আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬

চরণদ্বীপ দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র রমজানুল মোবারক ও ইমামুল আউলিয়া শেরে খোদা হযরত আলী (র.) ওরশ উপলক্ষে গত বুধবার বাদে আসর বোয়ালখালীর চরণদ্বীপ দরবার শরীফ শাহী ময়দানে এক বিশাল ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাহফিলে বক্তারা বলেন “হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (র.) — যিনি ইসলামের ইতিহাসে জ্ঞান, সাহস ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে চিরস্মরণীয়।

পবিত্র কা’বার বুকে জন্ম নেওয়া এই মহান সাহাবি ও খলিফার ওরশ উপলক্ষে প্রতি বছর বোয়ালখালীর ঐতিহ্যবাহী চরণদ্বীপ দরবার শরীফে আজিমুশ্বান এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। মাহফিলে দু’আ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পীরে তরিকত হযরতুলহাজ্ব শাহসুফি শেখ আবু মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ফারুকী (ম.)। এতে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা শেখ আবু মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ ফারুকী, শাহজাদা শেখ আবু মুহাম্মদ সানাউল্লাহ ফারুকী, হযরত মাওলানা ইসহাক আনসারী,

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ কমান্ডার, মজিবত উল্লাহ মজু, শফিকুল ইসলাম শাহীন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন গাউসিয়া আহমদিয়া রহমানিয়া সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি আখতার উদ্দিন তালুকদার, জসিম উদ্দিন সওদাগর, আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল আমিন খান, এডভোকেট রাশেদ ফারুকী, মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন, আজিজ উদ্দিন, মফিজ উদ্দিন প্রমুখ। মাহফিলে গাউসিয়া আহমদিয়া রহমানিয়া সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা, আনোয়ারা উপজেলা শাখা, সীতাকুণ্ড উপজেলা শাখা, মোহরা শাখার নেতৃবৃন্দ ও দরবারের অসংখ্য ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজার হাজার মুরিদান ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আধ্যাত্মিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি এবং সকলের দুনিয়া ও আখেরাতের কামিয়াবীর জন্য প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সকলে একসাথে ইফতার গ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১১ মার্চ, বুধবার গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও হযরত শেরে খোদা মওলা আলী (র.), খাতুনে জান্নাত মা ফাতেমা (রহ.) উরশ মোবারক ও শহীদ বদর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ শরিফ ও ইফতার মাহফিল খানকাহ্ শরিফ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা কাজী হাবিবুল হোসাইন, মাওলানা মোঃ মুজিবুল হক, হাফেজ মাওলানা মোখতার হোসাইন, মাওলানা হাফেজ হারুণ রশীদ, মাওলানা একরামুল হক, কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলী, ফজলুল হক, মকসেদুর রহমান হাসনু, মীর শফিউল আলম নিজাম, মহানগর সমন্বয়কারী মেজবাহ উদ্দীন, শফিকুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসাইন, ওমর ফারুক, শামসুল আলম, খানকাহ্ সভাপতি মুহাম্মদ শওকত হোসাইন রুবেল, সাধরাণ সম্পাদক খুরশিদ আলম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জুয়েল, রাজা, রিপন, ওসমান, পারভেজ, ইকবাল, রানা, বিজয়, নূর মিয়া, হাকিম প্রমুখ।

শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৪১ তম শুভ আবির্ভাব তিথি পালন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গৌর পূর্ণিমা উৎসব’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-চট্টগ্রাম জেলা আয়োজিত ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিকাল নগরীর জে এম সেন হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়, এতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড শংকর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সভাপতি শ্রী দিলীপ কুমার মজুমদার, বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারম্যান শ্রী দুলাল মজুমদার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্যামল কুমার পালিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুগ্রীব মজুমদার দোলন।

বক্তরা চৈতন্য মহাপ্রভুর হরি নাম প্রচারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধান অতিথি শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ আরো বলেন হরি নামে মুক্তি, হবে সবাইকে চৈতন্য মহাপ্রভুর আর্দশ অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করেন মানব কল্যানে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস
শুরু
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে। আরও ৪টি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় রয়েছে।বুধবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এসব জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল ও শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে।

চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরো চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছাবে। সব মিলিয়ে আগামী দেড় মাসের সব ধরনের জ্বালানি পাইপলাইনে রয়েছে। তাই দ্রুত সংকটের কোনো শঙ্কা নেই। তবে নাশকতার আশঙ্কা আছে। দেশি—বিদেশি নানান অপশক্তি সংকটের সুযোগে জ্বালানিবাহী জাহাজে নাশকতা চালাতে পারে— এমন শঙ্কা থেকে বহির্নোঙরে অবস্থান করা জাহাজগুলোর বিশেষ নিরাপত্তা চেয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে এসব জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। কারণ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর চারটি জ্বালানিবাহী জাহাজে পরপর রহস্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে সংকটের শঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিতে এমন নাশকতার চেষ্টা হতে পারে বলে ধারণা বন্দরের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ