পাবনা-৩ আসনের দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ভাইয়ের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা-০৩ আসনে দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি সহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ভাইয়ের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ আফজাল হোসেন এর সভাপতিত্বে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলতাব হোসেন খান এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি পাবনা-০৩ এলাকার ধানের শীষ প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষি দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন তার বক্তব্য বলেন-জনগণের ভাগ্য বদলের জন্য ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের ভোট চাইলেন আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ “১২ ফেব্রুয়ারি’র নির্বাচনে”

আজ সোমবার(২ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচন মতবিনিময় সভায় বক্তব্যের মাধ্যমে এই কথা তিনি তুলে ধরে সাধারণ জনগণের কাছে ধানের শীষ প্রতীকের ভোট প্রার্থনা করেন।

কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, ‘দেশকে যদি বাঁচাতে হয় ইনশাল্লাহ আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচনে এই দেশের বহু মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে বহু মানুষ গুমগুনের শিকার হয়েছে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে যদি আমরা দেশে গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই একই সাথে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চাই তাহলে কোথায় সিল মারতে হবে? অবশ্যই ধানের শীষ প্রতীকে আমাদেরকে সিল মারতে হবে।’ কারণ ধানের শীষ প্রতীক হলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার দল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি।

‘দেশ পূনর্গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে’ ৭০,পাবনা-০৩ আসনের (ভাঙ্গুড়া,চাটমোহর ও ফরিদপুর) বাসীর প্রতি আহ্বান জানান পাবনা-০৩ এলাকার ধানের শীষ প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষি দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করতে হবে, দেশে মানুষের কথা বলার অধিকার দিতে হবে। একমাত্র এই নিশ্চয়তা দিতে পারে কে? কোন দল? একমাত্র ধানের শীষ প্রতীকই দিতে পারে এই নিশ্চয়তা।
এখানে অনেক বয়সক্য, মুরুব্বি মানুষ উপস্থিত আছেন। মুরুব্বীরা সাক্ষী আছেন, যখনই ধানের শীষ দেশ পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তখনই পৌরসভার ইলেকশন হোক, ইউনিয়ন পরিষদের ইলেকশন হোক আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ঠিকঠাক ভাবে ইলেকশন হয়েছে। যখন ধানের শীষ ক্ষমতায় ছিল প্রত্যেকটা মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, সরকারের সমালোচনা করতে পেরেছে। যদি কোন ভুল হয়ে থাকে সরকারকে বলতে হয়েছে। কোন মানুষ গুমের শিকার হয়নি, খুনের শিকার হয় নাই।’

তিনি তার বক্তব্যে দেশের উন্নয়নে তার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ মোঃ মজিবর রহমান, বিএনপির আহবায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আব্দুল আজিজ প্রমূখ।

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ রাজিউল হাসান বাবু,উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক মোঃ জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল মতিন রাজু,সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ জোছনা খাতুন,যুব দলের আহবায়ক মোঃ ফরিদুল ইসলাম, সাবেক ভিপি মোঃ ফিরোজ আহমেদ,কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির,বিএনপি নেতা মোঃ করিম সরদার, মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, দিলপাশার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সজীব খান,সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আব্দুল হাই,সদস্য হুমায়ুন কবির সরদার সহ দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সকল নেতাকর্মীবৃন্দ।
কোরআন তেলওয়াত করেন মাওলানা মোঃ আলতাব হোসেন প্রামানিক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস গণতন্ত্র, অধিকার ও ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের এক গৌরবময় স্মারক দিপ্তী-শাহেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আমাদের গণতন্ত্র, অধিকার ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের একটি গৌরবময় স্মারক। আগামী ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন র‌্যালির মাধ্যমে আমরা সেই সব শহীদ ও আহত সংগ্রামীদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই, যাদের আত্মত্যাগে দেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছে।

তিনি আজ ০৩ আগস্ট সোমবার বিকালে কাজীর দেউরীস্থ নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয় সম্মুখ মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আগামীকাল ৪ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের র‌্যালি ও ১৪ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে মহানগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিজ্ঞতা করছে শহীদের স্বপ্নে বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কেবল একটি স্মরণীয় দিন নয়, এটি অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে তরুণদের সাহসী অবস্থানের প্রতীক। আগামী কালকের র‌্যালি থেকে আমরা দেশের যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং দেশ গঠনে ইতবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই। তিনি আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ যেন কখনো বৃথা না যায়, সে লক্ষ্যে আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায় বিচার এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাব। নগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট সফল করার লক্ষ্যে যুবদল সার্বিক শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করবে।

প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ মুসা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, মুজিবুর রহমান, জসিমুল ইসলাম কিশোর, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, রাশেদুল হাসান লেবু, এরশাদ হোসেন, সেলিম উদ্দিন রাসেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, মোরশেদ আলম, রাজন খাঁন, তানভীর মল্লিক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাঁচা, ওসমান গনি সিকদার, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মহিউদ্দিন মুকুল,

এস এম বখতিয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ ইকবাল, আসাদুজ্জামান রুবেল, সাবেক সহ- সম্পাদকবৃন্দ আতিকুর রহমান, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, কোরবান আলী, শাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জিয়াউল হক মিন্টু, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ হাসান, আবুল কালাম, মনজুর আলম মনজু, মিজানুর রহমান দুলাল, হোসেন জামান, ইয়াছিন আজাদ, আবদুল্লাহ আল জিতু, মোহাম্মদ জসিম, সাবেক সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, কলিম উল্লাহ, প্রফেসর সাইদুল হক সিকদার, শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আজম, মোশাররফ আমীন , বজল আহমেদ, কুতুবউদ্দিন কুতুব, মোহাম্মদ সেলিম, সাবেক সদস্য সচিব শেখ রাসেল, মোহাম্মদ হাসান, শওকত খান রাজু, মোহাম্মদ মুসা, মোরশেদ কামাল, আশিক মল্লিক আরসি, মনজুর আলম মনজু, মোহাম্মদ সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আকতার, এস এম আলী, আবু বক্কর বাবু, সাইফুল আলম, জহিরুল ইসলাম, মাসুদ আলম, জাহাঙ্গীর আলম বাবলু প্রমুখ।

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ