আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

সম্প্রীতি ও উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে সাঈদ আল নোমান: নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম ১০ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মুরাদপুর এলাকায় আয়োজিত সনাতনী সম্প্রদায়ের ভোটারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি তার নির্বাচনী পরিকল্পনার পাশাপাশি এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যার কথা তুলে ধরেন।


বক্তব্যের শুরুতেই সাইদ আল নোমান সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে তার পরিবারের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমার বাবা আসকার দিঘীর দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের একমাত্র মুসলিম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমিও ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে এই সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করে আসছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো ধর্মীয় বৈষম্য নয় বরং সবার অংশগ্রহণেই একটি উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভোট দেওয়া আপনাদের নাগরিক অধিকার। প্রশাসন থেকে সকল ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আপনারা সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।

​এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি রাস্তাঘাট সংস্কার, পানির সমস্যা সমাধান এবং কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর অবস্থানের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য।

​অনুষ্ঠানে স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা সাইদ আল নোমানের এই সময়োচিত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানান।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ