আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

ভোটাররা চারটি পদ্ধতিতে নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে পারবেন।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণভোট ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জানার সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্ভুলভাবে ও দ্রুত পৌঁছে দিতে অ্যাপ, হটলাইন, এসএমএস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- ভোটাররা নিম্নোক্ত চারটি পদ্ধতির যেকোনো একটি ব্যবহার করে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে পারবেন—

১. স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা Play Store বা App Store থেকে ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ ডাউনলোড করে তথ্য জানতে পারবেন। অ্যাপটি ইনস্টল করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোট কেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রদান করলে ভোটার নম্বর, ক্রমিক নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা দেখা যাবে।

২. হটলাইন সেবা যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে সরাসরি ১০৫ নম্বরে কল করে অপারেটরের মাধ্যমে তথ্য জানা যাবে। কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এ সময় এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ জানাতে হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই সেবা চালু থাকবে।

৩. এসএমএস পদ্ধতি মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC <স্পেস> NID নম্বর এই ফরম্যাটে লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে সংশ্লিষ্ট ভোটারের ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে।

৪. নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে ক্লিক করতে হবে। এখানে নির্বাচনি এলাকা ও উপজেলা নির্বাচন করে কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে। পাশাপাশি এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে ব্যক্তিগত ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে।
নির্বাচন কমিশন ভোটারদের আগেভাগে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন- ১৯৭১ সালের ৩৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। “গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে আমি সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত ও নৃশংসতম গণহত্যার দিন। এ কালো রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী “অপারেশন সার্চলাইট”-এর নামে বাংলাদেশের নিরস্ত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের উপর ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা চালায়। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও নিরপরাধ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। সুপরিকল্পিত এ হত্যাযজ্ঞ কেন প্রতিরোধ করা গেলো না- এ ব্যাপারে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃশ্যমান ভূমিকা এখনো ইতিহাসের গবেষণার বিষয়। তবে ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে ‘উই রিভোল্ট’ বলে গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধ করে গড়ে তুলে চট্টগ্রামের ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। গণহত্যা প্রতিরোধের মধ্য দিয়েই শুরু হয়ে যায় দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার মূল্য ও তাৎপর্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হলে ২৫ মার্চের গণহত্যা দিবস সম্পর্কেও জানা জরুরি। আসুন, আমরা সবাই রাষ্ট্র ও সমাজে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা সামাজিক সুবিচার, প্রতিষ্ঠা করে শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করি। একটি ন্যায়ভিত্তিক উন্নত সমৃদ্ধ স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
তিনি সব শহিদের বিদেহী আত্মাকে মাগফিরাত দান করেন। ‘গণহত্যা দিবস” উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সফলতাও কামনা করেন।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ) উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্মসূচির প্রথম দিন ২৫ মার্চ বিকাল ৩টায় রয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর, জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখবেন।

২৬ মার্চ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সংগঠনের সর্বস্তরের জন্য আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে, ২৬ মার্চ সকালে জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান এমপি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ