আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

‎মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফে ‎তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দঃ) মাহফিল ২০২৬ সম্পন্ন।

বরুন আচায্য বলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‎গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী প্রবর্তিত ত্বরিকার আদর্শের কিংবদন্তী পরিচর্যাকেন্দ্র জাতি-ধর্ম নির্বশেষে খোদা তালাশী বান্দাগণের মমতাময় আশ্রয় কেন্দ্র গাউসিয়া হক মঞ্জিল।‎সপ্তম “তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দঃ) মাহফিল-২০২৬” এ সভাপতির বক্তব্যে মাইজভাণ্ডার শরিফ দরবারে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক মঞ্জিল’র সাজ্জাদানশীন ও ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি শাহ্ সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ.) এ গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন।

‎বাংলার জমিনে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, বিশ্বসমাদৃত ত্বরিকা “ত্বরিকা-ই-মাইজভাণ্ডারীয়া”র প্রবর্তক খাতেমুল আউলিয়া গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র দ্বিশততম জস্মবার্ষিক ও ১২০তম ‘মহান ১০ মাঘ উরস শরিফ’ উপলক্ষে মাইজভাণ্ডার শরিফ ‘দরবার-ই গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র গাউসিয়া হক মঞ্জিল-এর ব্যবস্থাপনায় ‘মাইজভাণ্ডার শরিফ শাহি ময়দান’-এ সপ্তম “তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দঃ) মাহফিল-২০২৬” গত ১৭ জানুয়ারি রোজ শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎মাওলানা মুহাম্মদ মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী ও মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা কাযী আব্দুল আলীম রেজভী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাওলানা মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ, মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কাছেম। উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন। মাইজভাণ্ডার শাহি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ বশিরুল আলম মাইজভাণ্ডারী ও সাবেক খতিব আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম ফোরকানী।

‎মাহফিলে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব রেজাউল আলী জসীম চৌধুরী, তাজকিয়ার কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আবু নাসের অন্তুু, নারায়নহাট ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আ.ও.ম. ফারুক হোসাইন, ফটিকছড়ি জামেউল উলুম ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ হুমায়ন কবির মজুমদার, মুনিরুল উলুম বারীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার আধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ফখরুদ্দীন, মহি উসুন্নাহ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী আজম হাশেমী, সমিতিরহাট ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস খান, নানুপুর মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহমদ উল্লাহ, আশেকানে আউলিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রিদুয়ানুল হক।
‎‎
‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার বিভিন্ন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহ-প্রধান, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী এবং উম্মুল আশেকীন
‎মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানার শিক্ষকমণ্ডলী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

‎মিলাদ-কিয়াম ও তাওয়াল্লোদে গাউসিয়া পরিচালনা করেন বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) রওজা শরীফের খাদেম মাওলানা হাবিবুল্লাহ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র আওতায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ভাঙ্গুড়া পৌর এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা পৌর প্রশাসক, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আজম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বৃক্ষরোপণ শেষে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি করে গাছ লাগানোর কোন বিকল্প নেই। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাই কে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ উদ্যোগ ভাঙ্গুড়ার পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বোয়ালখালীতে ট্রেনে কাটা পড়া অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব কালুরঘাট ১২ নম্বর ব্রিজ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তার পরনে লুঙ্গি ও নীল রঙের গেঞ্জি ছিল। বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ অলক চাকমা বলেন, “ট্রেনে কাটা পড়ে লোকটির দেহ কোমর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ বছর হবে। ঘটনাটি রেলওয়ে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গোমদণ্ডী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কাঞ্চন ভট্টাচার্য বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন কালুরঘাট সেতু পার হয়ে আসার পথে এক ব্যক্তি কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। ট্রেনটি বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে গোমদণ্ডী স্টেশন ত্যাগ করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ