আজঃ সোমবার ৮ জুন, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলের খাবার খেয়ে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বদিউজ্জামান রাজাবাবু চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পৌর এলাকার শংকরবাটি ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরের আগেই এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পাউরুটি ও ডিম খাওয়ার পরপরই অসুস্থতা অনুভব করে। তাদের মধ্যে বমিভাব, পেটব্যথা ও চোখে জ্বালাপোড়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আবার বিদ্যালয়ে ফিরলেও অধিকাংশকে তাদের অভিভাবকরা বাড়িতে অথবা চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।


অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে নিম্নমানের ও দুর্গন্ধযুক্ত খাবার সরবরাহ করা হচ্ছিল। বিষয়টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা ‘গাক’-কে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামসুন্নাহার বলেন, অভিযোগ জানানোর পরও নিম্নমানের খাবার সরবরাহ বন্ধ হয়নি। খাবার খাওয়ার পরপরই প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘গাক’-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


উল্লেখ্য, জেলার চারটি উপজেলায় প্রায় ২১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের পাউরুটি, দুধ, কলা ও ডিমসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হয়। তবে বেশিরভাগ বিদ্যালয়েই নিম্নমানের খাবার দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

শিশু ধর্ষণ মামলার তদন্ত ১৩ দিনেই শেষ, আদালতে অভিযোগপত্র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ায় আলোচিত শিশু ধর্ষণ মামলার তদন্ত ১৩ দিনেই শেষ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার মামলার অভিযোগপত্র আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় জমা দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। যা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে বলে জানালেন পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ২১ মে দুপুরে ডেকোরেশনের গুদামে ওই এলাকার সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন মনির। পরে টের পেয়ে তাকে আটক করে এলাকাবাসী।খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মনিরকে নেয় নিজেদের হেফাজতে। তবে বিপত্তি ঘটে তাকে থানায় নিতে গেলে। রওনা দেওয়ার সময় পুলিশকে ঘিরে ফেলে জনতা। বিচার নিজেরাই করবে জানিয়ে জনতার হাতে আসামিকে তুলে দেওয়ার দাবি জানাতে থাকে তারা। এ নিয়ে পুলিশ-জনতার মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাথর নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ, গুলিবর্ষণ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় বাকলিয়া।২২ মে সকালে মনিরের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন শিশুটির বাবা। আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন মনির। পরে তাকে পাঠানো হয় কারাগারে।

আসামি মনির হোসেনের (৩০) বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার নুর হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় ভাই ভাই ডেকোরেশন নামে একটি দোকানের কর্মচারী তিনি। বসবাস ওই এলাকাতেই।
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ বলেন, মনিরের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়া গেছে ডিএনএ প্রতিবেদনে। তাকেই একমাত্র আসামি করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, অভিযোগপত্র জমা দেয়ার বিষয়টি সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নেয়া হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে করা হয়েছে যৌন নির্যাতন। যা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে বলে জানালেন পুলিশ পরিদর্শক তানভীর।২০২৬ সালে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১) ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ১৬ বছরের কম বয়সি কোনো শিশুর সঙ্গে তার সম্মতি বা সম্মতি ছাড়া যৌনকর্ম করেন, তাহলে ওই শিশুকে ধর্ষণ করেছেন বলে তিনি, এমনটাই গণ্য হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ