আজঃ সোমবার ৮ জুন, ২০২৬

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং এর পদত্যাগ।

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অর্থ লেনদেন ও স্বার্থের সংঘাত নিয়ে বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করেছেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং। বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

খবর দ্য হিমালয়ান টাইমস’র।
[email protected]

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৫ দফা দাবি দিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দেশটির রাজধানী দিল্লির যন্তর-মন্তরে আয়োজিত ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশ নিয়েছেন। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরা সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, তরুণ পেশাজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষরা শিক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ৫টি প্রধান দাবি তুলে ধরেন।
খবর- হিন্দুস্থান টাইমস
১) শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ছাড়া ডিজিটাল শিক্ষা নয়
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
বিক্ষোভকারীদের অন্যতম দাবি ছিল, পর্যাপ্ত মূল্যায়ন ও শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া শিক্ষা খাতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু না করা। তাদের মতে, ব্যাংকিং খাতের মতো শিক্ষা ক্ষেত্রেও ডিজিটাল ব্যবস্থার অপব্যবহার ও অনিয়মের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

২)মণিপুরে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি
================================
মণিপুরে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও বিক্ষোভে উঠে আসে। অংশগ্রহণকারীরা সেখানে স্কুল-কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের দাবি জানান।
৩) প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত
করা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভকারীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, এসব অনিয়মের কারণে বহু শিক্ষার্থীর বছরের পর বছর পরিশ্রম বিফলে যাচ্ছে।
৪) শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব
+++++++++++++++++++++++++++++++++
বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিক্ষাসংক্রান্ত যেসব সমস্যা সরাসরি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রভাবিত করছে, সেগুলোকে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করতে হবে। তাদের মতে, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সংকট সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
৫) শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা
—————————————-
শিক্ষার্থীদের ওপর ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপ এবং আত্মহত্যার ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে আন্দোলনকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা বলেন, লাখো শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপে ভুগলেও এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

সমাবেশে বক্তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দায়ী করে তার পদত্যাগের দাবি জানান।

আমিরাতে ১জুন থেকেই মাসের প্রথমদিন বেতন দেওয়া কোম্পানির সংখ্যা ১৫১ শতাংশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেসরকারি খাতের কর্মীদের বেতন মাসের প্রথম দিনেই পরিশোধ বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। নতুন এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার প্রথম দিনেই ওয়েজ প্রোটেকশন সিস্টেম (WPS) প্ল্যাটফর্মে বেতন প্রক্রিয়াকরণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে আল আনসারি এক্সচেঞ্জ।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, মানবসম্পদ ও আমিরাতিকরণ মন্ত্রণালয় (MoHRE) নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলতে বিপুলসংখ্যক কোম্পানি ১ জুন বেতন পরিশোধ করেছে।

২০২৬ সালের ৩৪০ নম্বর মন্ত্রীপর্যায়ের রেজোলিউশন অনুযায়ী, এখন থেকে বেসরকারি খাতের কর্মীদের আগের মাসের কাজের বেতন প্রতিটি গ্রেগরিয়ান মাসের প্রথম দিনেই দিতে হবে। ১ জুন ২০২৬ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ফলে মাসের প্রথম দিনের পর বেতন পরিশোধ করলে তা বিলম্বিত হিসেবে গণ্য হবে।

এর আগে কোম্পানিগুলো মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত বেতন দেওয়ার সুযোগ পেত। নতুন নিয়মে সেই সময়সীমা বাতিল করে প্রথম দিনেই বেতন পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন বিধান বাস্তবায়নে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলো (SMEs) প্রস্তুতি জোরদার করেছে। মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য নিয়মিত নগদ প্রবাহ নিশ্চিত করা, বেতন পরিকল্পনা হালনাগাদ করা এবং কর্মীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, WPS ব্যবস্থায় নিবন্ধিত কর্মীর সংখ্যা ২০২৪ সালের ৬০ লাখ ৬০ হাজার থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৭২ লাখ ৬০ হাজারে পৌঁছেছে।

একই সময়ে বেতন লেনদেনের সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ থেকে বেড়ে ৭ কোটি ৯৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। এসব লেনদেনের মোট মূল্য ৩৪১ বিলিয়ন দিরহাম থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪০৯ বিলিয়ন দিরহামে পৌঁছেছে।

এ ছাড়া নিবন্ধিত নিয়োগকর্তার সংখ্যা ২০২৪ সালের ৩ লাখ ২১ হাজার ৭ জন থেকে ২০২৫ সালে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৮ জনে উন্নীত হয়েছে, যা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি।

আল আনসারি এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলি আল নাজ্জার বলেন, নতুন নিয়মের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নিয়োগকর্তাদের জন্য দ্রুত, কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য বেতন-পরিশোধ সেবা আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠার হার বৃদ্ধি এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে বেতন ব্যবস্থাপনার গুরুত্বও দ্রুত বাড়ছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে আমিরাতের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, গত বছর দুবাইয়ের জনসংখ্যা প্রথমবারের মতো ৪০ লাখ অতিক্রম করেছে এবং আবুধাবির জনসংখ্যাও ৪০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ