আজঃ শুক্রবার ৩ এপ্রিল, ২০২৬

কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানো হবে : সিএমপি কমিশনার।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) নতুন কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ঘোষণা দিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাস দমনে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ কর্মসূচি ও অভিযান পরিচালনা করা হবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নগরীকে অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।বৃহস্পতিবার সিএমপি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নগরীতে মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ।

নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কমিশনার বলেন, মানুষ যাতে নিরাপত্তার অনুভূতি নিয়ে চলাফেরা করতে পারে, সে পরিবেশ আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এ সময় কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানোর কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে যানজট নিরসনে কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করে বলেন,

নগরবাসীকে একটি স্বস্তির ও সুন্দর নগরজীবন উপহার দিতে কাজ করছে পুলিশ। চট্টগ্রামকে একটি ‘সেইফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কমিশনার বলেন, এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। একইভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিক অভিযান চলবে।
তিনি আরও জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও ছিনতাইয়ের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে এবং শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু হবে।

পুলিশের ভেতরে অনিয়ম-অপরাধের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদা বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কমিশনার আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং কিশোর গ্যাং নির্মূলে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, কঠোর নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরকে একটি নিরাপদ নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে নগরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিল সিডিএ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিল সিডিএ । জানা যায় রাষ্টীয় মর্যাদায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দ প্রাপ্ত পরিত্যক্ত বাড়ী নং ১৮/বি-১, ( বর্তমান ৬) রোড নং ৪, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম। বাড়ির নাম “সাফ জাফর ভিলা”। বাড়িটি সিডিএ ও ৩৪ বিগ্রেড কর্তৃক মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে ভাংচুর করছে।


সাফ জাফর ভিলা বিল্ডিংটি ” সাফ হোল্ডিং লিঃ ডেভেলপার কর্তৃক ২০২২ সালে নির্মিত করা হয়েছে। এই বিল্ডিং এর পিছনে একটি খাল রয়েছে এই খালটি বিএস সিটে পশ্চিম পাশে ৫২ ফুট প্রস্ত ও পূর্ব পাশে ৪৯ ফুট প্রস্ত। কিন্তু সিডিএ ও সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড খালের পশ্চিম পাশে ৫৮ ফুট ও পূর্ব পাশে ৫৪ ফুট দাবী করে সম্পুর্ণ বিনা নোটিশে মহামান্য হাইকোর্টের রায় অমান্য করে ৪৪ পরিবারের বসবাসরত ১২ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিংটি ভাংচুর করছে যা সম্পুর্ন অমানবিক, অন্যায় ও মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প্রতি অশ্রদ্ধা।বরাদ্দ প্রাপ্ত শহীদ পরিবারের নাম ক. বেগম সামশুন্নাহার স্বামী-বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হাবিলদার রহিম বক্স (বি ডি আর), গ্রাম-এওচিয়া,উপজেলা-সাতকানিয়া,জেলা-চট্রগ্রাম।

খ. বেগম আলমাছ খাতুন, শহীদ মাতা, পুত্র- শহীদ এ,টি,এম,জাফর আলম,সি এস পি,গ্রাম-রত্ন পালং, উপজেলা-ওখিয়া, জেলা-কক্সবাজার । চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কনসালটেন্ট (এ সি এল)-এর মেজর (অব.) সরদার জিয়াউর রহমান, উনার বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ২ কোটি টাকা উৎকোচ দাবী করেছিলেন এবং একই প্রজেক্টের চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সি ডি এ)-এর পি ডি ইঞ্জিনিয়ার আহমদ মঈনুদ্দিন এই কর্মকান্ডের সাথে জড়িত।বলাবাহুল্য যে, তারা দুই জনেই বিগত আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের নিয়োগ প্রাপ্ত এবং সুবিধাভোগী।


শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি এই দুই জন চক্রান্ত করে তাদের দাবি করা টাকা না পাওয়ার তথ্য গোপন করে সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে এই কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি সেনাপ্রধানের কাছে মহামান্য আদালতের রায়কে অনুসরণ করে যেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড উক্ত বিল্ডিং এর ভাংচুর বন্ধ করে দেয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাইড কপি পেতে কিছু দিন সময় লাগবে যেহেতু কোর্ট এই মুহূর্তে বন্ধ।

এই সুযোগে ইনটেনশনালি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বরাদ্দ পাওয়া এই প্লটে নির্মিত বিল্ডিং টা ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙে ফেলছে। হাইকোর্টের আদেশ মেনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাফ জাফর ভিলার মালিকগণ।

২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চলিতি বছরে উম্মুক্ত হচ্ছে চউক’র ৪ লেন সড়কে যান চলাচল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যান চলাচলে গতিশীলতা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তপক্ষ (চউক) এর ৯ কিলোমিটার ৪ লেন সড়কের কাজ দ্রুত গতিতে শেষ হচ্ছে। প্রতিনিয়ত কাজ অব্যহত থাকলে চলতি বছরই এ সড়কে যান চলাচল করতে পারবে বলে জানা গেছে। চউকের ২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ এই মেগা প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় আউটার রিং রোড প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের যান চলাচলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটি মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

চউক সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির মাত্র ৬শ’ মিটার রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সমাপ্ত না হওয়ায় নতুন করে ছয় মাস সময় চাওয়া হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কালুরঘাট থেকে মাত্র ১০ মিনিটে নগরীর কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুসহ সন্নিহিত এলাকায় পৌঁছে যাওয়ার লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন সড়কটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানা গেছে। নগরীর বিস্তৃত এলাকার জীবনমান এবং আবাসনসহ সার্বিক ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি শহর রক্ষা বাঁধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যেই বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটিতে পর্যটন এবং নগরবাসীর প্রাত্যহিক বিনোদনের জন্যও ব্যাপক আয়োজন রয়েছে। সাত কিলোমিটারের ওয়াকওয়েসহ নদীর পাড়ে মানুষের ‘শ্বাস ফেলার’ জায়গা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, প্রকল্পটির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে নানা ধরনের সংকটের মাঝে পড়ে। এরমধ্যে কোভিড পরিস্থিতিতে দুই বছর প্রকল্পের কাজ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নানামুখী সংকটের মোকাবেলা করতে হয়। ইতোমধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। দুই দফায় প্রকল্পের মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু মাঠ পর্যায়ের নানা সীমাবদ্ধতায় প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে ৯ কিলোমিটার ৪ লেন সড়কের প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটারের নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। বর্তমানে কালুরঘাট অংশে আধা কিলোমিটার এবং কর্ণফুলী সেতু এলাকায় ১শ’ মিটারের মতো সড়কের নির্মাণ কাজ চলছে।

প্রকল্প পরিচালক চউক’র প্রকৌশলী রাজীব দাশ বলেন, ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের রাস্তার প্রায় পুরো কাজই শেষ হয়েছে। শুধু কালুরঘাট অংশে আধা কিলোমিটার এবং কর্ণফুলী সেতু প্রান্তে একশ’ মিটার রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। এই অংশের কাজও শেষ পর্যায়ে। অচিরেই আমরা সড়কের এই অংশের কাজও সম্পন্ন করবো। তিনি বলেন, বাঁধ নির্মাণ এবং স্লুইচ গেট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। একটি মাত্র ছোট্ট স্লুইচগেটের কাজ বাকি রয়েছে। সেটির কাজও শেষ পর্যায়ে। এটিতে কোন রেগুলেটর বা পাম্প নেই। ছোট্ট স্লুইচগেট, মাস দুয়েকের মধ্যে এই স্লুইচগেট নির্মাণের কাজ শেষ হবে। তিনি আরো বলেন, শহরের দ্বিতীয় আউটার রিং রোড হিসেবে এই সড়কটি আগামী ডিসেম্বরে পুরোদমে যান চলাচল করবে। রাস্তা, বাঁধ এবং ওয়াকওয়েসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অবকাঠামো নগরীর পর্যটন খাতে একটি নয়া মাত্রা যোগ করবে বলে তার আশা।

চউক সূত্রে আারো জানা গেছে, মহানগরীর যান চলাচলে গতিশীলতা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে নগরীর কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু (চাক্তাই খালের মুখ) থেকে কালুরঘাট ব্রিজ পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণ করা হচ্ছে। ২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত প্রকল্পটি সিডিএর বিশেষ মেগা প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করা হয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পটিতে সড়কের পাশাপাশি রেগুলেটরসহ ১২টি স্লুইচ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে চাক্তাই এবং রাজাখালী খালের মুখের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুইটি স্লুইচ গেটও রয়েছে।
প্রকল্পটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে বোটপাসসহ ১২টি স্লুইচগেট নির্মাণ করা হচ্ছে। ১২টি স্লুইচ গেটের মধ্যে ইতোমধ্যে ১১টি নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এগুলো পুরোদমে চালু করা হয়েছে। এসব স্লুইচগেটে নেদারল্যান্ডস থেকে আনা গেট স্থাপন করা হয়েছে।

বসানো হয়েছে পাম্প। বৃষ্টির সময় পাম্পের মাধ্যমে পানি নদীতে ফেলা হয়। চালু হওয়া ১১টি স্লুইচগেটের সুফল গত বর্ষায় নগরবাসী পেয়েছে বলে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা বলেছেন, এতে নগরীর বিস্তৃত এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের ক্ষেত্রে বড় ধরণের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নগরীর বহু এলাকা অসহনীয় জলাবদ্ধতা থেকে নিস্তার পেয়েছে। বৃষ্টির সময় জোয়ারে গেটগুলো বন্ধ করে পাম্প করে পানি নদীতে ফেলা হয়। ভাটির সময় গেট খুলে দেয়া হয়। এতে পানিগুলো সহজে নদীতে গিয়ে পড়ে। আগে বৃষ্টির সময় জোয়ার হলে যেভাবে নদীর পানি নগরীতে প্রবেশ করতো উপরোক্ত স্লুইচগেটগুলো চালু হওয়ায় সেই অসহনীয় অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে বলেও প্রকৌশলীরা উল্লেখ করেন।

আলোচিত খবর

সরকারি- বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই সময়সূচি কার্যকর হবে। এতে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট ৭ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, শপিংমল ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার পর রাখা এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ