আজঃ মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

যাকাতের অর্থে এতিমদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান: এমপি আবু সুফিয়ান।

প্রেস রিলিজ

কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানার নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তিমৃ শতাধিক অথিক এতিম শিশু, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানার নবনির্বাচিত পরিচালনা কমিটির অভিষেক ও ইফতার মাহফিল নগরীর এক্সক্লুসিভ কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এতিমদের কল্যাণে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অত্র আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে ভবিষ্যতে এতিমখানার যেকোনো প্রয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে যাকাত তহবিল থেকে এতিমদের সহায়তায় ধনাঢ্য ব্যক্তিদের উদারভাবে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

এতিমখানার নবনির্বাচিত পরিচালনা কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব এস এম মোর্শেদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সদস্য এস এম সালাউদ্দিনের সঞ্চালনায় এবং কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানার হেফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীনের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মুজিবুল হক সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক ডা: পারভেজ ইকবাল শরীফ, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাবেদ আবছার চৌধুরী, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, প্রচার ও পাঠাগার সম্পাদক ওয়াকিল আহমেদ সিকদার, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অ্যাডভোকেট আখতার, দাতা সদস্য নুরুল আলম, মতয়াল্লী সদস্য আজাদ উল্লাহ খান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এ এম এস ইসলামাবাদী (গাজী), সদস্য আলহাজ্ব এমদাদুল আজীজ চৌধুরী ও মোহাম্মদ শাহ আলম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সেক্রেটারি আলহাজ্ব রেজাউল করিম আজাদ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আলহাজ্ব হারুন জামান, মানবিক সংগঠক এ আর এম শামীম উদ্দীন চৌধুরী, পরিচালনা পরিষদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আলহাজ্ব আলাউদ্দিন আলী নূর, সদস্য হুমায়ুন খান, লয়ার’স কমিউনিটি ক্লাব অফ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এডভোকেট মাসুদুল আলম বাবলু, সমাজসেবক হাবীবুল্লাহ, মাওলানা নূর মোহাম্মদ, শুক্কুর আলম জুয়েল, আব্দুল আল মামুন, মো: আরমান, রায়হান আবরার কাউসার, সাংবাদিক মামুনুর রশীদ সেলিম, মানবাধিকার নেতা আখতার উদ্দিন রানা। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের আজীবন সদস্যবৃন্দ, দাতা বৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেম সহ মাদ্রাসা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

পরিশেষে পরিচালনা পর্ষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হাফেজ মোহাম্মদ আমানুল্লাহ দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের সৌজন্যে অতিথিরা এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার ও মেজবান পর্বে অংশ নেন।

বার্তা প্রেরক:
জাবেদ আবছার চৌধুরী
অর্থ সম্পাদক
কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানা পরিচালনা পর্ষদ

ছবির ক্যাপশন:
নবনির্বাচিত কদম মোবারক মুসলিম এতিমাখানার কার্যকরী পরিষদ (২০২৬ – ২০২৯) এর অভিষেক ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান।

নবনির্বাচিত কদম মোবারক মুসলিম এতিমাখানার কার্যকরী পরিষদ (২০২৬ – ২০২৯) এর অভিষেক ও ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখছেন অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাবেদ আবছার চৌধুরী।

নবনির্বাচিত কদম মোবারক মুসলিম এতিমাখানার কার্যকরী পরিষদ (২০২৬ – ২০২৯) এর পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান কে সম্মাননা স্মারক প্রদান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাউল সংগীতশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সহিংস ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। উপরিস্থিতে বাউল সংগীতশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। জানা যায়,সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি দরবার শরিফে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পাশাপাশি কথিত পীর আব্দুর রহমান শামীম ওরফে কালান্দার বাবা (৬০) হত্যাকাণ্ডের পর পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে।দৌলতপুর থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকেই শিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।চেতানার এ আনন্দ – উৎসবটি একেবারেই সমাগত। বছরব্যাপী অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আমাদের দ্বারপ্রান্তে হাজির হলো পহেলা বৈশাখ।এ দিনে বাঙালির ঘরে একটু হলেও ভালো খাবার আয়োজনের চেষ্টা চলে। বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা নিয়ে সমাগত। মানুষের জীবনের সব ব্যর্থতা ভুলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বৈশাখকে বরণ করতে ঔ
নানা ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

আবহমান কাল থেকে বৈশাখের উপভোগ করে আসছে বাঙালি জাতি। নববর্ষ কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৈশাখের আগমন উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি চলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা।গ্রামের মাটির ঘর গুলোতে চলছে লেপা পোছার কাজ। বৈশাখের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম বাংলার আকাশে বাতাসে। বৈশাখ আনন্দ দেয়, তবে তবে এ মাসে বৈশাখী ঝড় এসে আবার লণ্ডভণ্ড করেও দেয়। ক্ষতি হয় ফসলের, এমনকি ব্যাপক বিপর্যয়ের ঘটনাও ঘটে থাকে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল , এ বৈশাখ মাসেই পোলংকার ঘূর্ণিঝড় উপকুলের জনপদ লন্ডভন্ড করে দেয়। ঘটে লক্ষ মানুষের জীবনহানি।

বাংলাদেশের উপকূল বাসী সেদিনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা কখনোই ভুলবে না। ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রথম ঋতুটি হচ্ছে গ্রীষ্ম। বসন্তে পুরনো গাছের পাতা ঝরে পরে নতুন পাতায় সবুজে -;শ্যামলে ভরা বৃক্ষরাজির নান্দনিক সৌন্দর্য মনকে ভরিয়ে দেয়।পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির স্পন্দন।

প্রতিবছর বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নানান আয়োজন করা হয় দেশের গ্রাম থেকে শহর।বৈশাখের আগমনী বার্তাকে কেন্দ্র করে লোকজ গান যারি, শাড়ি, ভাটিয়ারী আয়োজন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। এসব গান উপভোগ করার মধ্য দিয়ে কলেজ চোরের মানুষ একাকার হয়ে যায়। এদিনে সকলের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। আবার ইলিশ পান্তার আয়োজন হয়ে থাকে অন্য কোন জায়গায।ঘরে ঘরে ধোয়া মোছার কাজ প্রাশই শেষ পর্যায়ে।

বাঙালির নববর্ষ উদযাপন এক অনন্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত
উৎসব।বাংলা সাহিত্যে ও প্রভাব রয়েছে বৈশাখের। বাংলা বর্ষপঞ্জির উৎপত্তি ও এর বিস্তৃতির এখন অবাধ্য ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, মূলত কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে ঘিরেই বৈশাখের এআয়োজন। বাঙালির এর উৎসবটি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে অসম্প্রদায়িক চেতনার। বাংলা নববর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য নতুন উদ্যোগে হয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখের ব্যবসায়ীরা হালখাতার আয়োজন করা থাকে। এ সময় গত বছরের হিসাব নতুন খাতায় এনে ক্রেতাদের করিয়ে দেওয়ার রে আজও রয়েছে।

কোথাও কোথাও আয়োজন করা হয় ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব। আবার কোথাও হয়ে থাকে গরুর লড়াই লড়াই। চট্টগ্রামের সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য বলি
খেলার আয়োজনও বৈশাখ মাসে হয়ে থাকে। বলি খেলাকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম নগরীর এই মেলার বিস্তৃতি সরিয়ে যায় কয়েক কিলোমিটার দূরে।

মেলায় করতে সারাদেশ থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসে চট্টগ্রাম নগরীতে। সারাদেশের বলিরা ছুটে আসে কুস্তি খেলতে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি এমাঠে। গ্রাম বাংলার এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য পৃথিবীর আর কয়টি দেশে আছে? 🇧🇩 প্রখ্যাত গীতিকার দ্বিজেন্দ্র লাল লিখেছেন- ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা…।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ