আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রচারে প্রযুক্তির ছোঁয়ায়,চট্টগ্রামে ছাপাখানায় কোটি টাকা ব্যবসায় ধ্বস

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দুরে অবস্থিত আন্দরকিল্লার ছাপাখানা । বিগত নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগে-পরে প্রার্থীদের আনাগোনায় মুখর থাকত এই এলাকা। সর্বশেষ নির্বাচনে ও প্রার্থীদের অন্তত পাঁচ লক্ষাধিক রঙিন ব্যানার ও পোস্টার ছাপানো হয়েছে। কিন্তু এবার চিত্র ভিন্ন । নেই আগের জুলুস নেই পুরানো ব্যস্ততা, পোস্টার ছাপানোর । ছাপাখানা জনবল ও নেমে এসেছে অর্ধেকে। এক প্রকার স্থবিরতা বিরাজ করছে।

চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও অনি প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের মালিক আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে আন্দরকিল্লা এলাকার কিছু প্রেসে ব্যস্ততা আছে, তবে সেটি আগের তুলনায় ১০ ভাগের এক ভাগ ও নয়। পোস্টারে বিধিনিষেধ থাকায় প্রার্থীরা ডিজিটাল বিলবোর্ডের দিকে ঝুঁকছেন।
৩ কারণে এবার ছাপাখানা পাড়া স্থবির থাকবে বলে মনে করেন চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন এবার পোস্টার নিয়ে বিধিনিষেধ আছে। লিফলেটে ও প্রার্থীদের কঠোর হিসাব রাখতে হচ্ছে।

আন্দরকিল্লার রাজাপুকুর লেনে টিএস ভবনে আছে ডিএস প্রিন্টার্স। এর পরিচালক সুকুমার বলেন গত নির্বাচনে এই সময়ে আমার ১৫ জন স্টাফ ছিল, এখন অর্ধেক ও নেই। গতবার যে ব্যবসা করেছি, এবার তার সিকি ভাগ ও নেই।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। লিফলেট ও ব্যানারে প্রার্থী ও দলীয়প্রধান ছাড়া অন্য কারও ছবি দেওয়া যাবে না। ভোটের প্রচারে ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। সংসদীয় আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনসভায় একসঙ্গে ৩ টির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। তবে প্রথমবারের মতো সামাজিক মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেউ পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না।

গত শনিবার চট্টগ্রাম-৮ আসনের ইসলামি ফন্ট্রে প্রার্থী হাসান আযাহরি হাতে দেখা যায় লিফলেট এবং সমর্থকদের হাতে ফেস্টুন। সংশোধিত আচরণবিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী আবহ তৈরিতে পোস্টার ও মাইক আগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। এবার ব্যতিক্রম হচ্ছে। আমরা একে সাধুবাদ জানাই। একই আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন এই বিধিনিষেধকে আমি স্বাগত জানাই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কর্ণফুলী টানেলে সড়ক দুর্ঘটনায় আরও এক আনসার সদস্যের মৃত্যু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল সড়কে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত আনসার সদস্যদের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল দুইজনে। শুক্রবার রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনসার সদস্য সুলতান মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহিনীর উপপরিচালক মো. আশিকউজ্জামান।এর আগে একই দুর্ঘটনায় আনসার সদস্য মো. আব্দুল জব্বার ঘটনাস্থলেই ইন্তেকাল করেন।

মো. আশিকউজ্জামান জানান, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল সড়কের চৌরাস্তামোড় এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে মোট ২৩ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য আহত হন।আহতদের মধ্যে ১৫ জনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ছাড়পত্র দিয়েছে।

বর্তমানে চিকিৎসাধীন সদস্যদের একজন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন, একজন (গাড়িচালক) হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভর্তি, তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের সিএমএইচে রেফার্ড করা হয়েছে। এছাড়া একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ চিকিৎসা-সহায়তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বৈরাচার ও তার দোসরদের নির্দেশে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে স্থাপিত নামফলকটি উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছেন আওয়ামী দলকানা নামধারী সাংবাদিকরা। এর ফলে নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা। এসব সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও স্বৈরাচারের মন জয় করতে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভিআইপ লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এসব তথ্য জানান। এসময় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নামফলকটি আগের স্থানে যথাযতভাবে স্থাপন করা হবে বলে উল্লেখ করেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি গত ১০ ডিসেম্বর’২০২৬ ইং ২০২৬-২০২৭ সেশনের জন্য প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর জানতে পারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অডিটরিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মানকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেকসহ সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানের ছবি তোলেন তৎকালীন নামকরা সাংবাদিক ও পরবর্তীতে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর। তখন থেকেই সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্বোধনের ভিত্তিপ্রস্তর ফলকটি ক্লাবের সামনের দেয়ালে খোদাই করে লাগানো ছিল। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আগমনের সময় উক্ত ভিত্তিপ্রস্তরটি খুলে ফেলা হয় বলে জানা যায়। এরপর থেকে ভিত্তিপ্রস্তরটি কোথায় ছিল কেউ বলতে পারছিলেন না। বিগত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির নেতাদের কাছে এ সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা আমাদেরকে আওয়ামী সরকার বিরোধী আখ্যায়িত করে হুমকি ধামকি দেন।

এতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকতার প্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী ছিলেন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল অবদান রাখেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া সাংবাদিকদের সার্বিক কল্যাণ চাইতেন। বিদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে গেলে তিনি চট্টগ্রামের সংবাদপত্র, সম্পাদক ও সাংবাদিকদের দু-তিনজন প্রতিনিধি সব সময় সঙ্গে নিয়ে যেতেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে শহীদ জিয়া আর্থিক সমর্থন দিয়েছেন। শেরশাহ কলোনীতে সাংবাদিকদের জন্য জমি প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক কমিটির কর্মকর্তারা মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ফলকটি ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে তারা চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে এই ইতিহাস মুছে দেয়ার এই অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও তাদের মন জয় করতে ওইসব নামধারী সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নেয়। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে। তারা প্রকৃত ইতিহাস মুছে দিতে চেয়েছিল।

আমরা অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি, ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অডিটরিয়ামের যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তার হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠান তিলে তিলে গড়ে ওঠে। কালক্রমে আওয়ামী দলকানারা সেটি মুছে দেয়। নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা।

নেতৃবৃন্দরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন সময়ে ক্লাবের দেয়ালে সাটানো ভিত্তিপ্রস্তরগুলোর উদ্ধারের জন্য বর্তমান কমিটি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ০৫/০২/২০২৬ ইং প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাতসহ কমিটির কর্মকর্তারা প্রেসক্লাবের আন্ডারগ্রাইন্ডে গোডাউন পরিদর্শনে গিয়ে নোংরা ও ময়লাযুক্ত পরিবেশে জিয়াউর রহমানের ভিত্তিপ্রস্তরটি খুজে পেয়ে উদ্ধার করে। ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে নামফলকটিতে সযত্নে ক্লাবের অফিসে রাখা হয়েছে।

প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্যদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলা ১১ ফাল্গুন ১৩৮৪ (শুক্রবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইতিহাসের অংশ এই নামফলকটি এক সময় প্রেসক্লাবের সামনেই ওয়ালে সাটানো ছিল। কারা এটি সরালো? কোন উদ্দেশ্যে? ঐতিহাসিক এই নিদর্শন সরিয়ে ফেলার হোতাদের বিরুদ্ধে কি করা যায়?

তবে আইনেও এ ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তির বিধানের কথা উল্লেখ আছে। ভিত্তিপ্রস্তর বা এ ধরনের স্থাপনার ফলক সরিয়ে ফেলা, ভাঙা বা বিকৃত করা আইনত গুরুতর অপরাধ, যা সাধারণত সম্পত্তি বিনষ্ট (Criminal Trespass/Mischief) হিসেবে গণ্য হয়। এর শাস্তি হিসেবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে। এই ভিত্তিপ্রস্তরটি কারা ক্লাবের দেয়াল থেকে সরিয়ে নিল এবং কারা এই ঘটনায় জড়িত তা নির্নয় করা প্রয়োজন বলে জানান নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনের এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ও ওসমান গণি মনসুর, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও রফিকুল ইসলাম সেলিম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ