আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

পাবনা-৩ আসনের দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ভাইয়ের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা-০৩ আসনে দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি সহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ভাইয়ের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ আফজাল হোসেন এর সভাপতিত্বে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলতাব হোসেন খান এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি পাবনা-০৩ এলাকার ধানের শীষ প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষি দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন তার বক্তব্য বলেন-জনগণের ভাগ্য বদলের জন্য ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের ভোট চাইলেন আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ “১২ ফেব্রুয়ারি’র নির্বাচনে”

আজ সোমবার(২ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচন মতবিনিময় সভায় বক্তব্যের মাধ্যমে এই কথা তিনি তুলে ধরে সাধারণ জনগণের কাছে ধানের শীষ প্রতীকের ভোট প্রার্থনা করেন।

কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, ‘দেশকে যদি বাঁচাতে হয় ইনশাল্লাহ আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচনে এই দেশের বহু মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে বহু মানুষ গুমগুনের শিকার হয়েছে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে যদি আমরা দেশে গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই একই সাথে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চাই তাহলে কোথায় সিল মারতে হবে? অবশ্যই ধানের শীষ প্রতীকে আমাদেরকে সিল মারতে হবে।’ কারণ ধানের শীষ প্রতীক হলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার দল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি।

‘দেশ পূনর্গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে’ ৭০,পাবনা-০৩ আসনের (ভাঙ্গুড়া,চাটমোহর ও ফরিদপুর) বাসীর প্রতি আহ্বান জানান পাবনা-০৩ এলাকার ধানের শীষ প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষি দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করতে হবে, দেশে মানুষের কথা বলার অধিকার দিতে হবে। একমাত্র এই নিশ্চয়তা দিতে পারে কে? কোন দল? একমাত্র ধানের শীষ প্রতীকই দিতে পারে এই নিশ্চয়তা।
এখানে অনেক বয়সক্য, মুরুব্বি মানুষ উপস্থিত আছেন। মুরুব্বীরা সাক্ষী আছেন, যখনই ধানের শীষ দেশ পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তখনই পৌরসভার ইলেকশন হোক, ইউনিয়ন পরিষদের ইলেকশন হোক আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ঠিকঠাক ভাবে ইলেকশন হয়েছে। যখন ধানের শীষ ক্ষমতায় ছিল প্রত্যেকটা মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, সরকারের সমালোচনা করতে পেরেছে। যদি কোন ভুল হয়ে থাকে সরকারকে বলতে হয়েছে। কোন মানুষ গুমের শিকার হয়নি, খুনের শিকার হয় নাই।’

তিনি তার বক্তব্যে দেশের উন্নয়নে তার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ মোঃ মজিবর রহমান, বিএনপির আহবায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আব্দুল আজিজ প্রমূখ।

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ রাজিউল হাসান বাবু,উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক মোঃ জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল মতিন রাজু,সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ জোছনা খাতুন,যুব দলের আহবায়ক মোঃ ফরিদুল ইসলাম, সাবেক ভিপি মোঃ ফিরোজ আহমেদ,কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির,বিএনপি নেতা মোঃ করিম সরদার, মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, দিলপাশার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সজীব খান,সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আব্দুল হাই,সদস্য হুমায়ুন কবির সরদার সহ দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সকল নেতাকর্মীবৃন্দ।
কোরআন তেলওয়াত করেন মাওলানা মোঃ আলতাব হোসেন প্রামানিক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ