আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

শ্রীলঙ্কায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে তিনটি ইরানি জাহাজ।

কূটনৈতিক সংবাদদাতা ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কা সফরের অনুমতি চেয়ে তিনটি ইরানি জাহাজ ৯ ও ১৩ মার্চ  দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে।   বিশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি জানান- ইরানি সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই সফরের জন্য শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চেয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন- জাহাজগুলো ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কার জলসীমার কাছে অবস্থান করছিল এবং মানবিক অনুরোধে জাহাজের দু’জন কর্মকর্তাকে দেশে আনা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট দিসানায়েকে বলেন-চলমান বা ভবিষ্যতের কোনো আন্তর্জাতিক সংঘাতে শ্রীলঙ্কার ভূখণ্ড, সমুদ্রসীমা কিংবা আকাশসীমা কোনোভাবেই ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

এছাড়াও ‘আইআরআইএস বুশেহর’ নামের একটি ইরানি জাহাজ শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরের কাছে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এলাকায় নোঙর করা রয়েছে। জাহাজটি শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে এবং ইতোমধ্যেই জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট।শ্রীলঙ্কায় ইরানি দূতাবাস ও শ্রীলঙ্কা সরকারের মধ্যে আলোচনার পর ক্রুদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট জাহাজের অধিনায়ক। সেই অনুযায়ী আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ওই জাহাজের কাছে পৌঁছেছে এবং ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সানায়েকে বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে ২০৮ জন ক্রুকে তীরে আনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩ জন কর্মকর্তা, ৮৪ জন ক্যাডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন নাবিক রয়েছেন।  আমরা এখন ওই ২০৮ জনকে জাহাজ থেকে আমাদের নৌযানে নিয়ে এসে কলম্বো বন্দরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এরপর ওই জাহাজের ক্রু ও আমাদের নাবিকদের ত্রিনকমালি বন্দরের এলাকায় নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার পূর্ব ভারতের একটি বন্দর থেকে ইরানের দিকে যাত্রা করা ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস ডেনা’ হামলা চালায় একটি মার্কিন সাবমেরিন। এতে কমপক্ষে ৮৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ৩২ জনকে জীবিত  উদ্ধার করে লঙ্কান নৌবাহিনী।

সংগৃহীত –

banglakhaborpatrika/বাংলা খবর পত্রিকা

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৌদি আরব ও কাতার পাকিস্তানকে ৫০০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব ও কাতার পাকিস্তানকে ৫০০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেবে। এসহায়তা পেলে পাকিস্তান দুর্বল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কারণে যে চাপ পড়েছে তা এড়াতে পারবে ইসলামাবাদ।জুনের মধ্যে বৈদেশিক দায়-দেনাও শোধ করতে পারবেন। জানা যায়,চলতি মাসের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দেনা ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করার কথা ইসলামাবাদের। পাকিস্তানের অর্থনীতি ইরান যুদ্ধের কারণে আরও খারাপ পরিস্থিতিতে পড়েছে। মূল্যস্ফীতি ও আমদানি ঋণের চাপ আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশটিকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে রিয়াদ।শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জাদান।
এ বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও সামরিক বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পাকিস্তান বিদ্যমান নগদ আমানতের সম্প্রসারণ ও

তেল অর্থায়ন সুবিধার সম্প্রসারণসহ বাড়তি আর্থিক সহায়তার অনুরোধ জানান। পাকিস্তানের তেল অর্থায়ন সুবিধা চলতি মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে ইসলামাবাদের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ঘোষিত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের প্রতিনিধি দলে রয়েছে, স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং কয়েকজন আইনপ্রণেতা।

দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এর নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার।
সংগৃহীত –
[email protected]

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ