আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার এবং আত্ম পরিচয়ের স্মারক

অরুণ নাথ '

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে হানাদার বাহিনী বাঙালীর আত্ম পরিচয় বিলুপ্ত করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বাঙালীর সৌর্য্য এবং ত্যাগের কাছে তারা পরাস্থ হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে যারা খাটো করতে চাই তারা মীর জাফরের বংশধর। তারা অর্বাচীন মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নিয়ে অহেতুক বির্তক সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। দেশের সকল বিবেকবান এবং স্বাধীনচেতা নাগরিকবৃন্দকে এই অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে।

আজ ২৫ মার্চ বুধবার বিকেলে সঙ্গীত পরিষদের মাঠে পরিষদ আয়োজিত ‘কালরাত্রি’ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তাগণ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। পরিষদের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান। মূখ্য আলোচক ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক সুভাষ দে। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিষদের সম্পাদক তাপস হোড়, সহ সভাপতি রোটা: মীর নাজমুল আহসান রবিন, সদস্য রোটা: ওমর আলী ফয়সাল, অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া, মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মাকসুদ, মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদের সদস্য অধ্যাপক দেবাশিস্ রুদ্র। সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষক প্রিয়ম কৃষ্ণ দে।

বক্তাগণ বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধ আমাদের প্রেরণা হিসেবে কাজ করে। সে আদর্শকে ধারণ করে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে আজ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে সভা শেষ হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে পরিষদের ছাত্র-ছাত্রীরা দেশাত্মবোধক ও মুক্তিযুদ্ধের গান পরিবেশন করে। সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের শিক্ষক অন্তরা দাশ, বনানী চক্রবর্তী, অধ্যাপক পিন্টু ঘোষ, দীপ্ত দত্ত, হ্যাপী ঘোষ, অভিষেক দাশ, সেতু ধর, পলাশ চক্রবর্তী, শিউলি মজুমদার, অধ্যাপক সুচিত্রা চৌধুরী, দেবাশীষ দাশ, মৌসুমী কর প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ