আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: সাংসদ সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের হালিশহরে বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। মঙ্গলবার সকালে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজখবর নেন।হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংসদ সাঈদ আল নোমান চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দগ্ধদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। এ সময় তিনি আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দগ্ধদের জন্য সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

হালিশহরের দগ্ধদের ঘটনায় সাঈদ আল নোমান বলেন, হালিশহরের এই মর্মান্তিক ঘটনায় দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত চিকিৎসা-সহায়তাও দেওয়া হবে।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হালিশহরের ঘটনায় দগ্ধ সকল রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন শাওন (১৬) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল দুজন। বর্তমানে আরও সাতজন দগ্ধ রোগী সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিদর্শন শেষে সাঈদ আল নোমান নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ-এর বাস্তবায়নে “রিয়েক্টস-ইন” প্রজেক্টের আওতায় “জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) আয়োজনে ও পরিচালনায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসের হলরুমে মতামত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

ইএসডিও’র রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট ফোকাল কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হারভেস্টপ্লাস এর প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির মানবদেহে জিংক এর প্রয়োজনীয়তা এবং জিংকের অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান১০২,  ব্রিধান১০০, ব্রিধান৮৪ এবং ব্রিধান৭৪ এর ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

এরপরে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা মুক্ত আলোচনায় বলেন যে, এই প্রকল্পটি প্রকৃতই একটি কার্যকর প্রকল্প। এর পক্ষে আরও ব্যাপক প্রচারণা চালানো দরকার এবং প্রতিটি জেলায় ও উপজেলায় “জিংক চাল পাওয়া যায়” এরকম কমপক্ষে একটি করে আউটলেট থাকলে আগ্রহী ও সচেতন ক্রেতারা ক্রয় করে জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত খেতে পারবেন।

উক্ত মতামত সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ রানা, সায়েন্টিফিক অফিসার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) পঞ্চগড় রিজিয়ন।

 অনুষ্ঠানে  অংশগ্রহণকারী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাগণ, জামে মসজিদের ইমামগণ, হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ এবং কৃষক নারী নেত্রী সহ ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জুতা কারখানার শ্রমিকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মামুনুর রশিদ মামুন (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার পাঁচলাইশ এলাকায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত মামুন কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের আজিম উদ্দিন সিকদার পাড়ার জালাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ২ নম্বর গেট এলাকায় ম্যাপ-শো নামে একটি জুতার কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

নিহত মামুনের এক সহপাঠী (রুমমেট) জানায়, শুক্রবার সকাল ১১ টার দিকে পাঁচলাইশ থানাধীন ২ নং গেট কসমো পলিটন আবাসিক এলাকায় একটি ব্যাচেলর বাসায় নিজের ব্যবহৃত ইলেকট্রিক মাল্টিপ্লাগের তার জোড়া লাগানোর সময় আকস্মিক বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।পরে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করেছেন বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ