আজঃ শনিবার ২৮ মার্চ, ২০২৬

হযরত মীর মোহাম্মদ অলিউল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (রহ:) শাহ ছাহেবের খোশরোজ শরীফ অনুষ্ঠিত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক:) কেবলা কাবার করুণাধন্য, ফেদায়ে গাউসুল আযম হযরত মীর মোহাম্মদ অলি উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (রহ:) শাহ ছাহেব’র ৬৭তম খোশরোজ শরীফ মহান ১৩ চৈত্র ২৭ মার্চ শুক্রবার মহাসমারোহে ফটিকছড়ির নানুপুর মীর মনজিলে অনুষ্ঠিত হয়। ওরশ উপলক্ষে রওজা শরীফ গোসল, গিলাফ ছড়ানো, গাউছিয়া খতম, আলোচনা সভা, মিলাদ ক্বেয়াম, চাউল ও তাবরুক বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন মির্জাপুর দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ শাহাদত হোসাইন মির্জাপুরী (ম.), ফরহাদাবাদ দরবার শরীফের পীরজাদা হযরত সৈয়দ ফয়জুল হক শাহ ফরহাদাবাদী (ম.)। মোহাম্মদ ইসমাইলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উম্মুল আশেকীন মা মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানার শিক্ষক মওলানা মোহাম্মদ আবুল কালাম, মাদ্রাসা-এ-গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী এর উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন, মাদ্রাসা-এ-গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী এর আরবী প্রভাষক বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মওলানা মোহাম্মদ মুজিবুল হক। সভায় বক্তাগণ বলেন হযরত মীর মোহাম্মদ অলি উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (রহঃ) ছিলেন মুনিবের কদমে উৎসর্গীত। নিজের জীবন যৌবন কাঠিয়েছেন মুনিবের দিকে চেয়ে। তাই তাঁর শান মান আজ এত জৌলুস পূর্ণ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ আকতার, গাউছিয়া হক মনজিল অফিস কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক:) এর রওজা শরীফের খাদেম মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী, মওলানা কামরুজ্জামান নেজামী, মওলানা দিদারুল আলম মাইজভাণ্ডারী, হাজ্বী মোহাম্মদ ইউছুপ, বটন কুমার দে, হাজ্বী মোহাম্মদ ইউনুচ, মীর শফি উল্লাহ, মোহাম্মদ আবুল কালাম, মোহাম্মদ আকরাম, মোহাম্মদ মনিরুল হক, মোমিন উল্লাহ রাশেদ, লায়ন ডা. বরুন কুমার আচার্য্য বলাই, রেজাউল করিম লিটন, জিয়াউল হক মামুন, মীর মোহাম্মদ আকবর, মোহাম্মদ হারুন, আলি নেওয়াজ, মোহাম্মদ মোরশেদুল আলম, আলি আকবর, মোহাম্মদ সরওয়ার, সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ সুমন প্রমুখ। ছেমা মাহফিল পরচালনা করেন সৈয়দ মোহাম্মদ আবু সালেহ কাওয়াল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৯০ টির বেশি গ্রামে আজ ঈদ উদযাপন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দক্ষিণ চট্টগ্রামে অন্তত ৯০টির বেশি গ্রামে লক্ষাধিক মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন তারা। দক্ষিণ চট্টগ্রামে ২০০ বছর ধরে এসব গ্রামে ঈদ উৎসব পালন করে আসছে।

জানা যায়, প্রায় ২০০ বছর আগে সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল গ্রামের হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঁগীরি (রহ.) হানাফি মাজহাবের আলোকে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে তা অনুসরণ করে রোজা ও ঈদ পালনের ফতোয়া প্রদান করেন। সেই ধারাবাহিকতায় দরবারের অনুসারীরা সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের চাঁদ দেখার ঘোষণাকে গুরুত্ব দিয়ে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করে আসছেন।
আরব বিশ্বের চাঁদ দেখার খবর দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে চাঁদের অবস্থান বিবেচনায় আজ শুক্রবার সে অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের নামাজ সকাল ৮টায় আদায় করা হয়।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, আনোয়ারা ও পটিয়া উপজেলায় আজ ঈদ পালনের গ্রামগুলো হচ্ছে- সাতকানিয়ার মির্জাখীল, ছোটহাতিয়া, আছারতলি; সোনাকানিয়া, লোহাগাড়ার কলাউজান, বড়হাতিয়া, চুনতি; বাঁশখালীর ছনুয়া, চাম্বল, শেখেরখীল; পটিয়ার হাইদগাঁও, বাহুলী, ভেল্লাপাড়া, মোহাম্মদ নগরসহ বিভিন্ন এলাকা।

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর পালন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে কয়েক ঈদুল ফিতর পালন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাদপুরের এসব গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

হাজীগঞ্জ উপজেলায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান পীর মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব গ্রামের মানুষ রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

আজ ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ উদযাপনকারী হাজীগঞ্জ উপজেলার গ্রামগুলো হচ্ছে – সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

জানা যায়, ১৯২৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ধর্মীয় রীতিনীতি চালু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর তার ছয় ছেলে এ মতবাদ অনুসরণ ও প্রচার অব্যাহত রেখেছেন।প্রতিবছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের এসব গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ