দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক স্মরণ সভা জাসাসের।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাসাস পাবনা ও ছবির গল্পের আয়োজনে নাগরিক সমাজের পক্ষে সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী, সংগঠক,বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ ও কবি সাহিত্যিকসহ সুশীল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতিনিধিদের নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এক নাগরিক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পাবনা প্রেসক্লাবের ভিআইপি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


প্রধান অতিথি হিসেবে আবেগময় স্মৃতিচারণ করেন
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী ও পাবনা সদর ৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এড. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। পাবনা জেলা জাসাসের আহবায়ক খালেদ হোসেন পরাগের সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করেন জাসাস নেতা ফরিদুল ইসলাম ফিরোজ খন্দকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঐতিহ্যবাহী পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড. মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার, যুগ্ন আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু ও নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী পুর্ণিমা ইসলাম ও সহ সভানেত্রী লুৎফুন্নাহার হাজারী, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম বুলাল, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু ও উত্তরণ পাবনার সভাপতি আলমগীর কবীর হৃদয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দালিফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম খোকন, সাবেক ঊর্ধতন কর্মকর্তা জহুরুল হক, কথা সাহিত্যিক সাইদুল ইসলাম দারা, জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন মহাসচিব আতাউল করিম আজিম এবং জাসাস নেতা সাদমান সাকিব।


অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জেলা জাসাসের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া এবং শেষে দোয়া পরিচালনা করেন ইসলামি ফাউন্ডেশন পাবনার উপ পরিচালক মাওলানা আব্দুস শাকুর।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাংবাদিকের কাজ ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা -কাদের গনি চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেছেন- রাষ্ট্র ও ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা সাংবাদিকতার কাজ। এটি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, জনগণের অধিকার রক্ষা করে এবং সমাজে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।২ আগস্ট রোববার দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ আয়োজিত সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব বলেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নেপচুন এক্সেসরিজ নামে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এক জরুরি বার্তায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান রাজাবাড়ি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় চারজন গুরুতর আহতসহ ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে উত্তরা বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ