আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কন্ট্রোল রুম।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে স্থাপিত ‘অপারেশন্স কমান্ড ও কন্ট্রোল রুম’ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি ও নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে একটি সমন্বিত অপারেশন্স কমান্ড ও কন্ট্রোল কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। এখানে বডিওর্ন ক্যামেরা ওয়ার্ক স্টেশন, লাইভ লোকেশন মনিটরিং সিস্টেম এবং ডিজিটাল অপারেশনাল ম্যাপের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচনকালীন দায়িত্বে থাকা ১১৯টি মোবাইল টিম ও ৩০টি স্ট্রাইকিং পার্টিকে এই কন্ট্রোল রুমের আওতায় কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলার ১৭টি থানার সব ওসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রিয়েল-টাইমে টিমগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অবস্থিত কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. আহসান হাবীব পলাশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমেদ।

এছাড়া ওই কন্ট্রোল রুমে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের ব্যবহৃত ৪৬৯টি বডিওর্ন ক্যামেরা অনলাইনে সংযুক্ত রয়েছে। কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি এসব ক্যামেরার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

ডিজিটাল অপারেশনাল ম্যাপে জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের মোট ১ হাজার ৩৫৮টি ভোটকেন্দ্রের অবস্থান (লাল, হলুদ ও সবুজ শ্রেণি) চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে ভোটকেন্দ্রের নাম, অবস্থান, ঝুঁকির মাত্রা, প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট থানার দূরত্বের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগে ওয়াকিটকি সাব-স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিমের লাইভ লোকেশন পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। জরুরি সমন্বয়ের জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার, জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল জানান, আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় কন্ট্রোল রুম থেকে নির্বাচন কার্যক্রম কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের তাঁত শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে: ফখরুল কন্যা ডক্টর শামারুহ মির্জা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বড়গাঁও ইউনিয়নের কেশুর বাড়ী এলাকায় তাঁতিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও তাঁতশিল্প পরিদর্শন করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর বড় কন্যা ডক্টর শামারুহ মির্জা। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি সেখানে যান এবং স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের খোঁজখবর নেন।

এসময় তিনি তাঁতিদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের এলাকায় ব্র্যাক থেকে লোকজন এসে তাঁতশিল্প নিয়ে আলোচনা করেছে। আড়ংয়ের মাধ্যমে তাঁতজাত পণ্য বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আধুনিক ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে সহযোগিতা করা হবে। বিষয়টি নিয়ে ব্র্যাক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি এবং আপনাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আপনারা আমার আব্বাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের যেকোনো সমস্যা হলে ইউনিয়নের নেতাদের মাধ্যমে জানাবেন, সব কথা আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে। তাঁতশিল্প যেন আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই।

কথা বলার পর ড. শামারুহ মির্জা স্থানীয় তাঁতশিল্প ঘুরে দেখেন এবং তাঁতিদের তৈরি কম্বল ক্রয় করেন। তাঁর এই উদ্যোগে স্থানীয় তাঁতিদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়।
স্থানীয় তাঁতশিল্পী শ্যামলি রানী বলেন, একসময় এই এলাকায় তাঁতশিল্প খুব জনপ্রিয় ছিল। এখন অনেক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে। কাজ না থাকায় মানুষ মাঠে-ঘাটে শ্রমিকের কাজ করতে যাচ্ছে। যদি আবার এই শিল্প চালু হয়, তাহলে গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে এবং আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁতের সুতা এখন অনেক দূর থেকে সংগ্রহ করতে হয়, দামও অনেক বেশি। ফলে খরচ বাড়ছে কিন্তু লাভ কমে যাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই শিল্প আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে

স্থানীয়দের দাবি, একসময় কেশুর বাড়ী এলাকার শতাধিক পরিবার তাঁতশিল্পের সঙ্গে জড়িত থাকলেও অবহেলা, কাঁচামালের সংকট ও বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে ধীরে ধীরে এ শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে অনেক তাঁত অচল হয়ে পড়ে আছে। এমন পরিস্থিতিতে ড. শামারুহ মির্জার এই সফর ও সহযোগিতার আশ্বাস নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন তাঁতশিল্পীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ আশরাফুল হক, ৪নং বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাহিন আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রমজান আলীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বোয়ালখালী হারগাজী খাল ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী আহলা (ধলঘাট) গ্রামে অবস্থিত হারগাজী খাল পানির স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়া ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ জিও ব্যাগ ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। দীর্ঘদিনের খাল ভাঙনের আতঙ্কে থাকা স্থানীয়রা এখন আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। চট্টগ্রাম-৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দের কাজ আহলা গ্রামে ৯নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আহলা শ্রী শ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির থেকে লোকনাথ মন্দির পর্যন্ত প্রায় হাফ কিলো. ১০ ফুট পাকা রাস্তা ও ২১০ মিটার খাল ভাঙ্গন রোধে তীর সংরক্ষণের কাজ এখন শেষের পথে।

১০ নং আহলা করলডেঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান ও ইউপি সদস্য হারুনুর রশীদ চৌধুরী কাজের গুণগত মান ও সময়সীমা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করছে। হামিদুল হক মান্নান এর সার্বিক সহযোগিতায় রাস্তার উন্নয়নের কাজ এখন দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। জানা গেছে, হারগাজী খাল ভাঙ্গন তীরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন প্রতিরোধে তীর সংরক্ষণ জিও ব্যাগ এর কাজ শেষ হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর ধরে খাল ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তা বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। এবার তীর সংরক্ষণ ও রাস্তার উন্নয়ন কাজের ফলে এলাকার মানুষ ভাঙনের ভয় কাটিয়ে স্বত্বি ফিরে পেয়েছে। এতে এলাকাবাসী চেয়ারম্যান মহোদয়কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে তিন ইউনিয়নের ৮ গ্রামের লাখো মানুষ যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। বোয়ালখালী ও আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের ভাঙন ঝুঁকি স্থায়ীভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাজ শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এবং ২০২৬ সালের জুন মাসে সমাপ্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, হারগেজী খালের ভাঙনে জিও ব্যাগ ও ইট বিছানোর গ্রামীণ সড়কটি প্রায়ই শেষের পথে। ১০নং আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হামিদুল হক মন্নান বলেন, হারগেজী খালের ভাঙ্গন ও রাস্তার কাজ সম্পন্ন হলে ৯নং ওয়ার্ড ও ১ লাখ বাসিন্দা এখন সুফল পাবে। এখন আর কোন কাঁদা মাটি থাকবে ন, যাতায়ত ব্যবস্থা ও ভালো হবে। বতর্মান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে রাস্তা উন্নয়ন এবং খাল রক্ষার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও প্রকল্প গ্রহণ করেছে তারই ধারাবাহিকতায় আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ