আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

এবার পর্বতারোহী বাবর আলীর জয়ের লক্ষ্য বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম পর্বত ‘মাউন্ট মাকালু’।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের পর্বতারোহী বাবর আলীর এবার জয়ের লক্ষ্য নিয়েছেন বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম পর্বত মাউন্ট মাকালু। এর আগে আট হাজার মিটারের চারটি শৃঙ্গ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করা এই পর্বতারোহী এবার পঞ্চম শৃঙ্গ হিসেবে বেছে নিয়েছেন ৮ হাজার ৪৮৫ মিটার উচ্চতার মাকালুকে। রোববার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ‘এক্সপিডিশন মাকালু: দ্য ফিফথ ফ্রন্টিয়ার’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

এর আয়োজন করে পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামী মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নেপালের উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন বাবর আলী। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে কাঠমান্ডু থেকে টুমলিংটার হয়ে ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে বেস ক্যাম্পে পৌঁছাবেন তিনি। সেখান থেকেই শুরু হবে মূল অভিযান। পুরো অভিযানে সময় লাগতে পারে প্রায় ৫০ দিন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মে মাসের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে চূড়ায় আরোহণের চেষ্টা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাবর আলী বলেন, বিশ্বের ১৪টি আট হাজার মিটার উচ্চতার পর্বত জয়ের স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এরই মধ্যে সে পথে কিছুটা এগিয়েছেন তিনি। মাকালু সেই লক্ষ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। শুরুতে পাকিস্তানের নাঙ্গা পর্বত লক্ষ্য থাকলেও অর্থসংকট ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে পরিকল্পনা বদলে মাকালুকে বেছে নিয়েছেন।

মাকালুকে ‘চ্যালেঞ্জিং’ পর্বত উল্লেখ করে বাবর আলী বলেন, খাড়া ঢাল ও প্রবল বাতাসের জন্য এটি আরোহীদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলে। সেই চ্যালেঞ্জ নিতে তিনি প্রস্তুত। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন অভিযানের ব্যবস্থাপক ও ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সভাপতি ফরহান জামান। এতে বক্তব্য দেন ক্লাবটির উপদেষ্টা শিহাব উদ্দীন ও পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ভিজুয়াল নেটওয়ার্কস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ নুর ফয়সাল। অনুষ্ঠানে বাবরের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।

২০১৪ সাল থেকে পর্বতারোহণে সক্রিয় বাবর আলী এর আগে এভারেস্ট, লোৎসে, অন্নপূর্ণা-১ ও মানাসলুসহ একাধিক শৃঙ্গ জয় করেছেন। ২০২৫ সালে তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া মানাসলু জয় করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

ভূটানের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কিংডম অব ভূটান এর রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন করেন। চট্টগ্রাম বন্দরে পেৌছালে মাননীয় চেয়ারম্যান চবক, রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এসময় চেয়ারম্যান তাঁর সময়কালে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন অগ্রগতির বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান আনন্দের সাথে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর কন্টেইনার, কার্গো ও জাহাজ হ্যান্ডলিং এ রের্কড গড়াসহ, জাহাজের ওয়েটিং টাইম শূন্যে নামানো, অটোমেশন এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত এবং ISPS টিম কর্তৃক জিরো অবজারভেশন অর্জনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত চবক এর সাফল্যে অভিভূত হন এবং চেয়ারম্যান, চবক কে ভূটান সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভূটানে কন্টেইনার প্রেরনের বিষয়ে সহযোগিতার জন্য চবক চেয়ারম্যানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবহার করে ভূটানের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম আরো গতিশীল করা সম্ভব হবে। পরিশেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও চেয়ারম্যান, চবক দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে দুদেশের সম্পর্ককে আরো উচ্চতায় নিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সরেজমিনে পরির্দশন করেন এবং কার্যক্রম দেখে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ