আজঃ শুক্রবার ২২ মে, ২০২৬

আমরা বিশ্ব মঞ্চে দাঁড়াতে চাই, শক্ত আসনে বসতে চাই : জেলা প্রশাসক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, অবৈধভাবে যেখানে মাটি কাটা হবে সেখানে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব। বিশেষ করে কৃষি জমির টপসয়েল কাটলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা ব্যবস্থা নেবেন
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বোয়ালখালী পৌর সদরের গোমদণ্ডী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, যারা কাটছে তারা বাইরের কেউ না। তারা এই সমাজেরই মানুষ।আমাদের অভিযান চলবেই পাশাপাশি আমরা চাই সোশ্যাল মুভমেন্ট তৈরি করতে। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা এই ধরনের অপরাধের সাথে জড়িত আছে তাদের আপনারা তুলে ধরেন। তাদের সাথে সমাজের ডিস্টেন্স তৈরি করেন।

আপনারা একটা সামাজিক আন্দোলন তৈরি করেন।এর আগে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টের (অনূর্ধ্ব-১৭) উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, তরুণরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তরুণরাই জাতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে। জীবনের একটা লক্ষ্য থাকতে হবে।জয়ের আনন্দ যেমন দেয়, তেমনি পরাজয়কে মেনে নিতে শেখায়। খেলা একটি শিক্ষা। কিভাবে আমাদের যোগ্যতাকে বাড়াবো, দক্ষতা বাড়াবো।জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আমরা বিশ্ব মঞ্চে দাঁড়াতে চাই, শক্ত আসনে বসতে চাই। স্বপ্ন, কমিটমেন্ট, প্রত্যয় থাকতে হবে।তাহলে আমরা সাকসেস হতে পারবো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুমন তালুকদার, উপজেলা প্রকৌশলী রনি সাহা, সমাজ সেবা কর্মকর্তা পিপলু নাথ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা মো.শাহানুর ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হাসান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবন্দসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। এ টূর্ণামেন্টে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩২টি দল অংশ নিচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভূমি সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে জনগনকে সচেতন হতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভূমি সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে জনগণ সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এমন আহবান করেন।

তিনি বলেছেন, আমরা অবাস্তব পন্থায় বা অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজ করতে চাই না। আমরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভেটে নির্বাচিত হয়েছি। আগামীবারও যেন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতে পারি এবং জনগণের সামনে মাথা উঁচু করে দাড়াঁতে পারি, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভোট চাইতে পারি সেই প্রচেষ্টা আমাদের অব্যাহত ছিল, আছে এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবে।

তিনি আরও বলেন, জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ সচেতন হলে তারা জানবে ভূমি সংক্রান্ত সবাই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নয়।জনগণের কাছে আমাদের অনুরোধ, জনগণ যেন আমাদের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরেন। যেন আমরা সংশোধন হয়ে আরও ভালো কিছু করতে পারি।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মাসুদ আলম প্রমুখ।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে একটি আবেদন করেছেন, সেটি হলো- বাংলাদেশের প্রকৃত মালিক এ দেশের জনগণ। এ মালিকরা যখন আমাদের কাছে সেবা গ্রহণ করতে আসে তখন তারা যেন আমাদের সেবা গ্রহণ কার্যক্রম অনুভব করতে পারেন। ভালো সেবাটা যেন তারা পায়। আমরা যারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়েছি এবং খণ্ডকালীন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি, কাজ করেন, সেবা প্রদান করেন এবং আপনারা যারা সরকারের একটি বিভাগের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এখানে আছেন; আপনারা নিজ যোগ্যতায় এখানে এসেছেন। আমাদের সবার লক্ষ্য হলো- মানুষের সেবা প্রদান করা অর্থাৎ এদেশের মালিক জনগণকে সঠিক সেবাটা সম্মানের সাথে আন্তরিকতার সাথে, সততা এবং নিষ্ঠার সাথে প্রদান করা।

তিনি বলেন, আমরা সকল কার্যক্রম যেন প্রধানমন্ত্রীর এ আহ্বানকে মাথায় রেখে পরিচালনা করি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সর্বোচ্চ চেষ্টা হচ্ছে- সমাজের প্রথম সুবিধা বঞ্চিতদের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমরা সেই প্রচেষ্টায় আছি। আমরা চেষ্টা করছি একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে আমাদের দায়িত্বে যেগুলো আছে, বিশেষ করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসকল দপ্তর আছে সেখানে দুর্নীতিকে আস্তে আস্তে কিভাবে কমিয়ে আনা যায়। জনসেবা, দ্রুতসেবা এবং জমি সংক্রান্ত সকল সেবা কিভাবে নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

দেশে প্রয়োজনের তুলনায় অপটোমেট্রিস্ট নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্সের ১৭ তম ব্যাচের নবীন বরণ অদ্য ২১ মে,২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র ইমরান সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (চমেবি)’র অধীনে চক্ষু হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলোজি (আইসিও)’র উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল আলীম রিফাতের কোরআন তেলাওয়াত ও ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী রিপান্বিতা দেবীর শ্রীমদ্ভগবদ গীতা পাঠের মাধ্যমে সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সিইআইটিসি’র উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের সমন্বয় থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ, শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও অভিভাবকবৃন্দের তদারকিতে একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষাজীবনের আলো জ্বালাতে পারে।

সারাদেশে চক্ষু সেবার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে দক্ষ অপটোমেট্রিস্ট ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বলেন, বিশ্বে অপটোমেট্রি বহুল প্রচলিত নাম হলেও আমাদের দেশে এটি একেবারে নতুন। একজন চিকিৎসকের সাথে চারজন অপটোমেট্রিস্ট থাকার কথা থাকলেও দেশে তার সংখ্যা একেবারে সীমিত। তাই বছরে ৫০০ অপটোমেট্রিস্ট তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পড়ালেখায় মনোযোগী হয়ে নিজেকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ অপটোমেট্রিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

সিইআইটিসি’র ম্যানেজিং ট্রাষ্টি ডা.কিউ.এম.অহিদুল আলম বলেন, মনোযোগী, মেধা শ্রম থাকলে সব কিছুতে সফলতা অর্জন করা সম্ভব। এদেশে যে পরিমাণ চক্ষু চিকিৎসক রয়েছে সেই তুলনায় অপটোমেট্রিস্ট নেই বললেই চলে। তিনি এখান থেকে উন্নত শিক্ষার মাধ্যমে অপটোমেট্রিস্টরা যাতে সারাদেশে এমনকী বহিবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, অপটোমেট্রি কোর্স শেষ করে তোমরা দেশের বাহিরে গিয়ে মাষ্টার্সও শেষ করতে পারবে এটাই আমার বিশ্বাস। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের পেশাগত উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনার পাশাপাশি উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

আইসিও’র পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা.মো.মনিরুজ্জামান ওসমানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আইসিও’র সহকারী অধ্যাপক ও কোর্স কোডিনেটর (অপ্টোমেট্রি) জুয়েল দাশ গুপ্ত। অনুষ্ঠানে ৫ জন শিক্ষার্থী সমবেত কণ্ঠে সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের তরুণ-তরুণী শিরোনামে কবিতাটি আবৃতি করেন ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা তুজ জহুরা ও ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাহিন হাসান।

দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ট্রেজারার রেজওয়ান শহিদী, মেডিকেল ডিরেক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন, চীফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, আইসিও’র অধ্যাপক ডা. জেসমিন আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোমা রানী রায়। বক্তব্য রাখেন, অভিভাবক আবদুল হাকিম রানা, নবীণ শিক্ষার্থী আসমা উল হুসনা তানিসা।

আইসিও’র অপটোমেট্রিস্ট ফ্যাকাল্টি মেম্বার মোশরাফাতুল জান্নাত আঁখি ও জান্নাতুল ফেরদৌসের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্সের নবীন ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে বরণের পাশাপাশি ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ বর্ষের চুড়ান্ত পরিক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রাখা ১৪ জন শিক্ষার্থীকে নগদ টাকা বৃত্তি ও শিক্ষা সনদ প্রদান করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন স্যারের প্রচেষ্টায় এখানে অপটোমেট্রি গ্রেজুয়েশন কোর্স অনেক বছর আগে শুরু হয়েছে। একমাত্র এই চক্ষু হাসপাতালে দেশের প্রথম এই কোর্সটি চালুর পর থেকে ক্রমান্বয়ে এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের মত তিনি উন্নয়নশীল দেশে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় অপটোমেট্রিস্টদের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক শেখ তামিমা হাসান, প্রভাষক জান্নাতুন নূর, প্রভাষক শ্রী প্রণয় রায়, প্রভাষক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস খান, টিচিং এসিসট্যান্ট নিশিতা আফরিন, অপটোমেট্রিস্ট ফ্যাকাল্টি মেম্বার মো. মাঈন উদ্দিন খান ও সনি দাস, সিনিয়র রিসার্স অফিসার তানজিলা সুলতানা, আইসিও’র সহকারী ব্যবস্থাপক (ফিনান্স) মো. জসিম উদ্দিন, সিনিয়র এডমিন অফিসার মো. সাইফুর রহমানসহ আইসিও’র সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

রক্তপাতহীন নির্বাচন’ আয়োজনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অতীতের শত শত প্রাণহানি ও সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এসব ভয়াবহ অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে এবার ‘রক্তপাতহীন নির্বাচন’ আয়োজনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা আনফ্রেল বলেছে, ইসি আগের তুলনায় অধিক নিরপেক্ষতা দেখালেও নির্বাচনী অর্থের প্রভাব, পেশিশক্তি, জবাবদিহির ঘাটতি ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সংকট এখনো বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার বড় দুর্বলতা হয়ে রয়েছে। ফলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে চাপ ও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে কমিশন, এমনটাই আশংকা করা হয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন এবং আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল)-এর প্রতিনিধিরা এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন-অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক সংঘাত, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাতহীন নির্বাচন আয়োজন করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। এজন্য রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিইসি জানান, দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং প্রায় ৩৩০টি পৌরসভার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এত বিপুল সংখ্যক নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ছবি সংগৃহীত –
[email protected]

আরও পড়ুন

সর্বশেষ