আজঃ বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শার্শা সিমান্তে বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার।

ইয়ানূর রহমান :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরের শার্শা সিমান্তে বিশেষ অভিযানে ১ টি এমএম পিস্তল, ১ টি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি ও ৪০ বোতল ভারতীয় এস্কার্প সিরাপ উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা।

বিজিবি জানায়, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১ টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কায়বা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে দুষ্কৃতিকারী অস্ত্রসহ ভারত হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে, এ সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান এর নেতৃত্বে কায়বা বিওপি’র টহল দল সীমান্ত পিলার ১৭/৭ এস এর ১৮ আর পিলার হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কায়বা গ্রামস্থ দাদখালী নামক স্থানে পাকা রাস্তার পার্শ্বে গোপনীয়তার সাথে অবস্থান নেয়। বিজিবি টহল দল ভারত হতে ইছামতি নদী পার হয়ে কায়বা অভিমুখে এক জন ব্যক্তিকে আসতে দেখে এবং টহল দলের নিকটবর্তী আসলে তাকে থামতে বলে।

উক্ত ব্যক্তি না থেমে তার সাথে থাকা একটি ব্যাগ ফেলে দৌড়ে ইছামতি নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং নদী সাঁতরে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশী করে ১টি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ১ টি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি এবং ৪০ বোতল ভারতীয় এস্কার্প সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বাসের এসি বক্সে মিলল ইয়াবা, যুবক গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ নুরুল কবির (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।বাকলিয়া থানা এলাকায় সোমবার ভোরে নতুন ব্রিজ গোলচত্বরে অস্থায়ী চেকপোস্টে তল্লাশির সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।নুরুল কবির (৩৫), কক্সবাজার জেলার মহেশখালী থানার বড় মহেশখালী জাগিরা ঘোনা নতুনবাজার লম্বা কবিরের বাড়ির শফিউল আলমের ছেলে।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, নগরের নতুন ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়।এ সময় ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে ‘সেন্টমার্টিন আব্দুল্লাহ’ নামের একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসে তল্লাশি করে সিটের উপরের এসি বক্সের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জড়িত থাকার অভিযোগে নুরুল কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বাকলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফতার – ৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে অভিযান চালিয়ে দেড় কোটি টাকার ইয়াবা ও ৩টি মোটরসাইকেলসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭। নগরীর হালিশহর থানাধীন চুনা ফ্যাক্টরি মোড় এলাকা থেকে শনিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো, কক্সবাজারের আব্দুর রশিদ (৪০) ও মো. সালাউদ্দিন কাদের (২৫), চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ের কামরুল হক চৌধুরী (৩৫), সন্দীপের মো. শাহনেওয়াজ সাজু (২৯) এবং সাতকানিয়ার শাখাওয়াত হোসেন (২০)।

র‌্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল হালিশহর থানাধীন চুনা ফ্যাক্টরি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পাঁচ জন ব্যক্তি তিনটি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের সাথে থাকা দুটি শপিং ব্যাগের ভেতরে বিশেষ কৌশলে রাখা ২৪৫টি পলি জিপার প্যাকেট থেকে মোট ৪৯ হাজার ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার এই ইয়াবার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। গ্রেফতার আসামিরা ও উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো হালিশহর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

গ্রীন পোর্ট হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর, এটা বড় ধরনের মাইলফলক : চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর গ্রীন পোর্ট হবে, এটা বড় ধরনের মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর ভবনের বোর্ড রুমে পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো উদ্বোধনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এনবিআর, কাস্টমস ও পোর্ট সংক্রান্ত সব সেবার জন্য পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই) চালু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, বন্দরের অটোমেশনের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করছি।

চুয়েট অত্যন্ত সহযোগিতা করেছে।পুরো টিম এ জটিল কাজটি সময়মতো সুচারুরূপে করতে সক্ষম হয়েছে। এ জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, বর্তমানে পৃথিবীর সব পোর্ট ডিজিটাল, অটোমেটেড হয়ে যাচ্ছে। ডিজিটাল করিডোরে যে ট্রানজেকশন হচ্ছে লজিস্টিক সেক্টরে সেটি থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে ছিলাম।
অনেকে বলে আমাদের তো টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম আছে, এনবিআরের অ্যাসাইকুডা সিস্টেম আছে। কিন্তু প্র্যাক্টিক্যালি আমাদের পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো ছিল না।একটা ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো হচ্ছে পুরো দেশের জন্য। সেটি এনবিআর করছে।

বন্দর চেয়ারম্যানবলেন,আরেকটি মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো হচ্ছে। ডিজি শিপিং করছে। আমরা যেটি করেছি সেটি হচ্ছে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম। এখানে সব সংস্থা সংযুক্ত। এক প্লাটফর্মে এসেছে।আগে যে কাজগুলো ফিজিক্যালি করতে হতো, টেবিলে, ডেস্কে, কাস্টমস, ব্যাংক, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডের কাছে যেতে হতো এখন এই কাজগুলো ডিজিটাল প্লাটফর্মে হচ্ছে। যার ফলে আগে যে কাজে পাঁচ দিন লাগত এখন তা আধঘণ্টায় হবে। এতে আমাদের সময় বেঁচে যাবে, ফার্স্ট হবে, কার্গো, ডেলিভারি, জাহাজের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম অনেক কমে আসবে। এতে আমাদের মুভমেন্ট কমে যাবে।

গ্রীন পোর্ট হবে। এটা বড় ধরনের মাইলফলক। সারা পৃথিবী জেনে যাবে আমাদের চট্টগ্রাম পোর্ট ডিজিটাল পোর্ট হয়ে গেল এবং আন্তর্জাতিক মানের প্লাটফর্মে, ডিজিটাল মেরিটাইম লজিস্টিক করিডোরে আমরা ডাইরেক্ট কানেক্টেড হলাম। কাস্টমসের ইজিএম, আইজিএম কাজগুলো এটার মাধ্যমে করা যাবে। প্রিঅ্যারাইভাল প্রসিডিওর হবে।

তিনি বলেন,আগে আমদানি পণ্য দেশে আনার পর ডেলিভারি প্রক্রিয়া শুরু হতো। কাস্টমস ফরমালিটি, গেটপাস করে ডেলিভারি হতো। এখন লোড পোর্ট থেকে অনলাইন প্লাটফর্মে হবে। আর কোনো টেনশন থাকলো না। ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন যেখান থেকে ইচ্ছে কাজগুলো করা যাবে। আমাদের অফিশিয়াল ফাংশন হবে ডিজিটাল। আমরা পেপারলেস হয়ে যাব। আমি বলে দিয়েছি, আমি টেবিলে পেপার দেখতে চাই না। আর কিছু দিন সময় লাগবে অভ্যস্ত হতে।

বন্দর চেয়ারম্যান আরো বলেন, নতুন সিস্টেমে অ্যাকাউন্টবিলিটি নিশ্চিত হবে। আগে অ্যাকাউন্টিবিলিটির প্রশ্ন থাকত, অনেক সময় মিস ম্যানেজমেন্ট হতো, ডেলিভারি ডিলে হতো এর কারণে ভোক্তারা অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতো। এখন আমাদের কার্গো, টার্ন অ্যারাউন্ড টাইমসহ টোটাল প্রোডাক্টিভিটি এখন যা আছে সবই বেড়ে যাবে। এ প্লাটফরম ভবিষ্যতের দ্বার খুলে দিল। যার সুফল ৫০-১০০ বছর এদেশের মানুষ পাবেন।

তিনি বলেন, পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডোর হেল্প ডেস্ক রাখব। কয়েকটা ক্যাম্পেইন করেছি। এজেন্ট ডেস্ক করেছি। এ সেবার জন্য ন্যূনতম চার্জ দিতে হবে। ঢাকা চট্টগ্রামে কল সেন্টারের মতো এজেন্ট ডেস্ক হওয়া উচিত। এ সুবিধা না থাকলে যে কাজে পাঁচ সাত দিন লাগত তা আধঘণ্টায় হয়ে যাবে। অনেক খরচ সাশ্রয় হবে। সব মিলে আমি বলবো এটি বাস্তবমুখী, যুগান্তকারী এবং ব্যবহার উপযোগী প্লাটফর্ম।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ