আজঃ শনিবার ৪ এপ্রিল, ২০২৬

হাম সন্দেহে চট্টগ্রামে হাসপাতালে ভর্তি আরো ২৮ শিশু।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে নতুন করে আরও ২৮ জন হামে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ২৬ জন এবং বিভিন্ন উপজেলায় ২ জন রোগী রয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯ জনে।

এর মধ্যে মহানগর এলাকায় ৮৭ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে ২ জন রোগী রয়েছেন। তবে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১২ জনের শরীরে, যাদের মধ্যে ৮ জন মহানগরের এবং ৪ জন উপজেলার বাসিন্দা।

সিভিল সার্জন কার্যালয় আরও জানিয়েছে, রোগ নির্ণয়ের জন্য শনিবার নতুন করে ৩১ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। ইতিবাচক খবর হলো, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে এ পর্যন্ত ২৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৩৫ দিনে ২৪৫ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় তৈরি হওয়া চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই এই নজিরবিহীন বিপর্যয় নেমে এসেছে।

বিমানবন্দর কতৃপক্ষ জানিয়েছেন নতুন করে মধ্যপ্রাচ্য রুটের আরও ৬টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। এর ফলে ৩৫ দিন ধরে প্রবাসীদের এই চিরচেনা ট্রানজিট পয়েন্টটিতে নেমে এসেছে সুনসান নীরবতা।মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের অবাধ বিচরণ চলায় বেসামরিক বিমান চলাচলের রুটগুলো চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ওপর।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্য আজীবন বহিস্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্যকে আজীবন বহিষ্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটির অনুষ্ঠিত ৮ম সভায় জানানো হয়, বহিষ্কৃত সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে বিতাড়িত ও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নাম ব্যবহার করে বর্তমান নির্বাচিক ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় আজীবন বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

একই সঙ্গে প্রেস ক্লাবের শৃংঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকা এবং প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে বহিস্কৃত সদস্য মনজুর কাদের মনজুর বিরুদ্ধে। আর বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে বেশকিছু স্কুলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে। এসব অপকর্মের কারণে প্রেস ক্লাবের ঐহিত্য ও সুনাম নষ্ট করায় প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কৃত মনজুর কাদের মনজুকেও আজীবন বহিষ্কার করা হয়। এবং বহিষ্কৃত এই দুই সদস্যকে প্রেস ক্লাব ও প্রেস ক্লাবের আশপাশের এলাকায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপ খুলে সাংবাদিকদের সম্মানহানিকর তৎপরতার বিরুদ্ধে সভা থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। এবং যারা এ ধরনের তৎপরতার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ব্যবস্থাপনার কমিটির নেতৃবৃন্দরা জানান, বহিষ্কৃত এই দুইজনের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ বা লেনদেন না করার জন্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের প্রতি বিনীতি অনুরোধ জানানো হয়।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম ও সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

আলোচিত খবর

সরকারি- বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই সময়সূচি কার্যকর হবে। এতে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট ৭ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, শপিংমল ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার পর রাখা এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ