আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬

ভাঙ্গুড়ায় চরম অবহেলায় নিম্নবর্ণের হিন্দুদের শ্মশান -জাতি ভেদে বৈষম্যের অভিযোগ।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিয়ারপাড়া এলাকায় ডোম, মুচি ও মেথর গোত্র ভুক্ত নিম্নবর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য নির্ধারিত শ্মশানটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও জাতি ভিত্তিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্চ বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের বাধার কারণে তারা কেন্দ্রীয় শ্মশানে মরদেহ দাহের সুযোগ পান না। ফলে একই ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও মৃত্যুর পরেও মানবিক মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

সরেজমিনে দেখা যায়, দিয়ারপাড়া এলাকার শ্মশানটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে। শ্মশানের চারপাশে কোনো বাউন্ডারি ওয়াল নেই, নেই স্থায়ী দাহস্থল কিংবা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দাহস্থল জুড়ে ঝোপঝাড় ও আবর্জনা জমে রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দাহকাজ শেষে মরদেহের অবশিষ্টাংশ কিংবা মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ অনেক সময় কুকুর ও শেয়ালে টেনে নিয়ে যায়। এতে মৃতের স্বজনদের চরম মানসিক যন্ত্রণা ও অপমানের মধ্য দিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়।

ভুক্তভোগীরা পরিবার গুলো জানান, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তারা সামাজিক অবহেলা, পেশাগত বৈষম্য ও দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করে আসছেন। জীবিত অবস্থায় নানা কষ্ট সহ্য করলেও মৃত্যুর পর অন্তত সম্মানজনক ও নিরাপদ শেষকৃত্যের প্রত্যাশা করেন তারা। কিন্তু বাস্তবে সেই ন্যূনতম মানবিক অধিকারও নিশ্চিত হচ্ছে না।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, উচ্চ বর্ণের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি সামাজিক ক্ষমতা ও প্রভাব ব্যবহার করে ডোম, মুচি ও মেথর গোত্র ভুক্ত হিন্দুদের শ্মশান ব্যবহারে বাধা দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে শ্মশান উন্নয়ন কার্যক্রমেও তারা নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন।

তারা আরও জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরে নিম্ন বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের আবেদনের পর সরকারিভাবে শ্মশান উন্নয়নের জন্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই অর্থ দিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো কাজই হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার না করে একটি মহল তা আত্মসাৎ করেছে।

ভুক্তভোগী মতিলাল দাস বলেন, একই ধর্মের মানুষ হয়েও আমাদের মরদেহ উচ্চবর্ণের শ্মশানে নিতে দেওয়া হয় না। বাধ্য হয়ে এই অনিরাপদ শ্মশানেই দাহ করতে হয় যেখানে ন্যূনতম পরিবেশ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা ঝন্টু দাস বলেন, শ্মশানটি বহু বছর ধরে এমন অবস্থায় পড়ে আছে। বর্ষাকালে কাদা-পানিতে দাহকাজ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। উন্নয়নের জন্য টাকা বরাদ্দের কথা শুনলেও কোনো কাজ চোখে পড়েনি।

আরেক ভুক্তভোগী শুটকা দাস বলেন, জীবনভর অবহেলা সহ্য করেছি। মৃত্যুর পর অন্তত সম্মান পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখানেও আমাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

নিম্ন বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশানের সভাপতি রঞ্জন দাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অবহেলার মধ্যে আছি। শ্মশানে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। দাহের পর মরদেহের অবশিষ্টাংশ পশুতে টেনে নিয়ে যায়। জীবিত অবস্থায় বৈষম্য সহ্য করলেও মৃত্যুর পর অন্তত মরদেহের সম্মান চাই।

শ্মশানের সাধারণ সম্পাদক মানিক দাস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা ডোম, মুচি ও মেথর মানুষ সমাজের অবহেলিত পেশায় কাজ করে জীবন চালাই। জীবিত অবস্থায় অবহেলা সহ্য করেই বেঁচে আছি। কিন্তু মৃত্যুর পরেও যদি মরদেহের মর্যাদা না থাকে, তাহলে রাষ্ট্র ও সমাজ কিসের জন্য?

অভিযোগের বিষয়ে ভাঙ্গুড়া কেন্দ্রীয় শ্মশানের সভাপতি সংগীত কুমার পাল বলেন, মরদেহ দাহে বাধা দেওয়া হয় এমন অভিযোগ সঠিক নয়। আর ২০১৯-২০ অর্থবছরের বরাদ্দের বিষয়ে আমার কোনো কিছু জানা নেই।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। অনিয়ম বা বৈষম্যের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি: ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিয়ারপাড়া এলাকায় নিম্ন বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত শ্মশান দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও উন্নয়নহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

টাকা আত্মসাৎ করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার চট্টগ্রামে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে এই চার্জগঠন করা হয়। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন বলেন, ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে দুদকের মামলায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আগামী ৫ এপ্রিল মামলা সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত। ৮ জন আসামি হাজির ছিলেন।মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (৫৬), তার স্ত্রী ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান (৪৬), সাবেক পরিচালক আসিফুজ্জামান চৌধুরী (৪৬) ও রোকসানা জামান চৌধুরী (৫৬)।সাবেক পরিচালকদের মধ্যে আরও আছেন- বশির আহমেদ (৫৫), আফরোজা জামান (৪৮), সৈয়দ কামরুজ্জামান (৬১), মো. শাহ আলম (৬২), মো. জোনাইদ শফিক (৬৪), অপরূপ চৌধুরী (৬৫), তৌহিদ সিপার রফিকুজ্জামান (৬৬), ইউনুছ আহমদ (৭৯), হাজী আবু কালাম (৭৯), নুরুল ইসলাম চৌধুরী (৬২) এবং সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর (৭৭) ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরী (৬৪)।ব্যাংকটির সাবেক

কর্মকর্তাদের মধ্যে আছেন- মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ (৫১), আবদুল হামিদ চৌধুরী (৫০), আবদুর রউফ চৌধুরী, জিয়াউল করিম খান (৪৬), মীর মেসবাহ উদ্দীন হোসাইন (৬২) ও বজল আহমেদ বাবুল (৫৬)। জাবেদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা হলেন- মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরী (৫১), মোহাম্মদ মিছবাহুল আলম (৫০), আব্দুল আজিজ (৩৯), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (৫৪), মোহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী (৪৮), ইয়াছিনুর রহমান (৪৩), ইউছুফ চৌধুরী (৪৫) ও সাইফুল ইসলাম (৪৫),আরামিট গ্রুপের এজিএম উৎপল পাল (৫১), প্রদীপ কুমার বিশ্বাস (৫১), মো. জাহিদ (৪৫), মো. শহীদ (৪৯), মো. সুমন (৩৯), ইলিয়াস তালুকদার (৫০) ও ওসমান তালুকদার (৪৮)।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আরামিট গ্রুপের প্রটোকল অফিসার ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে নামসর্বস্ব ভিশন ট্রেডিং নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়। পরবর্তীতে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ তার কর্মচারীদের মাধ্যমে সেই টাকা উত্তোলন করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে সম্পত্তি কিনে নেন। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ৪(২) ও ৪ (৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন। ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই জাবেদ ও তার স্ত্রীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেছিলেন। মামলার ৩১ আসামির মধ্যে ২ জন মারা যাওয়ায় তাদের বিচারিক কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে সুপারিশ করেছেন।এরা হলেন- ইউসিবিএল’র সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল ও কাজী মোহাম্মদ দিলদার আলম নামে জাবেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী। বাকি ২৯ জনের সঙ্গে তদন্তে পাওয়া ৭ জনসহ মোট ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল দুদক। অভিযোগপত্রে ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: জনস্বাস্থ্যে অগ্রণী ভূমিকা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়ন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন পাবনা-০৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আলী আছগার। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও রোগী বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কেবল সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এটি রোগ প্রতিরোধ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। জনগণের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আরও নিরাপদ, কার্যকর ও আস্থার জায়গায় পরিণত করতে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালু রাখা প্রয়োজন।

এ সময় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোছা. হালিমা খানমের সঙ্গে হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবার মান, অবকাঠামোগত সুবিধা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। সেবার মান আরও বাড়াতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুরা উপজেলা আমীর বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী মাওলানা মহির উদ্দিন, নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান, ভাঙ্গুর ইউনিয়ন সভাপতি মাজহার নূর, যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মো. আব্দুস সাদিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ কৌশিক, পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি আলহাজ মো. আবু বক্কর সিদ্দিক এবং যুব ও ক্রীড়া বিভাগের পৌর সহ-সভাপতি ডাঃ মোহাম্মদ বাকী বিল্লাহ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, টেকসই ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।

উল্লেখ্য, স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের ফলে রোগী ও তাদের স্বজনরা একটি স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে চিকিৎসাসেবা পাবেন।

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ