আজঃ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পর্যাপ্ত মজুদ, রমজানে দাম বাড়ার সম্ভবনা নেই।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

জানুয়ারীতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস ৭৯ হাজার ৭৭১ টন ছোলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম ওঠানামা শুরু হয়েছে। রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ডালজাতীয় পণ্যের দাম এবার কম। বিশেষ করে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় রোজাদারদের ইফতারের অনুসঙ্গ ছোলার দাম বাড়ার সম্ভবনা নেই। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাড়ে ৭ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৯৮ টন ছোলা। এর বাইরে আগের বছরের অবিক্রিত ছোলাও রয়েছে বাজারে।

সরেজমিন দেশের সবচেয়ে বড় ভোগপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে দেখা গেছে, আড়তে প্রচুর ছোলার সরবরাহ। টেবিলে ছোট ছোট বাটিতে বিভিন্ন মানের ছোলার নমুনা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কেউ কেউ ছোট স্বচ্ছ বোতলে, বাটিতে পানি দিয়ে ছোলা ভিজিয়ে রেখেছেন, যাতে ক্রেতাদের সন্দেহ না থাকে। দূরদূরান্ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিনছেন ছোলা। প্রতিকেজি অস্ট্রেলিয়ার ছোলা পাইকারিতে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানি কাবলি ছোলা (সাদা) পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, মজুতের পাশাপাশি আমদানি বেশি হয়েছে ছোলা। দামও হাতের নাগালে। সরকার থেকে পাওয়া বিশেষ সুবিধায় বিপুল পরিমাণে ছোলা আমদানি হয়েছে। চাহিদার চেয়ে বেশি থাকায় এবার ছোলার বাজার চড়া হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। উল্টো ধীরে ধীরে দাম আরো কমবে। গত বছরের তুলনায় দাম বাড়তি থাকার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কূটকৌশল এবং অন্য পক্ষ ডলারের উচ্চ দর বলে মনে করছেন।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাইতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছোলা খালাস হয়েছে ৪৯৮ টন, আগস্টে ৮৮৩ টন, সেপ্টেম্বরে ৮৭০ টন, অক্টোবরে ৫ হাজার ১৭৭ টন, নভেম্বরে ৪২ হাজার ৩৪৩ টন, ডিসেম্বরে ৫৭ হাজার ৪৬১ টন, জানুয়ারিতে ৭৯ হাজার ৭৭১ টন এবং ১-১০ ফেব্রুয়ারি ৭ হাজার ৭৯৫ টন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে ২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৬ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে দেশে ছোলা আমদানি হয়েছিল মাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ মেট্রিক টন। অর্থাৎ, আগের বছরের তুলনায় এবার ১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন বা প্রায় ৭৭.৬১ শতাংশ বেশি ছোলা আমদানি করেছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ পরিচালক ড. মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, প্রতিবছর দেশে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিকটন ছোলা আমদানি হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। বেশিরভাগ ছোলা আমদানি হয় অস্ট্রেলিয়া থেকে। এ বছর আমদানি স্বাভাবিক পর্যায়ে আছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২ লাখ মেট্রিকটন ছোলা খালাস হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে।কিছু ছোলা পাইপলাইনে আছে। সেগুলো দ্রুত খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। রোগ ও পোকামুক্ত, কোয়ালিটি হয়েই ছাড়পত্র দিচ্ছি আমরা। এবার ছোলার বাজারে অস্থিরতা বা দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ থাকবে না।

এদিকে ছোলার বড় আমদানিকারক বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী বলেন, আমদানিকারকরা পাইকারদের কাছে প্রতি ছোলা মণ ২ হাজার ৬০০ টাকা বিক্রি করছেন। এ পর্যায়ে প্রতি কেজি ছোলা ৬৯ টাকা। সবচেয়ে ভালো কোয়ালিটির ছোলা ৭৪ টাকা। তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার হারভেস্টিং মৌসুম শুরু হয় অক্টোবরে।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন বলেন, রমজান সামনে রেখে চাক্তাই খাতুনগঞ্জের আড়তে উৎসবমুখর পরিবেশে বেচাবিক্রি হচ্ছে। গত বছর যে অস্ট্রেলিয়ার ছোলা আড়তে ১০০-১০৪ টাকা, সেই ছোলা এবার বিক্রি হচ্ছে ৭৪-৭৫ টাকা। নিম্নমানের ছোলা ৭২ টাকা। প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ছোলা ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এবার অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার দাম কম ও ডলার সংকট না থাকায় প্রচুর ছোলা এসেছে। যথেষ্ট এলসি খোলা হয়েছে। কোনো সংকট হবে না। পর্যাপ্ত ছোলা আছে বাজারে। রমজানের চাহিদা মিটিয়ে আরও কয়েক মাস খেতে পারবে মানুষ।

ক্রেতারা মনে করছেন, বর্তমান বাজারদর গত বছরের তুলনায় কিছুটা স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। গত বছর রমজানের আগে ছোলার কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় উঠলেও এবার মানভেদে ৭৫ থেকে ৮২ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ছোলা কিনতে পারছেন ক্রেতারা।পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে শক্ত মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কোনো ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একুশের বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল রফিকের বিয়ের দিন। বিয়ে বাড়িতে কনে সেজে অপেক্ষায় ছিল তার প্রিয় মানুষ। কিন্তু রফিক গিয়েছিলেন মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে। ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিলে নামেন তিনি। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন রফিক। তার বুকের রক্তে রঞ্জিত হলো বাংলার রাজপথ। অন্যদিকে, বিয়ে বাড়িতে ফুলে ফুলে সাজানো আসরে কনে তখনও পথ চেয়ে বসে। সে জানে না—তার বর আর ফিরবে না। ফিরবে শুধু রক্তে ভেজা এক শহীদের নিথর দেহ। জীবন দিয়ে রফিক প্রমাণ করে গেলেন— মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়াই সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

অমর একুশে উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’। নাটকে ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মদানের ইতিহাস আবেগঘনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাটকটি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রচার করা হবে ২১ ফেব্রুয়ারি।

টানা তিনদিন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া এলাকার মনোরম লোকেশনে নাটকের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। মো. ইমাম হোসাইনের কাহিনী ইকবাল খন্দকারের চিত্রনাট্যে নির্মিত রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা নাটকটি প্রযোজনা করেছেন উম্মে হাবিবা দিনা। মহসিন চৌধুরীর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সরোজ আহমেদ, সোহেলী, দেবাশীষ চৌধুরী, মীর জুবেদ, রমিতা ভৌমিক, মো. সেলিম, আফরোজা ইমা, সীমান্ত বড়ুয়া, ধীমান, অসিত নন্দী, সৌভিক দাশ প্রমুখ।

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতিকে যাকাত দান করার আহবান ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতি অসহায় ও দরিদ্র চক্ষু রোগীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিনামূল্যে ও স্বল্পমূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, অপারেশন, চশমা ও ঔষধ সেবা প্রদান করে আসছে। এসব সেবাকে আরো এগিয়ে নিতে সমাজের বিত্তবান মানুষদের পাশে চায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতি। এ জন্য দান ও যাকাত প্রদান করে আপনিও এই মানবিক উদ্যোগে শরীক হতে পারেন। যাকাতের অর্থ ইসলামী শরিয়া মোতাবেক ব্যয় করা হয়।

“দান ও যাকাত দিন, সম্পদ ও ঈমান পবিত্র করুন” “আপনার দানে ও যাকাতে, ফিরবে কারো দৃষ্টির আলো” এই শিরোনামকে সামনে রেখে অদ্য বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতি যাকাত প্রদানের আহবান জানিয়েছেন।

সমিতির যাকাত ও দান ব্যয়ের খাতসমূহ :দরিদ্র রোগীর চোখের অপারেশন, বিনামূল্যে ঔষধ ও চশমা সরবরাহ, চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা । দান ও যাকাতের অর্থ প্রেরণ করতে পারেন চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতি (যাকাত হিসাব),হিসাব নং- ০২০০০০৪৪৮৭১৫৯ (অনলাইন), অগ্রণী ব্যাংক লি খুলশী শাখা, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতি(দান হিসাব), হিসাব নং- ০২০০০০৪৪৮৬২৬৯ (অনলাইন), অগ্রণী ব্যাংক লিঃ খুলশী শাখা, চট্টগ্রাম।এছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন সমাজসেবা কর্মকর্তা/সাধারণ সম্পাদক, হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

আলোচিত খবর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। কমিটিতে আরও ১৪ জন সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং সচিব।

কমিটির সদস্যরা হলেন- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী; উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন; উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ; মন্ত্রিপরিষদ সচিব; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব; অর্থ বিভাগের সচিব; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব; স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।এ ক্ষেত্রে কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষে কমিটি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবে।

এছাড়াও কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, নবগঠিত এই কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন; প্রাথমিক পর্যায় দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিটিতে ১টি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ; নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করা যায় কিনা তা পর্যালোচনা; সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও National Household Database আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল MIS প্রণয়নের সুপারিশ করবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ