপন্ন হন সাঁথিয়াবাসী। সাঁথিয়ার একক আসনের প্রধান বাধা হয়ে দাড়ান ফ্যাসিস্ট সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং তার কিছু দোসর। একক আসনের দাবীতে অনড় থাকায় সাঁথিয়া ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নিজাম উদ্দিন, সভাপতি সুশিল মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মনসুরুল ইসলাম,
সহসভাপতি মরহুম মোজাম্মেল হক মাষ্টার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনসুর আলম, জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মী সহ অনেকেই লাঞ্চিত হয় ফ্যাসিস্ট সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং তার কিছু দোসরদের হাতে।

অপমান, নিন্দা, তিরস্কার, ভর্ৎসনা, কটূক্তি, অসম্মান হয়েও তারা চালিয়ে যান সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের আন্দোলন। তারই ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালানোর পর ২০২৫ সালের শেষের দিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাধীন আইন বিভাগ রায় দেন সাঁথিয়া উপজেলা একক আসন। রায়ের বিরোধিতা করেন, সাঁথিয়া এবং বেড়ার বেশকিছু নেতাকর্মী। সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের পক্ষে হাল ধরেন সাবেক সফল মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনসুর আলম। আইনি লড়াইয়ের একপর্যায়ে ১০ জানুয়ারী নির্বাচন কমিশন ৬৮,পাবনা-০১ ও ৬৯,পাবনা-০২ আসন নির্বাচন স্থগিত করেন।

১১ জানুয়ারী ৬৮,পাবনা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন নির্বাচন কমিশনের আদেশের বিরুদ্ধে পাবনা-১ ও ২ আসনের পক্ষে লিগ্যাল নোটিশ করেন। সাঁথিয়া একক আসনের পক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)জেলা সদস্য ফারুক হোসেন, সহকারী অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন রানা, সাঁথিয়া বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হাই, এনসিপির জেলা নেতা বকুল হোসেন,এনসিপির জেলা নেতা আবু দাউদ ফকির, ছাত্রনেতা মুহতাসিম বিল্লাহ সাদ, শিখন মোল্লা,

সাবেক ছাত্র নেতা নজরুল ইসলাম,সাদ্দাম ফকির, ছাত্র নেতা আরিফুল ইসলাম, আসলাম উদ্দিন সহ সাঁথিয়াবাসীর নেতৃত্বে শুরু হয় সাঁথিয়ায় ব্যাপক আন্দোলন। ব্যাপক আইনি লড়াই শেষে ১৫ জানুয়ারী মহামান্য আদালত ইনসাফের পক্ষে ফাইনাল রায় দেন ৬৮,পাবনা-০১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসন, ৬৯,পাবনা-০২(সুজানগর, বেড়া) উপজেলা এবং ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

নাড়ির টানে বন্দর নগরী ছাড়ছে মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নাড়ির টানে গন্তব্যে ছুড়ছে মানুষ। পথে পথে ভোগান্তি এড়াতে মানুষ আগ থেকে বন্দর নগরী ছাড়তে শুরু করেছে। শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। এর আগে শুক্রবার থেকে তাদের এই ঈদ যাত্রা শুরু হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরের এ কে খান মোড়, অলংকার ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস ও ট্রেনে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন অনেকে। কেউ যাচ্ছেন কুমিল্লা, কেউ ঢাকা, কেউ সিলেট বা রাজশাহীর দিকে। যাত্রীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি না হলেও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরা হচ্ছে আগামী ২১ মার্চ। ফলে এখনো কয়েক দিন সময় থাকলেও অনেকেই বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।মূলত ঈদের আগমুহূর্তে বাড়তি যাত্রী চাপের ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আগেভাগে শহর ছাড়ছেন।

পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, দিন দিন ঈদযাত্রা আরও জমে উঠবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ছুটি শুরু হলে নগর ছাড়ার মানুষের ঢল নামতে পারে। তখন এ কে খান, অলংকার, কদমতলী বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের বড় ভিড় দেখা যাবে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের পূর্বাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে নানামুখী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বছর চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ার্কশপে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি যাত্রী পরিবহনে এসব কোচ বিভিন্ন ট্রেনে সংযোজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিশেষ ট্রেন, বাড়তি ইঞ্জিন যুক্ত করাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, যাত্রীর চাপ বাড়ায় পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হচ্ছে। চলমান ৭৫টি ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে আরও ১০টি ইঞ্জিন। এ ছাড়া চালানো হবে আটটি বিশেষ ট্রেন। এরমধ্যে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২ চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর আসা-যাওয়া করবে। এর যাত্রী ধারণক্ষমতা ৬৬৮ জন। এছাড়া ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে স্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে এ কে খান এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রী আবুল কালামের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেন, তিনি নগরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এবার একটু আগেভাগেই বাড়ি যাচ্ছেন। কারণ, বাড়িতে একজন অসুস্থ আত্মীয় রয়েছেন।

ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে থাকতে চান বলেই আগে বেরিয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে নোয়াখালীগামী একটি বাসে উঠেছিলেন সায়েরা আক্তার। দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি গ্রামে ফিরছেন। সায়মা বলেন, পরে গেলে খুব ভিড় থাকে। বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্ট হয়। তাই আগেই চলে যাচ্ছি। তবে তাঁর স্বামী হায়দার আলী এখনই যেতে পারছেন না। তিনি জানান, তাঁর স্বামীর এখনো ছুটি হয়নি। ঈদের আগের দিন তিনি বাড়ি যাবেন।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের মাঝে প্রতিদিন পূর্বাঞ্চলের ১৬টি ট্রেনের ৮ হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ট্রেনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছিল। ৯ মার্চ শেষ হয়েছে। অগ্রিম টিকিটের যাত্রীরা যেতে শুরু করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ