আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

ক্ষমতার লোভ নয় বরং জনগণের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষাই ছিল মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র রাজনীতির মূল দর্শন: এরশাদ উল্লাহ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে যাঁর নাম উচ্চারিত হলেই সাহস, আপসহীনতা ও নেতৃত্বের কথা মনে পড়ে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেতা নন; তিনি এদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক।

তিনি আজ ১৬ জানুয়ারি রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় রৌফাবাদ এলাকায় চট্টগ্রাম-৮ সংসদীয় আসনের চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ থানা যুবদলের অন্তর্গত ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড, ৩ নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ড ও ৪৩ নং আমিন শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদল আয়োজিত মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন স্বাধীনতার পরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতে তিনি দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন। বহু প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের মুখেও তিনি কখনো মাথা নত করেননি। গণতন্ত্রের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান ছিল সবসময় স্পষ্ট ও আপসহীন। ক্ষমতার লোভ নয়, বরং জনগণের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষাই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি দেশের উন্নয়ন, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। একজন সংগ্রামী নেত্রী হিসেবে তিনি অন্যায় ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবিচল থেকেছেন, এমনকি কারাবন্দি থেকেও দেশের মানুষের কথা ভোলেননি। বেগম খালেদা জিয়া কোটি কোটি মানুষের আশার প্রতীক। তাঁর আদর্শ ও ত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথনির্দেশক হয়ে থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর প্রেরণায় বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের সঠিক পথে ফিরে আসবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী বলেন, আমাদের এবারের লড়াই গুপ্ত রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে যারা ভোটের নামে জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। ধানের শীষের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারেক রহমান মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহকে বিজয়ী করতে যুবদল দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যুবদলের নেতা-কর্মীদের তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, এদেশের জনগণের চাওয়া একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন, যেখানে মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে নির্ভয়ে। আমরা গত ১৭ বছর ধরে হারানো ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে আজও রাজপথে। চান্দগাঁও-এর কৃতি সন্তান এরশাদ উল্লাহ এই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী। এরশাদ উল্লাহকে বিজয়ী করতে যুবদলের নেতা-কর্মীদের দল-মত নির্বিশেষে ভোটারদের ঘরে ঘরে তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানান।

দোয়া মাহফিলে পশ্চিম শহিদ নগর গাউছিয়া তৈয়বিয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা খলিলুর রহমান আল কাদেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনা করে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করার জন্য দোআ করা হয়। জিয়া পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়।

পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকির সভাপতিত্বে ও বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক মনজুর আলম মঞ্জুর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সি. সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: হুমায়ুন কবির, এরশাদ হোসেন, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, রাজন খান, ওমর ফারুক, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মহিউদ্দিন মুকুল, আসাদুজ্জামান রুবেল, সাবেক সহ-সম্পাদক আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম জহির, হামিদুল হক চৌধুরী, সাবেক মহানগর সদস্য প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক রিদওয়ান হোসেন জনি, শহিদুল ইসলাম কুট্টি, শফিউল বাশার শামু, মিল্লাত হোসেন, হুমায়ূন আহমেদ, আলমগীর হোসেন দিপু, ওবায়দুল হক, ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ হোসেন, পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড সাবেক আহবায়ক মোঃ হাসান, ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাসির, মোঃ মনসুর, আরিফুল ইসলাম ইলু, মোহাম্মদ মোরশেদ, আলী আকবর, জুনায়েদ হোসেন রানা, জামাল হোসেন, সোলায়মান হোসেন মনা, সিঃ যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল, রুবেল, তারেক ইস্কান্দর, ফারুক, যুগ্ম আহবায়ক জানে আলম, যুগ্ম আহবায়ক নেজাম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক ওসমান গনি, হেলাল উদ্দিন, তাজিম, কাইয়ুম, জসিম, সবুর, আলাউদ্দিন, ইমতিয়াজ ইসলাম, নজু, সাজ্জাদ, সেলিম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখছেন : জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, প্রবাসীরা অকুতোভয় যোদ্ধার মতো পরিবার থেকে দূরে থেকে দেশের জন্য রেমিট্যান্স পাঠান। তাঁদের পাঠানো অর্থেই দেশের অর্ধেকের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো হয়।তাঁদের এই ত্যাগ ও অবদানকে সম্মান জানাতেই আমরা এই গণশুনানির আয়োজন করেছি।বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উদ্যোগ ‘প্রবাসীদের জন্য অনলাইন গণশুনানি’ আয়োজন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।গণশুনানিতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

এতে বিদেশে অবস্থানরত ১১ জন প্রবাসী সরাসরি অংশ নিয়ে জমিজমা বিরোধ, অর্থ আত্মসাৎ, পারিবারিক জটিলতা, চাঁদাবাজি ও মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।

অভিযোগ শোনার পরপরই জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। যেসব বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন, সেগুলোতে পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। জেলা প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত তিনটি খাত-গার্মেন্টস, প্রবাসী আয় ও কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বের প্রায় ১৬৫টি দেশে বসবাসরত দেড় কোটির মতো প্রবাসী বাংলাদেশি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখছেন।গণশুনানিতে কাতারপ্রবাসী রাঙ্গুনিয়ার রানা সুশীল আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধারের আবেদন জানান। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট থানা ও উপজেলা প্রশাসনকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমের পরও অনেক প্রবাসী পরিবার ও সম্পত্তি–সংক্রান্ত সমস্যার কারণে মানসিক অস্থিরতায় ভোগেন। এসব সমস্যা দ্রুত ও কার্যকরভাবে সমাধানের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, প্রবাসীদের লিখিত অভিযোগ আগেই সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

শুধু অভিযোগ শোনা নয়, দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।জেলা প্রশাসক আরও বলেন, প্রযুক্তির কল্যাণে প্রবাসীরা দূরে থেকেও আমাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে পারছেন। আমরা তাঁদের জানাতে চাই—তাঁরা দূরে নন, আমরা তাঁদের পাশেই আছি।
প্রবাসীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রতি বুধবার নিয়মিত গণশুনানির পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে এক ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রয়োজন হলে সময় আরও বাড়ানো হবে।জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, অভিযোগগুলোর বেশিরভাগই জমি দখল, অর্থ আত্মসাৎ, মিথ্যা মামলা ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত। অনেক প্রবাসী দেশে থাকা সম্পত্তি দখল ও হয়রানির শিকার হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

ওমানপ্রবাসী নুর মোহাম্মদ সম্পত্তি জবরদখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন। কাতারপ্রবাসী মোহাম্মদ আনোয়ার নিজস্ব সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির কথা জানান। সৌদি আরব, দুবাই ও আবুধাবিপ্রবাসী আরও কয়েকজন একই ধরনের অভিযোগ তুলে ধরেন।এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। তাঁদের সম্পত্তি ও অধিকার রক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

এ সময় উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের চট্টগ্রামস্থ সহকারী হাইকমিশনের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন আজ বুধবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দীর্ঘ চার বছর বাংলাদেশে কর্মরত থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ডা. রাজীব রঞ্জনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় মেয়র বলেন, “বৈচিত্র্যই ভারতের বড় শক্তি। ভারতের এক একটি রাজ্য থেকে আরেকটি রাজ্যের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির ভিন্নতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশকে ঐক্যবদ্ধ করে চলতে পারার কারণেই ভারত বিশ্বের বুকে একটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ব্যক্তি জীবনে অনেকবার ভারতে গিয়েছি, এমনকি পড়াশোনার জন্যও গিয়েছি।তিনি আরও বলেন – বাংলাদেশের অনেক মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে যান। তাদের ভিসা প্রসেসিং সহজ হলে এবং ভিসা প্রদানের গতি বাড়লে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।”

বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, “চট্টগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি নগরী। কারণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এখনো অনেকটাই সংরক্ষিত আছে। বিশেষ করে ভাটিয়ারী, পতেঙ্গা ও ফয়’স লেক এলাকা অত্যন্ত নয়নাভিরাম। চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় এবং নদীও অপূর্ব সুন্দর। পর্যটনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ যদি এই সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান।সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ