আজঃ বুধবার ১ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দিয়ে ভালোবাসার দিনে ফাল্গুনী সমীরণ, পাতাঝরা পলাশ আর শিমুলের ডালে ডালে যে রঙ লেগেছে, তাকে বরণ করতে দেশের পুরোধা সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ, চট্টগ্রাম আয়োজন করেছে বসন্ত উৎসব- ১৪৩২। শনিবার পহেলা ফাল্গুন নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের আঙিনায় ছিল সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা, শোভাযাত্রা, যন্ত্রসংগীতসহ নানা আয়োজন।

সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং এর যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসবের আয়োজন। বসন্তের হাওয়ায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন, মাধুরী ডান্স একাডেমির শিল্পীরা।গানে গানে দলীয় সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানান সুর পঞ্চম, আর কে মিউজিক, বাগেশ্বরী। একক গান পরিবেশন করেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ, মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়। একক আবৃত্তি করেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল, দেবাশীষ রুদ্র।ঢোলবাদনে ছিলেন দীপক ও তার দল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে হয় বসন্তকথন পর্ব। এতে অংশ নেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল, অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল।

মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনের জন্য বাঙালির এসব উৎসব-পার্বণগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সারা বছরের নানান বঞ্চনা, নানান টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে যায় এই বসন্তে।এই ফাগুনেই রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার রাজপথ। বুকের রক্তে বাঙালি রক্ষা করেছে মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি, ঋত্বিকা নন্দী, পল্লব গুপ্ত। অনুষ্ঠান শেষে বসন্ত বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভুয়া শিক্ষার্থী আটক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে(চবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী পরিচয় দেয়া এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করেছে নিরাপত্তা প্রহরীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। আটক ওই ভুয়া শিক্ষার্থীর নাম মো. উমর ফারুক (১৭)।সে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা জোবরার বাসিন্দা।এর আগে, ১৬ জানুয়ারি মোহাম্মদ আবু সাঈদ এবং গত বছরের ২ ডিসেম্বর সীমান্ত ভৌমিক নামে দুই ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।

নিরাপত্তা প্রহরীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে মোটর বাইক নিয়ে প্রবেশকালে তাকে দেখলে আমাদের সন্দেহ হয়। তখন জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট বলে পরিচয় দেয় এবং আইডি কার্ড দেখায়। আইডি কার্ড দেখে আমরা বুঝতে পারি সে আসলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী না। তখন আমরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, নিরাপত্তা প্রহরীরা উমর ফারুককে নিয়ে প্রক্টর অফিসে আসলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পারি সে শুধুমাত্র মোটরসাইকেল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের জন্যে সে এই পথ অবলম্বন করেছে। আমরা এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

উমর ফারুক অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, আমি বন্ধুদের প্ররোচনায় পরে এ কাজ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় এর ভেতরে বাইক নিয়ে ঢুকার জন্য মূলত আমি আইডি কার্ডটি বানিয়েছিলাম।

ঠাকুরগাঁওয়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ধানের সম্প্রসারণে ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ‘পুষ্টি নিরাপত্তায় জিংক ধান’ এই স্লোগান সামনে রেখে সোমবার (৩০ মার্চ) ঠাকুরগাঁও শহরের গোবিন্দনগর এলাকায় অবস্থিত ইএসডিও’র প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে প্রশিক্ষণটি প্রদান করা হয়।

আর এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট হারভেস্ট প্লাস প্রোগ্রামের রিঅ্যাক্টস- ইন প্রকল্প ও বাস্তবায়ন করে ইএসডিও।
বিশেষ এই প্রশিক্ষণ নিতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা, পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল উপজেলার ২৫ জন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মোঃ ওয়াহিদুল আমিন। এরপর বক্তব্য প্রদান করেন ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান।

উক্ত প্রশিক্ষণে প্রধান রিসোর্স পার্সন হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ মাজেদুল ইসলাম, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঠাকুরগাঁও এবং কৃষিবিদ ডক্টর মোঃ রকিবুল হাসান, সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ও হেড, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, রংপুর। হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ এর পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ মজিবর রহমান, প্রোগ্রাম ম্যানেজার, ও কৃষিবিদ মোঃ শরিফুল ইসলাম, মনিটরিং ও ইভালুএসন অফিসার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলম, প্রজেক্ট ফোকাল, রিএক্টস-ইন প্রজেক্ট, ইএসডিও, মোঃ আবু তালহা শিশির, প্রজেক্ট অফিসার, ইএসডিও সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

মানবদেহে জিংকের উপকারিতা, অভাবজনিত লক্ষণ ও জিংকের ঘাটতি মেটানোর উপায়সহ জিংক সমৃদ্ধ ধান ও গমের বিভিন্ন জাত, তাদের উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণে স্বতস্ফুর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তারা প্রশিক্ষণের এই অর্জিত জ্ঞান মাঠ পর্যায়ে সঠিক ভাবে কাজে লাগাবেন মর্মে দৃঢ়তা প্রকাশ করেন।

রিএক্টস-ইন প্রকল্পটি কানাডা সরকারের অর্থায়নে, ওয়ার্ল্ড ভিশন, হারভেস্টপ্লাস, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এবং ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় কনসোর্টিয়াম এর মাধ্যমে অন্যান্য তিনটি দেশের মতো বাংলাদেপিশের ঠাকুরগাঁও জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পের হারভেস্টপ্লাসের কার্যক্রম গুলি ইএসডিও এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। হারভেস্টপ্লাস ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ বায়োফোর্টিফাইড খাদ্যশস্যের বিকাশ ও প্রচার করে এবং বায়োফরটিফিকেশন প্রমাণ এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব প্রদান করে পুষ্টি এবং জনস্বার্থেও উন্নতি করে। হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশে জিংক ধান, জিংক গম এবং জিংক ও আয়রন মসুর এর সম্প্রসারণ এবং অভিযোজনে কাজ করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আমন মৌসুমে ব্রি ধান ৭২ ও বিনা ধান ২০ এবং বোরো মৌসুমে ব্রি ধান ৭৪, ৮৪, ১০০ ও ১০২ ধানের ব্যাপক চাষাবাদ হচ্ছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ