আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

আমরা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব ঃ জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স সংলগ্ন রেল স্টেশনের বাউন্ডারির ভিতর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ, সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবীর ভূঁইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি), জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন ও সিএমপি’র ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, পিএসসি। ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ বিভাগসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মর্কতা-কর্মচারীরা দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

এসময় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ২০২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ৯ জন শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন অনেকে। তাঁদের অবদান আমরা কখনো ভূলতে পারবো না। নির্বাচনের এ সময়ে কোন স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের প্রোগ্রাম আমাদের নেই। এর পরও আমরা শুধুমাত্র জুলাই অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং তাঁরা যাতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ দেখতে পায় সে লক্ষ্যে রেল স্টেশনের বাউন্ডারির ভিতরেই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন উপলক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছি। আমরা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

তিনি বলেন, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের স্মৃতি। এটির রক্ষণাবেক্ষন ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। সে দিন যারা শহীদ হয়েছে, নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে, তাদের স্মৃতি যে কোনভাবে আমরা ধরে রাখবো। আমাদের শহীদ পরিবারের সন্তানেরা সেদিন যে উদ্দেশ্যে শহীদ হয়েছিল সে উদ্দেশ্যে আমরা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ