আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ -এর আওতায় ১৬টি সংসদীয় আসনে ২৫টি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করছে। এ প্রেক্ষিতে আজ বুধবার (০৪-০২-২৬) নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান কুতুবদিয়া ও সন্দ্বীপ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে নৌবাহিনী প্রধান নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নৌ কন্টিনজেন্টের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।


কুতুবদিয়া ও সন্দ্বীপ পরিদর্শনকালে নৌবাহিনী প্রধান অসামরিক প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, আঞ্চললি সমন্বয়ক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা, উপজেলা আনসার কর্মকর্তা, অধিনায়ক র‍্যাব-১৫ , কন্টিনজেন্ট কমান্ডার নৌবাহিনী এবং নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়কালে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়।

সাধারণ জনগণ যেন কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন কারার নির্দেশনা দেন। এছাড়াও, পরিদর্শনকালে তিনি নৌবাহিনী কন্টিনজেন্টর সার্বিক কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন্স এলাকায় নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক বোটের ব্যবস্থা রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে স্বার্থান্বেষী মহলের যে-কোনো তৎপরতা, সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যক ড্রোন এবং বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাসমূহে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে বিশেষ অভিযানের পাশাপাশি নৌবাহিনী নিয়মিত টহল ও ফুট পেট্রোলিং পরিচালনা করছে।

যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) এবং সোয়াডস্ টিম সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত নৌবাহিনী। দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাসমূহে ভোটারগণের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বদ্ধ পরিকর।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ