আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ক্ষমতার লোভ নয় বরং জনগণের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষাই ছিল মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র রাজনীতির মূল দর্শন: এরশাদ উল্লাহ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে যাঁর নাম উচ্চারিত হলেই সাহস, আপসহীনতা ও নেতৃত্বের কথা মনে পড়ে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেতা নন; তিনি এদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক।

তিনি আজ ১৬ জানুয়ারি রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় রৌফাবাদ এলাকায় চট্টগ্রাম-৮ সংসদীয় আসনের চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ থানা যুবদলের অন্তর্গত ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড, ৩ নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ড ও ৪৩ নং আমিন শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদল আয়োজিত মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন স্বাধীনতার পরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতে তিনি দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন। বহু প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের মুখেও তিনি কখনো মাথা নত করেননি। গণতন্ত্রের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান ছিল সবসময় স্পষ্ট ও আপসহীন। ক্ষমতার লোভ নয়, বরং জনগণের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষাই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি দেশের উন্নয়ন, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। একজন সংগ্রামী নেত্রী হিসেবে তিনি অন্যায় ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবিচল থেকেছেন, এমনকি কারাবন্দি থেকেও দেশের মানুষের কথা ভোলেননি। বেগম খালেদা জিয়া কোটি কোটি মানুষের আশার প্রতীক। তাঁর আদর্শ ও ত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথনির্দেশক হয়ে থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর প্রেরণায় বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের সঠিক পথে ফিরে আসবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী বলেন, আমাদের এবারের লড়াই গুপ্ত রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে যারা ভোটের নামে জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। ধানের শীষের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারেক রহমান মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহকে বিজয়ী করতে যুবদল দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যুবদলের নেতা-কর্মীদের তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, এদেশের জনগণের চাওয়া একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন, যেখানে মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে নির্ভয়ে। আমরা গত ১৭ বছর ধরে হারানো ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে আজও রাজপথে। চান্দগাঁও-এর কৃতি সন্তান এরশাদ উল্লাহ এই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী। এরশাদ উল্লাহকে বিজয়ী করতে যুবদলের নেতা-কর্মীদের দল-মত নির্বিশেষে ভোটারদের ঘরে ঘরে তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানান।

দোয়া মাহফিলে পশ্চিম শহিদ নগর গাউছিয়া তৈয়বিয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা খলিলুর রহমান আল কাদেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনা করে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করার জন্য দোআ করা হয়। জিয়া পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়।

পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকির সভাপতিত্বে ও বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক মনজুর আলম মঞ্জুর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সি. সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: হুমায়ুন কবির, এরশাদ হোসেন, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, রাজন খান, ওমর ফারুক, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মহিউদ্দিন মুকুল, আসাদুজ্জামান রুবেল, সাবেক সহ-সম্পাদক আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম জহির, হামিদুল হক চৌধুরী, সাবেক মহানগর সদস্য প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক রিদওয়ান হোসেন জনি, শহিদুল ইসলাম কুট্টি, শফিউল বাশার শামু, মিল্লাত হোসেন, হুমায়ূন আহমেদ, আলমগীর হোসেন দিপু, ওবায়দুল হক, ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ হোসেন, পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড সাবেক আহবায়ক মোঃ হাসান, ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাসির, মোঃ মনসুর, আরিফুল ইসলাম ইলু, মোহাম্মদ মোরশেদ, আলী আকবর, জুনায়েদ হোসেন রানা, জামাল হোসেন, সোলায়মান হোসেন মনা, সিঃ যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল, রুবেল, তারেক ইস্কান্দর, ফারুক, যুগ্ম আহবায়ক জানে আলম, যুগ্ম আহবায়ক নেজাম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক ওসমান গনি, হেলাল উদ্দিন, তাজিম, কাইয়ুম, জসিম, সবুর, আলাউদ্দিন, ইমতিয়াজ ইসলাম, নজু, সাজ্জাদ, সেলিম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বৈরাচার ও তার দোসরদের নির্দেশে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে স্থাপিত নামফলকটি উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছেন আওয়ামী দলকানা নামধারী সাংবাদিকরা। এর ফলে নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা। এসব সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও স্বৈরাচারের মন জয় করতে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভিআইপ লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এসব তথ্য জানান। এসময় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নামফলকটি আগের স্থানে যথাযতভাবে স্থাপন করা হবে বলে উল্লেখ করেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি গত ১০ ডিসেম্বর’২০২৬ ইং ২০২৬-২০২৭ সেশনের জন্য প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর জানতে পারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অডিটরিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মানকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেকসহ সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানের ছবি তোলেন তৎকালীন নামকরা সাংবাদিক ও পরবর্তীতে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর। তখন থেকেই সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্বোধনের ভিত্তিপ্রস্তর ফলকটি ক্লাবের সামনের দেয়ালে খোদাই করে লাগানো ছিল। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আগমনের সময় উক্ত ভিত্তিপ্রস্তরটি খুলে ফেলা হয় বলে জানা যায়। এরপর থেকে ভিত্তিপ্রস্তরটি কোথায় ছিল কেউ বলতে পারছিলেন না। বিগত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির নেতাদের কাছে এ সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা আমাদেরকে আওয়ামী সরকার বিরোধী আখ্যায়িত করে হুমকি ধামকি দেন।

এতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকতার প্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী ছিলেন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল অবদান রাখেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া সাংবাদিকদের সার্বিক কল্যাণ চাইতেন। বিদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে গেলে তিনি চট্টগ্রামের সংবাদপত্র, সম্পাদক ও সাংবাদিকদের দু-তিনজন প্রতিনিধি সব সময় সঙ্গে নিয়ে যেতেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে শহীদ জিয়া আর্থিক সমর্থন দিয়েছেন। শেরশাহ কলোনীতে সাংবাদিকদের জন্য জমি প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক কমিটির কর্মকর্তারা মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ফলকটি ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে তারা চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে এই ইতিহাস মুছে দেয়ার এই অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও তাদের মন জয় করতে ওইসব নামধারী সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নেয়। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে। তারা প্রকৃত ইতিহাস মুছে দিতে চেয়েছিল।

আমরা অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি, ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অডিটরিয়ামের যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তার হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠান তিলে তিলে গড়ে ওঠে। কালক্রমে আওয়ামী দলকানারা সেটি মুছে দেয়। নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা।

নেতৃবৃন্দরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন সময়ে ক্লাবের দেয়ালে সাটানো ভিত্তিপ্রস্তরগুলোর উদ্ধারের জন্য বর্তমান কমিটি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ০৫/০২/২০২৬ ইং প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাতসহ কমিটির কর্মকর্তারা প্রেসক্লাবের আন্ডারগ্রাইন্ডে গোডাউন পরিদর্শনে গিয়ে নোংরা ও ময়লাযুক্ত পরিবেশে জিয়াউর রহমানের ভিত্তিপ্রস্তরটি খুজে পেয়ে উদ্ধার করে। ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে নামফলকটিতে সযত্নে ক্লাবের অফিসে রাখা হয়েছে।

প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্যদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলা ১১ ফাল্গুন ১৩৮৪ (শুক্রবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইতিহাসের অংশ এই নামফলকটি এক সময় প্রেসক্লাবের সামনেই ওয়ালে সাটানো ছিল। কারা এটি সরালো? কোন উদ্দেশ্যে? ঐতিহাসিক এই নিদর্শন সরিয়ে ফেলার হোতাদের বিরুদ্ধে কি করা যায়?

তবে আইনেও এ ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তির বিধানের কথা উল্লেখ আছে। ভিত্তিপ্রস্তর বা এ ধরনের স্থাপনার ফলক সরিয়ে ফেলা, ভাঙা বা বিকৃত করা আইনত গুরুতর অপরাধ, যা সাধারণত সম্পত্তি বিনষ্ট (Criminal Trespass/Mischief) হিসেবে গণ্য হয়। এর শাস্তি হিসেবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে। এই ভিত্তিপ্রস্তরটি কারা ক্লাবের দেয়াল থেকে সরিয়ে নিল এবং কারা এই ঘটনায় জড়িত তা নির্নয় করা প্রয়োজন বলে জানান নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনের এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ও ওসমান গণি মনসুর, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও রফিকুল ইসলাম সেলিম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী আমীর খসরু চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী আমীর খসরু চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ