আজঃ সোমবার ২৫ মে, ২০২৬

স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরীর ২নং গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মেয়র বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবসে আমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। যারা আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানকারী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে দেশের পক্ষে অবদান রাখা সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আমাদের দায়িত্ব।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জন একটি বড় বিষয়, কিন্তু সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের লক্ষ্য হতে হবে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর করে তোলার কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যা দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান মেয়র।

এ সময় চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, বিপ্লব উদ্যান, বধ্যভূমি, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নতুন প্রজন্মের কাছে এসব ইতিহাস পৌঁছে দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা দায়মুক্ত হতে পারব না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আজম উদ্দিন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মনজুরুল আলম চৌধুরী মন্জু, আহবায়ক কমিটির সদস্য এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, খোরশেদুল আলম, মো. কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালী পোপাদিয়া ইউনিয়নে ভিজিএফ চাউল বিতরণ সম্পন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ ভিজিএফ চাউল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) পোপাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিল্টন চৌধুরীর পরিচালনায় বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও পোপাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জাকির হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, পোপাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোসলেম মিয়া, উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন টিটু, আবদুল ছালাম ছোটন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম ডালিম, ইউপি স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক ইমরান বাবুল, ছিদ্দিক আজাদ রিহাদ, লোকমান উদ্দিন এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাইম চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে অসহায়, দুস্থ ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে সরকারের বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাউল বিতরণ করা হয়।

চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন,পূর্ণ প্যানেল জয়ী ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক যুগ পর সরাসরি ভোটের মুখোমুখি হলো দেশের ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য সংগঠন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। এক প্যানেলের ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সব কটি পদে জয় পেয়েছে ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’। শনিবার ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম।

চেম্বারের এই নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে গত শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয় অপর প্যানেল ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ’ (যা সমমনা পরিষদ নামেও উল্লেখ করা হয়েছে)। তবে ব্যালট পেপারে তাদের প্রার্থীদের নাম বহাল ছিল।নির্বাচনে ২৪টি পরিচালক পদের মধ্যে ১৮টি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি ছয়জন পরিচালক আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৩০ মার্চ চট্টগ্রাম চেম্বারে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছিল। এরপর থেকে এত দিন সব কমিটিই গঠিত হয়েছে বিনা ভোটে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ৭২৫ জন, যা মোট ভোটের প্রায় ৪০ শতাংশ। সাধারণ শ্রেণিতে ৪ হাজার ১ জন ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ১ হাজার ৮৪৩টি (প্রায় ৪৬ শতাংশ)। সহযোগী শ্রেণিতে ২ হাজার ৭৬৪ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৮৮২ জন (প্রায় ৩২ শতাংশ)।

চেম্বার নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে তিনজন করে মোট ছয়জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এভাবে ২৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচিত করা হবে।
নবনির্বাচিত পরিচালক ও ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের দলনেতা মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, আমরা চেয়েছি ব্যবসায়ীরা ভোটের মাধ্যমে তাঁদের নেতৃত্ব নির্বাচন করুক। সেটিই হয়েছে।

সাধারণ শ্রেণি থেকে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন- কামাল মোস্তফা চৌধুরী, এএসএম ইসমাইল খান, আবু হায়দার চৌধুরী, মো. আমজাদ হোসাইন চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, আসাদ ইফতেখার, আমান উল্লাহ আল ছগির, মো. গোলাম সরওয়ার, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ শফিউল আলম, মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং আরও একজন প্রার্থী।

সহযোগী শ্রেণি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন- মো. জাহিদুল হাসান, মো. নুরুল ইসলাম, মো. সেলিম নুর, সরওয়ার আলম খান, মোহাম্মদ মশিউল আলম এবং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ।ট্রেড গ্রুপ শ্রেণিতে মোহাম্মদ আখতার পারভেজ, মোহাম্মদ আমিরুল হক ও এস এম সাইফুল আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।এছাড়া টাউন অ্যাসোসিয়েশন শ্রেণিতে- আফসার হাসান চৌধুরী, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন এবং মোহাম্মদ সজ্জাদ উন নবাজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ