আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

ধানের শীষে ভোট দিন গণতন্ত্র ন্যায় ও মানুষের অধিকার রক্ষায় – মুহাম্মদ শাহেদ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেছেন, আজ আমরা এক ঐতিহাসিক সময়ের মুখোমুখি। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হারানো গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের একটি সিদ্ধান্তই নতুন বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবেন।

ধানের শীষ কোনো একক দলের প্রতীক নয়, ধানের শীষ হলো খেঁটে খাওয়া মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, যুবক ও সাধারণ মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক। তিনি আজ ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম-৫ সংসদীয় আসন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের ধানের শীষের সমর্থনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির অন্তর্গত ৪৪নং সাংগঠনিক ওয়ার্ডের কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে গুপ্ত রাজনীতি আর চলবে না। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১দফার আলোকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ চলবে। একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসার জন্য দেশের জনগণের সাথে তামাশায় লিপ্ত। স্বাধীনতার ঘোষক হতে শুরু করে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে চলছে।

এদেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন। ফ্যাসিস্ট পলাতক খুনী হাসিনাও সকাল বিকাল এমন মিথ্যা অপপ্রচার চালাতো। চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এ এলাকার কৃতী সন্তান, সুখে দুঃখে আপনাদের পাশে সবসময়ে থাকবেন। আপনাদের একটি ভোট ধানের শীষে পড়লে, তাহা হবে অন্যায় অবিচার মিথ্যা প্রপাগান্ডা’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, হবে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান। গণতন্ত্র ন্যায় ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিন।

গণসংযোগকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার সেক্রেটারি শাহ আলম কন্ট্রাক্টর, ৪৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মামুন আলম, আলমগীর শিকদার, আলহাজ্ব দিদারুল আলম, মোঃ মূসা, মোঃ আবু কন্ট্রাক্টর, সাইফুদ্দীন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মো: মহসীন, মহানগর যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, সাবেক সহ-সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মহানগর যুবদলের সাবেক সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, প্রফেসর সাঈদুল হক সিকদার, থানা যুবদলের শাহ আলম, শাহাবুদ্দিন, শফিউল বাশার শামু, অমিত হাসান, মনির হোসেন, থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আকিব, জয়নাল, রাকিব, নাবিদ, মেহেদী, ইমন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ