আজঃ বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

পর্যাপ্ত মজুদ, রমজানে দাম বাড়ার সম্ভবনা নেই।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

জানুয়ারীতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস ৭৯ হাজার ৭৭১ টন ছোলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম ওঠানামা শুরু হয়েছে। রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ডালজাতীয় পণ্যের দাম এবার কম। বিশেষ করে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় রোজাদারদের ইফতারের অনুসঙ্গ ছোলার দাম বাড়ার সম্ভবনা নেই। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাড়ে ৭ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৯৮ টন ছোলা। এর বাইরে আগের বছরের অবিক্রিত ছোলাও রয়েছে বাজারে।

সরেজমিন দেশের সবচেয়ে বড় ভোগপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে দেখা গেছে, আড়তে প্রচুর ছোলার সরবরাহ। টেবিলে ছোট ছোট বাটিতে বিভিন্ন মানের ছোলার নমুনা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কেউ কেউ ছোট স্বচ্ছ বোতলে, বাটিতে পানি দিয়ে ছোলা ভিজিয়ে রেখেছেন, যাতে ক্রেতাদের সন্দেহ না থাকে। দূরদূরান্ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিনছেন ছোলা। প্রতিকেজি অস্ট্রেলিয়ার ছোলা পাইকারিতে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানি কাবলি ছোলা (সাদা) পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, মজুতের পাশাপাশি আমদানি বেশি হয়েছে ছোলা। দামও হাতের নাগালে। সরকার থেকে পাওয়া বিশেষ সুবিধায় বিপুল পরিমাণে ছোলা আমদানি হয়েছে। চাহিদার চেয়ে বেশি থাকায় এবার ছোলার বাজার চড়া হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। উল্টো ধীরে ধীরে দাম আরো কমবে। গত বছরের তুলনায় দাম বাড়তি থাকার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কূটকৌশল এবং অন্য পক্ষ ডলারের উচ্চ দর বলে মনে করছেন।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাইতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছোলা খালাস হয়েছে ৪৯৮ টন, আগস্টে ৮৮৩ টন, সেপ্টেম্বরে ৮৭০ টন, অক্টোবরে ৫ হাজার ১৭৭ টন, নভেম্বরে ৪২ হাজার ৩৪৩ টন, ডিসেম্বরে ৫৭ হাজার ৪৬১ টন, জানুয়ারিতে ৭৯ হাজার ৭৭১ টন এবং ১-১০ ফেব্রুয়ারি ৭ হাজার ৭৯৫ টন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে ২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৬ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে দেশে ছোলা আমদানি হয়েছিল মাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ মেট্রিক টন। অর্থাৎ, আগের বছরের তুলনায় এবার ১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন বা প্রায় ৭৭.৬১ শতাংশ বেশি ছোলা আমদানি করেছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ পরিচালক ড. মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, প্রতিবছর দেশে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিকটন ছোলা আমদানি হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। বেশিরভাগ ছোলা আমদানি হয় অস্ট্রেলিয়া থেকে। এ বছর আমদানি স্বাভাবিক পর্যায়ে আছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২ লাখ মেট্রিকটন ছোলা খালাস হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে।কিছু ছোলা পাইপলাইনে আছে। সেগুলো দ্রুত খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। রোগ ও পোকামুক্ত, কোয়ালিটি হয়েই ছাড়পত্র দিচ্ছি আমরা। এবার ছোলার বাজারে অস্থিরতা বা দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ থাকবে না।

এদিকে ছোলার বড় আমদানিকারক বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী বলেন, আমদানিকারকরা পাইকারদের কাছে প্রতি ছোলা মণ ২ হাজার ৬০০ টাকা বিক্রি করছেন। এ পর্যায়ে প্রতি কেজি ছোলা ৬৯ টাকা। সবচেয়ে ভালো কোয়ালিটির ছোলা ৭৪ টাকা। তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার হারভেস্টিং মৌসুম শুরু হয় অক্টোবরে।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন বলেন, রমজান সামনে রেখে চাক্তাই খাতুনগঞ্জের আড়তে উৎসবমুখর পরিবেশে বেচাবিক্রি হচ্ছে। গত বছর যে অস্ট্রেলিয়ার ছোলা আড়তে ১০০-১০৪ টাকা, সেই ছোলা এবার বিক্রি হচ্ছে ৭৪-৭৫ টাকা। নিম্নমানের ছোলা ৭২ টাকা। প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ছোলা ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এবার অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার দাম কম ও ডলার সংকট না থাকায় প্রচুর ছোলা এসেছে। যথেষ্ট এলসি খোলা হয়েছে। কোনো সংকট হবে না। পর্যাপ্ত ছোলা আছে বাজারে। রমজানের চাহিদা মিটিয়ে আরও কয়েক মাস খেতে পারবে মানুষ।

ক্রেতারা মনে করছেন, বর্তমান বাজারদর গত বছরের তুলনায় কিছুটা স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। গত বছর রমজানের আগে ছোলার কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় উঠলেও এবার মানভেদে ৭৫ থেকে ৮২ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ছোলা কিনতে পারছেন ক্রেতারা।পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে শক্ত মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কোনো ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে তোপের মুখে এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলীর এইচ এম ভিলা থেকে বের হওয়ার সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সাবেক মেয়র মনজুর আলম। এর আগে বিএনপির মনোনয়নপত্র নিয়ে তিনি ২০১০ সালে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০১৫ সাথে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাসির উদ্দিনের কাছে পরাজিত হন । তাক এবার এনসিপির ব্যানারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে, এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে জুলাইযোদ্ধা ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলতে থাকে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের।

পরবর্তীতে পুলিশ প্রটোকল ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহায়তায় হাসনাত আবদুল্লাহ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক এবং এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। একই সঙ্গে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।ঘটনাস্থলে মহানগর যুবদলের সহসভাপতি সাহেদ আকবর, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিবুল হক বাপ্পি, মহারম আলী, আকবরশাহ থানা ছাত্রদলের সভাপতি ফাহিম উদ্দিন এবং ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রদলের ইমনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে মনজুর আলমের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

স্বপ্ন নিয়ে গেল প্রবাসে, ফিরল লাশ হয়ে- শেষযাত্রায় হাজারো মানুষের অশ্রুস্রোত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অভাব ঘুচিয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন ছিল তার। সেই স্বপ্ন বুকে নিয়েই সুদূর প্রবাসে পাড়ি দিয়েছিলেন তরুণ সোহান। কিন্তু নিষ্ঠুর বাস্তবতা তাকে ফিরিয়ে আনল নিথর দেহ হয়ে এক রক্তাক্ত পরিণতির নির্মম সাক্ষ্য রেখে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ার ছয় দিন পর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের চিকনমাটি গ্রামের নিজ বাড়িতে পৌঁছায় ২১ বছর বয়সী সোহানের মরদেহ। লাশ বাড়িতে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।

শেষবারের মতো একনজর দেখতে হাজারো মানুষের ঢল নামে তার বাড়িতে। কান্না, আহাজারি আর নিঃশব্দ বেদনায় ভারী হয়ে ওঠে গ্রামের পরিবেশ। নিহত সোহান ওই গ্রামের দুলাল মিয়ার একমাত্র ছেলে। সংসারের হাল ধরতে ধারদেনা করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন বাবা। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ এক বুক হাহাকারে পরিণত হয়েছে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের অদূরে কতলেহং এলাকায় ঘটে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। সেখানে একটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন মুদি দোকানে কর্মরত ছিলেন সোহান। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নামাজের পর হঠাৎ লোডশেডিং হলে চারপাশ অন্ধকারে ঢেকে যায়। সেই সুযোগে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দোকানে ঢুকে পড়ে। দোকানের মালিক পেছনের দিকে গেলে একা থাকা সোহানকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু হয় এই তরুণের।

শুক্রবার সকালে সোহানের মৃত্যুসংবাদ গ্রামে পৌঁছালে সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক দৃশ্য। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন মা। স্বজনদের বুকফাটা কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো চিকনমাটি গ্রাম। দীর্ঘ ছয় দিন পর প্রিয় সন্তানের মরদেহ হাতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

নিহতের বাবা দুলাল মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলের লাশ দেখতে হবে কখনো ভাবিনি। ধারদেনা করে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম ভাগ্য বদলাতে, এখন সব শেষ হয়ে গেল।

রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং একই দিন জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। প্রবাসে জীবনযুদ্ধে নামা অসংখ্য তরুণের মতো সোহানও স্বপ্ন নিয়ে গিয়েছিলেন দূরদেশে। কিন্তু তার এই মর্মান্তিক মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল প্রবাসের পথ শুধু সম্ভাবনার নয়, অনেক সময় তা অনিশ্চয়তা আর ঝুঁকিতে ভরা এক কঠিন বাস্তবতা।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ