এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে এক বন্ধুকে আরেক বন্ধু লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বিরুদ্ধে। বন্ধুর ডাকে গিয়ে আর ফেরা হলো না হত্যার শিকার ওই কলেজছাত্রের। নগরের চকবাজার এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনে ঘটনাটি ঘটেছে রাতে। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪ জনকে নগরের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

জানতে চাইলে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ বলেন, ঘটনারসঙ্গে জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতের বাবা জানান, তার ছেলে কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা দ্রুত উদ্ঘাটন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
জানা গেছে, নিহত আশফাক কবির সাজিদ (১৭) নগরের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় হলেও তিনি চকবাজারের ডিসি রোড কবরস্থানের পাশের একটি বাসায় ভাড়া থেকে পড়াশোনা করতেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে আশফাককে তার বন্ধু ফারদিন হাসান মুঠোফোনে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে ডেকে নেন। সেখানে গেলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েক তরুণ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে জোর করে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়।

একপর্যায়ে হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে আশফাক কৌশলে ভবনের ভেতরে ঢুকে গেট বন্ধ করে দেন এবং দৌড়ে আটতলায় উঠে যান। তবে হামলাকারীরা গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা ওপর তলায় গিয়ে আশফাককে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে দেন।গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা আশফাককে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চকবাজার থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।







