আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

প্রচারে প্রযুক্তির ছোঁয়ায়,চট্টগ্রামে ছাপাখানায় কোটি টাকা ব্যবসায় ধ্বস

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দুরে অবস্থিত আন্দরকিল্লার ছাপাখানা । বিগত নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগে-পরে প্রার্থীদের আনাগোনায় মুখর থাকত এই এলাকা। সর্বশেষ নির্বাচনে ও প্রার্থীদের অন্তত পাঁচ লক্ষাধিক রঙিন ব্যানার ও পোস্টার ছাপানো হয়েছে। কিন্তু এবার চিত্র ভিন্ন । নেই আগের জুলুস নেই পুরানো ব্যস্ততা, পোস্টার ছাপানোর । ছাপাখানা জনবল ও নেমে এসেছে অর্ধেকে। এক প্রকার স্থবিরতা বিরাজ করছে।

চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও অনি প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের মালিক আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে আন্দরকিল্লা এলাকার কিছু প্রেসে ব্যস্ততা আছে, তবে সেটি আগের তুলনায় ১০ ভাগের এক ভাগ ও নয়। পোস্টারে বিধিনিষেধ থাকায় প্রার্থীরা ডিজিটাল বিলবোর্ডের দিকে ঝুঁকছেন।
৩ কারণে এবার ছাপাখানা পাড়া স্থবির থাকবে বলে মনে করেন চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন এবার পোস্টার নিয়ে বিধিনিষেধ আছে। লিফলেটে ও প্রার্থীদের কঠোর হিসাব রাখতে হচ্ছে।

আন্দরকিল্লার রাজাপুকুর লেনে টিএস ভবনে আছে ডিএস প্রিন্টার্স। এর পরিচালক সুকুমার বলেন গত নির্বাচনে এই সময়ে আমার ১৫ জন স্টাফ ছিল, এখন অর্ধেক ও নেই। গতবার যে ব্যবসা করেছি, এবার তার সিকি ভাগ ও নেই।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। লিফলেট ও ব্যানারে প্রার্থী ও দলীয়প্রধান ছাড়া অন্য কারও ছবি দেওয়া যাবে না। ভোটের প্রচারে ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। সংসদীয় আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনসভায় একসঙ্গে ৩ টির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। তবে প্রথমবারের মতো সামাজিক মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেউ পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না।

গত শনিবার চট্টগ্রাম-৮ আসনের ইসলামি ফন্ট্রে প্রার্থী হাসান আযাহরি হাতে দেখা যায় লিফলেট এবং সমর্থকদের হাতে ফেস্টুন। সংশোধিত আচরণবিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী আবহ তৈরিতে পোস্টার ও মাইক আগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। এবার ব্যতিক্রম হচ্ছে। আমরা একে সাধুবাদ জানাই। একই আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন এই বিধিনিষেধকে আমি স্বাগত জানাই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আগুনে পুড়ে নিঃস্ব ৪ পরিবার, অসহায়দের পাশে উপজেলা প্রশাসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার টি অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন।শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অষ্টমনীষা ইউনিয়নের সিংগাড়ি গ্রামে। জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটি বসত ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িতে। এতে চারটি পরিবারের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, ধান, চাল, সরিষা ও নগদ অর্থ পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো-
মৃত খইমুদ্দিন সরকারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত খইমুদ্দিনের স্ত্রী সবুরা খাতুন, মৃত আজগার আলী মন্ডলের স্ত্রী শাহিদা খাতুন এবং মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।
এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় অষ্টমনীষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান জাহান বকুল, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন যুব ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ